হোম > ফিচার > আমার জীবন

ঈদে ভিন্ন স্বাদের ঝাল-মিষ্টি খাবার

সোমা আহমেদ

ঈদ মানেই ভিন্ন স্বাদের খাবার আয়োজন। ঈদের আনন্দ পরিপূর্ণতা পায় হরেক রকম খাবারের জন্য। ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে সবার আগে চাই মজাদার খাবার। উৎসবের এই দিনটির সকাল শুরু হয় মিষ্টিমুখ করে। ইসলাম ধর্মে ঈদের সকালে মিষ্টি খাবার খাওয়া সুন্নত।

পায়েস

উপকরণ : দুধ চার কেজি, পোলাওর চাল ১৫০ গ্রাম, বাদাম কুচি দুই টেবিল চামচ, কিশমিশ দুই টেবিল চামচ, চিনি আধা কেজি (মিষ্টি), চেরি ফল কুচি দুই টেবিল চামচ ও এলাচি+দারুচিনি ৪-৫টি।

প্রস্তুত প্রণালি : পোলাওয়ের চাল ভিজিয়ে আধা ভাঙা করে রাখুন। এখন দুধে চাল, এলাচি ও দারুচিনি দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। একসময় চাল সেদ্ধ হয়ে দুধ ঘন হয়ে আসবে, তখন কাঠবাদাম ও চিনি দিয়ে আরো কিছুক্ষণ জ্বাল দিন। নামানোর কিছুক্ষণ আগে কিশমিশ দিয়ে দিন। গরম গরম বড় বাটিতে ঢেলে চেরি ও বাদাম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। তবে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে খেলে বেশি মজা লাগে।

পোলাও

উপকরণ : পোলাওয়ের চাল ১ কেজি, দুধ ২ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা চামচ, রসুনবাটা ১ চা চামচ, ঘি ২ টেবিল চামচ ও তেল আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো।

প্রস্তুত প্রণালি : পোলাওয়ের চাল ভালোভাবে ধুয়ে একটা ঝাঁঝরিতে রাখতে হবে। পানি যেন ভালোভাবে ঝরে যায়। এরপর একটা পাত্রে পরিমাণমতো তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুচি, আদা-রসুনবাটা দিন। পোলাওয়ের চাল ভেজে নিন। পোলাও চাল ভাজা ভাজা হলে আগে থেকে মেপে রাখা পানি দিয়ে দিন। দেড় কেজি চাল হলে তিন লিটার পানি দিয়ে কিছু সময় জ্বাল দিতে হবে। এরপর দুই কাপ দুধ দিন। পোলাওটা যখন হয়ে আসবে তখন ঘি ছড়িয়ে দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে।

গরুর রেজালা

উপকরণ : গরুর মাংস দুই কেজি, আদাবাটা দেড় টেবিল চামচ, রসুনবাটা দেড় টেবিল চামচ, জিরা গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, ধনে গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ (স্বাদমতো), এলাচি ৫টা, তেজপাতা ২টা, লং ৪টা, দই ১ কাপ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ বাটি, কাজু বাদাম ১ টেবিল চামচ, জয়ফল-জয়ত্রী আধা চা-চামচ, কেওড়া জল ১ টেবিল চামচ, তেল ২ কাপ ও ঘি ১ কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি : গরুর মাংস একটু বড় বড় কেটে নিন। একটা পাত্রে তেল আর ঘি দিয়ে পেঁয়াজ হালকা ভেজে নিন। এরপর গরম মসলার সঙ্গে আগে থেকে তৈরি করে রাখা মসলাগুলো দিয়ে দিন। মসলা ভালো করে ভুনে গরুর মাংস তাতে দিয়ে দিতে হবে। মাংস ৪০ মিনিট দমে রেখে দিন। কিছু সময় জ্বাল দেওয়ার পর গরুর মাংস থেকে পানি বের হবে। মাংস আরো ৪০ থেকে ৬০ মিনিট ধরে কষান। ঝোলের জন্য সামান্য পরিমাণ গরম পানি দিন।

এর কিছু সময় পর কয়েকটা আলুবোখারা দিতে হবে। আগে থেকে বাদাম, টক দই এবং বেরেস্তা দিয়ে যে পেস্ট বানিয়ে রাখা হয়েছিল সে উপকরণসহ এক কাপ দই গরুর মাংসের মধ্য দিয়ে দিন। এরপর কিছু সময় দমে রাখুন। গরুর রেজালা নামানোর কিছু সময় আগে পাঁচ-ছয়টা কাঁচামরিচ ও কেওড়া জল দিয়ে কিছু সময় রেখে নামিয়ে নিন।

ফালুদা

উপকরণ : ফালুদা মিক্স ২ প্যাকেট, দুধ ২ লিটার, চিনি ৩ টেবিল চামচ, নুডলস ১০০ গ্রাম, পরিবেশন করার জন্য আপেল, কলা, আঙুর ফল, ওয়েফার ও জেমস।

প্রস্তুত প্রণালি : প্রথমে ২ লিটার ঠান্ডা দুধের মধ্যে ফালুদা মিক্স ঢেলে দিন। জ্বাল দিতে হবে। আস্তে আস্তে ঘন হয়ে এলে নামিয়ে ফেলুন। যখন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসবে তখন ফ্রিজে রাখতে হবে। প্যাকেটের মধ্যে রাখা জেলি কেটে ফ্রিজে রেখে দিন। ঠান্ডা হলে পরিবেশন করার আগে ফালুদার ওপরে ভ্যানিলা চকলেট, সেদ্ধ নুডলস দিয়ে দিন। আইসক্রিমের ওপরে বিভিন্ন রঙের জেমস, জেলি এবং বিভিন্ন ধরনের ফল দিয়ে দিতে হবে। এরপর একপাশে দুটো ওয়েফার দিয়ে পরিবেশন করুন।

দই চিকেন

উপকরণ

মুরগির মাংস, এক কেজি টক দই, এক কাপ মিল্ক পাউডার, লিকুইড দুধ ২ টেবিল চামচ/এক কাপ, আদা-রসুন বাটা এক চা চামচ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া সামান্য, চিনি ১ চা চামচ, সয়াবিন তেল আধা কাপ।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে দিতে হবে। তার মধ্যে মুরগির মাংস দিয়ে সামান্য ভেজে নিতে হবে। এরপর একে একে আদা-রসুন বাটা, ফেটে রাখা দই, গোলমরিচ গুঁড়া, স্বাদমতো লবণ দিয়ে ভালো করে নাড়াচাড়া করতে হবে। এরপর এক কাপ লিকুইড দুধের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ মিল্ক পাউডার মিশিয়ে মাংসের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। ঢাকনা দিয়ে অল্প আঁচে ঢেকে ১০ মিনিটের জন্য রেখে দিতে হবে। তাহলেই তৈরি হয়ে যাবে দই চিকেন।

ভেজিটেবল চিকেন কারি

উপকরণ

মুরগির মাংস ১ কেজি, ব্রোকলি ১ কাপ, গাজর আধা কাপ, পেঁয়াজ ৩টি (বড় সাইজ), আদা কুচি ১ ফালি, রসুন কুচি ২ কোয়া, কাঁচা মরিচ ৪/৫টি, পেঁয়াজের কলি আধা কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ১ চা চামচ, কালো গোলমরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ, চিকেন পাউডার ১ চা চামচ, সয়াসস ১ চা চামচ, টমেটো সস ১ টেবিল চামচ, কনফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো ও সয়াবিন তেল পরিমাণমতো।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে দিতে হবে। এবার রসুনের কুচি, আদা কুচি দিয়ে দিতে হবে। একটু ব্রাউন কালার হলে মাংসটা দিয়ে দিতে হবে। এরপর একে একে সয়াসস, টমেটোসস, লবণ, মরিচের গুঁড়া, কালো গোলমরিচের গুঁড়া, চিকেন পাউডার দিয়ে দিতে হবে। পাঁচ মিনিট নাড়াচাড়ার পর হাফ সেদ্ধ করে রাখা ভেজিটেবলগুলো মুরগির মাংসের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। এরপর এক চা চামচ কর্নফ্লাওয়ার, সামান্য পানি দিয়ে গুলে মাংসের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। দু-তিন মিনিট নাড়াচাড়ার পর নামিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

রোজার ছুটি, ঈদের আনন্দ

অন্দরমহল হোক মনের মতো

গহনায় সাজের পূর্ণতা

ইফতারিতে রকমারি ফলের সালাদ

গুলিয়াখালী—যেখানে ঘাস কথা বলে, সমুদ্র শোনে

ইফতারের কয়েক পদ

রোজা রেখে ইফতার হোক স্বাস্থ্যসম্মত

বই হোক নিত্যসঙ্গী

শিশুদের জন্য রমজান যেমন

সাহরির তিন পদ