সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান।
মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল-২০২৬, সম্পর্কে কমিটির রিপোর্ট দেওয়ার পরে পয়েন্ট অব অর্ডারে তিনি বলেন, এখানে প্রফিট-নন প্রফিট কনসার্নের কথা বলা হয়েছে। যখন এখান থেকে ইনকাম জেনারেট করার ইচ্ছা থাকবে, স্বাভাবিকভাবেই চিকিৎসা ব্যয় বাড়বে। বাজেটে জনগণের পকেটমানি কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এই বিলের সেন্স তার বিপরীত।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এ ধরনের কোম্পানি শেয়ার করতে আসলে আগামীতে একটি ‘আনহেলদি কম্পিটিশন’ বা অসুস্থ প্রতিযোগিতার ঝুঁকি তৈরি হবে। এর মাধ্যমে জনগণের প্রাপ্তির চেয়ে একটি বিশেষ গোষ্ঠীর প্রাপ্তি বেশি হওয়ার আশঙ্কা আছে।
জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আপনি একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক। বিলটি কেবল উপস্থাপিত হয়েছে। বিবেচনার সময় আপনাকে দীর্ঘ সময় দেওয়া হবে, তখন পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা করবেন।
১০টার মিটিংয়ের মেসেজ ৯টা ১৯-এ!
অধিবেশনে পয়েন্ট অফ অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন সংসদ সদস্য মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ কমিটির সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তাকে সভার নোটিশ দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, সকাল ১০টায় মিটিং, আর আমাকে মেসেজ দেওয়া হয়েছে ৯টা ১৯ মিনিটে! ১০টা ১৯ মিনিটে সভাপতির পিএস ফোন করে বলেন মিটিং চলছে। গুরুত্বপূর্ণ কমিটির মিটিংয়ের খবর কি মেসেজে হয়? ম্যাজিক জানা না থাকলে এই অল্প সময়ে উপস্থিত হওয়া সম্ভব নয়। আমাকে যথাসময়ে খবর দেওয়া হলো না কেন?
সংসদ সদস্যের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্পিকার সংশ্লিষ্ট বিশেষ কমিটির সভাপতিকে ভবিষ্যতে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দেন। স্পিকার বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ব্যাপারে প্রত্যেক সদস্যকে যথেষ্ট সময় দিয়ে নোটিফাই করার জন্য আমি সভাপতিকে অনুরোধ জানাচ্ছি। ভুলভ্রান্তি হতে পারে, তবে ভবিষ্যতে যাতে না হয় সে ব্যাপারে যত্নবান হতে হবে।
এএস