আমার দেশ পাঠকমেলা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে পাঠকমেলার সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। আন্তরিক ও প্রাণবন্ত পরিবেশে আয়োজিত এ সভায় পাঠকদের মধ্যে পরিচিতি, পারস্পরিক ভাবনা বিনিময় এবং পাঠকমেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আয়োজনের শুরু থেকেই ছিল স্বতঃস্ফূর্ত আড্ডা ও প্রাণখোলা কথোপকথন। পাঠকমেলার নিয়মিত কার্যক্রম, সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, পাঠচর্চার পরিসর বিস্তৃত করা এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে মতামত দেন উপস্থিত সদস্যরা। বিশেষ করে ক্যাম্পাসে নিয়মিত পাঠচক্র আয়োজন, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বই ও বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস ও চিন্তাশীলতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সভায় ভবিষ্যৎ সাংস্কৃতিক কার্যক্রম নিয়েও বিভিন্ন পরিকল্পনা ও প্রস্তাব উঠে আসে। সাহিত্য, ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সমকালীন নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে আলোচনা সভা, পাঠচক্র, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন সদস্যরা। পাঠকমেলাকে কেবল পাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।
সভায় আগামী দিনগুলোয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পাঠকমেলার কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। নিয়মিত পাঠচক্রের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও অংশগ্রহণের ভিত্তিতে বিভিন্ন সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন করার পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়। বই পাঠ, আলোচনা, সাহিত্যচর্চা, ইতিহাস ও সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিন্তার পরিসর আরো বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আলোচনা করা হয়।
আমার দেশ পাঠকমেলার এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার পাশাপাশি সমকালীন বিষয় নিয়ে ভাবা, মত প্রকাশ করা এবং ভিন্ন মতকে শ্রদ্ধার সঙ্গে শোনার সংস্কৃতি বিকাশে ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে পাঠচক্র ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে একটি সুস্থ, সৃজনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক পরিবেশ তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হয়।
সব মিলিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যস্ত ক্যাম্পাস জীবনের এক বিকাল পাঠকমেলার সদস্যদের আড্ডা, ভাবনা ও প্রাণবন্ত কথোপকথনে হয়ে উঠেছিল মুখর। ভবিষ্যতের পাঠচক্র, সাংস্কৃতিক আয়োজন ও নিয়মিত বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমের প্রত্যাশায় সেই বিকাল যেন তরুণ পাঠকদের চিন্তা ও সৃজনশীলতার এক নতুন যাত্রার সূচনা করে।