হোম > জাতীয়

জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার

জুলাই শহীদদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর চেতনা আমাদের জন্য কেবল ইতিহাসের গৌরব নয়, এটি ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বুধবার এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

দিবসটি উপলক্ষে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, শোক আর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সারা দেশে দিবসটি আগামীকাল বৃহস্পতিবার পালিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন শহীদ হয়েছিলেন। রংপুরে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন শহীদ আবু সাঈদ। আবু সাঈদের বুকে পুলিশের গুলি করার দৃশ্য গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে।

তিনি আরও বলেন, কোটা সংস্কারের দাবি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে মোড় নেয়। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। মহান আল্লাহর দরবারে শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সকল শহীদের মাগফিরাত কামনা করছি।

১৬ জুলাই জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, এদিন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রাণঘাতী শক্তির নির্মম প্রয়োগ এবং ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র অথচ অদম্য সাহসী বীর ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। বিশেষ করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দুই হাত প্রসারিত করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদের সেই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না; সেটি ছিল গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের সেই গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি আন্দোলনই ছিল না, এটি ছিল দীর্ঘ দেড় দশক ধরে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদ, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, লুণ্ঠন, গুম, খুন, দমন-পীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে সমগ্র জাতির ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ। সেই আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের শক্তিতেই বাংলাদেশের মানুষ তাদের মর্যাদা, অধিকার এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে নতুন করে প্রতিষ্ঠার সুযোগ লাভ করেছে। ঐতিহাসিক সেই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পর আজ আমাদের সরকার শহীদদের পবিত্র আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তিনি আরও বলেন, দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, শহীদদের রক্ত কখনও বৃথা যেতে পারে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অমর চেতনা আমাদের জন্য কেবল ইতিহাসের গৌরব নয়, এটি ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রেরণা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র এবং সমাজে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন, সেই সব অকুতোভয় শহীদদের গৌরবময় আত্মত্যাগের পথ ধরে বর্তমানে দেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে। সকল নাগরিকের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের মাধ্যমেই আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধের চেষ্টা করতে পারি। আমি আবারও আল্লাহর দরবারে সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করি। গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।

চলতি মাসেই খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

ঢাকায় কাল শুরু হচ্ছে ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’

সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

দেশের ক্ষতির অন্যতম কারণ ইউটিউব-ফেসবুক, রাশ টানবে সরকার: চিফ হুইপ

উৎপাদনশীলতা বাড়াতে উদ্ভাবনী চিন্তা ও মেধার বিকাশ ঘটাতে হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

শাহজালাল বিমানবন্দর নামেই আন্তর্জাতিক, বাস্তবে মনে হবে মাছের বাজার

বিডিনিউজের সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদীর ইন্তেকাল

মৎস্য-প্রাণিসম্পদ খাতে মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম জোরদারের আহ্বান প্রতিমন্ত্রীর

সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতের অঙ্গীকার এলজিআরডি মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর

৫৬ জেলার ৭৭ উপজেলায় একসঙ্গে কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন