প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শিশুদের ভেতরে লুকিয়ে আছে অপার সম্ভাবনা। তাদের ঠিকমত বিকশিত হওয়ার সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে।
মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শিশুদের পছন্দমত সব বিষয়ে প্রাধান্য দিতে ২০২৮ সাল থেকে সরকারিভাবে পূর্ণ উদ্যোগে কাজ শুরু করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যার যে প্রতিভা আছে, সেটি তোমরা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করো। শিশুদের নিজেদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ করে দিতে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তারেক রহমান বলেন, শুধু পড়াশোনার মধ্যে শিশুদের সীমাবদ্ধ না রেখে খেলাধুলাসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ আরও ভালোভাবে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিশুদের সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। আজকের শিশুরাই আগামী দিনের দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাই তাদের মেধা ও যোগ্যতা বিকাশের সুযোগ করে দিতে পারলে ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সরকারপ্রধান বলেন, আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। পড়ালেখার পাশাপাশি শিশুদের মানবিক হতে হবে।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে পৌঁছালে ১৫০ জন শিশু প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নেয়। পরে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী অতিথিদের সঙ্গে আসন গ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত রয়েছেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজকের আয়োজনে শিশুদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের স্মারক উপহার প্রদান, স্মরণিকা ‘শৈশব’-এর মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী।
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিশুরা এ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছে।