হোম > ফিচার > আমার জীবন

ঈদের কেনাকাটা

আল খালিদ

বাঙালি মুসলিমদের জন্য ঈদ সবচেয়ে বড় উৎসব। সারা বছর মুসলিমরা ঈদের জন্য অপেক্ষায় থাকেন। এ সময় সবাই সাধ্যমতো নিজেদের জন্য কেনাকাটা করেন এবং প্রিয়জনদের উপহার দেন। এত কেনাকাটা এক দিনে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। বারবার ছুটতে হয় শপিং মলে।

চাঁদরাত পর্যন্ত চলে কেনাকাটার ধুম। অনেকে রোজা রেখে কেনাকাটা ঝামেলা মনে করেন। তাই ঈদের যাবতীয় কেনাকাটা রোজার আগেই সেরে ফেলেন। আবার কেউ কেউ শেষের দিকেই করে থাকেন। কারণ তখন অনেক জায়গাতেই তুলনামূলকভাবে অল্প দামে পণ্য কিনতে পাওয়া যায়। আবার বেশিরভাগ মানুষই আনুষঙ্গিক কিছু কেনাকাটা করেন শেষ সময়ে।

যা যা কিনতে পারেন

অনেকে হয়তো জামা বা শাড়ি কিনেছেন, কিন্তু তার সঙ্গে ম্যাচিং গহনা, জুতা বা ব্যাগ কেনেননি। এসব কেনাকাটা করতে পারেন শেষের দিকে। কেউ কেউ হয়তো আত্মীয়দের জন্য কিছু কেনাকাটা করেন এ সময়ে।

যাদের পরিবারে শিশু আছে, তাদের ঈদ যেন সবচেয়ে রঙিন। সবার আগে কেনা হয় শিশুর রঙিন জামাকাপড়। কিন্তু তাদের জন্যও হয়তো জুতা, চুলের ক্লিপ, চুড়ি, ব্যাগ—এসব কেনা বাকি থেকে যায়। তাই শেষের দিকের কেনাকাটার তালিকায় এসবও যুক্ত হতে পারে।

ঈদের সময় যে শুধু পোশাক বা গহনাই কেনা হয়, ব্যাপারটি তেমন নয়। কেনার প্রয়োজন হতে পারে ঘরের কিছু আনুষঙ্গিক জিনিসও। ঈদে ঘরে নতুনত্ব আনতে কিনতে পারেন রঙিন পর্দা, বিছানার চাদর, শোপিস কিংবা নিতান্তই নিত্যপ্রয়োজনীয় কোনো জিনিস। এসব আপনার ঘরকে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টিতে সাহায্য করবে।

কোথা থেকে কিনবেন

তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী মূল্যে কেনার জন্য নিউমার্কেটের বিকল্প নেই। সেখানে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় সব জিনিস পেয়ে যাবেন হাতের নাগালে। সব শ্রেণি ও পেশাজীবীর মানুষের ঈদ কেনাকাটায় নিউমার্কেটের আবেদন চিরকালীন।

এছাড়া আমাদের শহরে ফুটপাত ঘিরে গড়ে ওঠে বিভিন্ন অস্থায়ী দোকানপাট। একটু দেখেশুনে কিনতে পারলে সেখান থেকেও সুলভ মূল্যে পেয়ে যেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত জিনিসগুলো। নিউমার্কেট ঘিরে রয়েছে ফুটপাত। মীরপুর ১০-এর ফুটপাতেও পেয়ে যাবেন দারুণ সব জিনিস। সেখানে সাহেলী মার্কেট ও নতুন একটি শপিং মলও গড়ে উঠেছে। চাইলে সেখান থেকেও কিনতে পারেন।

উচ্চ শ্রেণির মানুষদের জন্য বিভিন্ন শপিং মল ও নামিদামি শোরুম তো আছেই। এক্ষেত্রে আপনি বেছে নেবেন আপনার বাসার কাছের কোনো শোরুম বা শপিং মল। এতে আপনার সময়ও বাঁচবে, ঝামেলাও কম হবে। যেমন আপনার বাসা যদি বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের কাছাকাছি হয়, সেখান থেকে শপিং করতে পারেন। একইভাবে বাসা যদি যমুনা ফিউচার পার্ক বা সীমান্ত স্কোয়ারের কাছাকাছি হয়, তাহলে সেখানে যেতে পারেন।

খেয়াল রাখবেন

শেষের দিকের কেনাকাটায় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন—

শেষ সময়ে খুচরা কিছু কেনাকাটা বাকি থাকে। যা যা বাকি রয়ে গেছে, তার একটি তালিকা তৈরি করুন, যাতে কোনোটা কেনা বাকি থেকে না যায়।

শেষের দিকে সাধারণত প্রয়োজনীয় জিনিসগুলোই কেনা হয়। তাই এ সময়ে যেন অপ্রয়োজনীয় খরচ না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

বিভিন্ন শোরুম বা দোকানে শেষের দিকে অফার দিয়ে থাকে। বিশেষ করে অনলাইনে বিভিন্ন পেজ স্টক ক্লিয়ারেন্স সেল দেয়। সেই অফারে লুফে নিতে পারেন দারুণ কিছু পণ্য। তাই কোন কোন শোরুম অনলাইন পেজ বা দোকানে অফার দিচ্ছে, তার খোঁজ রাখুন।

এছাড়া নিজের সুস্থতার দিকেও খেয়াল রাখা উচিত। রোজা থেকে এত ভিড়ের ভেতর দীর্ঘ সময় কেনাকাটা করলে অসুস্থও হয়ে যেতে পারেন। তাই শরীরের ওপর যেন অতিরিক্ত চাপ না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখুন। খারাপ লাগলে কোথাও বসে বিশ্রাম নেবেন, অথবা বাসায় ফিরে আসবেন।

শুরু হোক রোজার প্রস্তুতি

শহীদ ভাইদের স্মরণে

বসন্ত এসে গেছে

নীল দিগন্তে নোনা পানি আর প্রবালের মিতালি

ঘুণপোকা থেকে কাঠের আসবাব রক্ষায় করণীয়

কর্মক্ষেত্রে একঘেয়েমি দূর করতে...

ভিন্ন স্বাদের খাবার

কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে প্রয়োজন মানসিক শক্তি

হাতভরা চুড়ি চাই

চোখে শুধু দেখছি সরষে ফুল…