হোম > জাতীয়

নিয়োগপত্র না পাওয়ায় অনিশ্চয়তায় প্রার্থীরা

সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ

স্টাফ রিপোর্টার

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫–এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া বেশিরভাগ প্রার্থীকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাদের অনেকেই এখনো নিয়োগপত্র পাননি। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় চাকরিতে নিযুক্তিতে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন প্রার্থীরা।

তাদের একজন রংপুরের পীরগঞ্জের আবদুল্লাহ আল মামুন। তার দাবি, চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও এখন পর্যন্ত নিয়োগপত্র না পেয়ে তিনি উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিসসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো সুরাহা পাননি।

তিনি বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাচ্ছি না। উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা শিক্ষা অফিসার ও মহাপরিচালক দপ্তরেও আবেদন করেছি। কিন্তু আমাদের কিছু জানানো হচ্ছে না।’

আবদুল্লাহর দাবি, তার বাবা জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন সভাপতি। এ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণেই তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কোনো লিখিত সিদ্ধান্ত বা সরকারি ব্যাখ্যা তিনি পাননি।

মামুনের ভাষ্য, একই উপজেলায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়া অন্যরা নিয়োগ পেলেও তিনি একাই বাদ পড়েছেন। তার অভিযোগ, জেলা শিক্ষা অফিস থেকে অধিদপ্তরে এবং অধিদপ্তর থেকে আবার জেলা নিয়োগ কমিটির কাছে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে। এতে তিনি প্রশাসনিক জটিলতায় ঘুরপাক খাচ্ছেন।

শুধু আবদুল্লাহ নয়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের আবু তালহা, পলাশবাড়ির নজরুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের দেবিগঞ্জের আতেনান হোসেন, বোদার জুয়েল ইসলাম, ভোলার লালমোহনের ফয়জুল আলম, খুলনার ডুমুরিয়ার সৈকত মণ্ডল, জামালপুরের ইসামপুরের আরফিনা আক্তারও নিয়োগপত্র পাননি। কেন পাননি, জানেন না তারা।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫-এর চূড়ান্ত ফল চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। এতে ৬১ জেলায় ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তদের পুলিশ ভেরিফিকেশন ও কাগজপত্র যাচাই করা হয়।

২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হলে বিভিন্ন জেলায় সুপারিশপ্রাপ্ত অনেকের নাম তালিকায় না থাকায় বিষয়টি নিয়ে আন্দোলন শুরু হয়। প্রার্থীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দুই হাজারের বেশি প্রার্থী বাদ পড়েছেন। পরে পর্যায়ক্রমে তাদের বড় একটি অংশকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া ২৫৯ জনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না দেওয়া ১৮ জন বাদে ২৪১ জনের মধ্যে ২৩৯ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন; দুজন এখনো পাননি। এছাড়াও বিভিন্ন জেলার তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, এখনো বেশকিছু সংখ্যক প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি।

এদিকে ১ অক্টোবর চূড়ান্তভাবে নিয়োগপত্র পাওয়া প্রার্থীদের যোগদান শুরু হয়েছে। সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী যোগদানের পর পদায়নের কথা ছিল ৪ অক্টোবর। তবে পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো কাজ করছে।

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন এর আগে জানিয়েছিলেন, ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র না পাওয়া উত্তীর্ণ প্রার্থীদেরও যাচাই-বাছাই শেষে পর্যায়ক্রমে দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।

এমই

৫ দিনের মধ্যে বিদায় নিতে পারে মৌসুমি বায়ু

সেপ্টেম্বরে নির্যাতনের শিকার ২৩৬ নারী ও কন্যাশিশু

একযোগে ১১ পুলিশ কর্মকর্তাকে ঢাকার বাইরে বদলি

ঢাকার ৪ বারে অভিযান

বাংলাদেশ আল্লাহর জমিন, দিল্লির ইশারায় চলবে না: ভূমিমন্ত্রী

নিম্নমানের বই সরবরাহে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে

নিজ বাসভবনের ছাদের সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ১২০০ ইউনিট দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

তৃণমূলে প্রকল্প বাস্তবায়নে কর্মকর্তাদের সততা সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে

অপতথ্য রোধে তরুণদের সচেতন হতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী