ট্রেন ও মেট্রোরেলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিক এবং প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে সরকার।
আগামী অর্থবছরের বাজেটে এই প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো আধুনিক করতে একাধিক বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছে দেশের সড়ক অবকাঠামোকে আন্তর্জাতিক হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযুক্ত করা, মহাসড়ক উন্নয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোরগুলোকে চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ।
নগর পরিকল্পনা ও পরিবহন নীতির সমন্বয়ে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম বাস্তবায়নের পাশাপাশি দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।
একই সঙ্গে ইলেকট্রনিক টোল ও স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঢাকায় ছয়টি মেট্রোরেল লাইন সমন্বয়ে শক্তিশালী গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।
প্রস্তাবিত বাজেটে বলা হয়েছে, সড়কে দক্ষ ও দায়িত্বশীল চালক তৈরিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পুরোনো বাসগুলো পর্যায়ক্রমে ইলেকট্রিক বাস দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হবে।
দীর্ঘমেয়াদে প্রায় তিন হাজার কিলোমিটার জাতীয় এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড গড়ে তোলা এবং দেশের সব জেলাকে রেল নেটওয়ার্কের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নদীনির্ভর শহরগুলোর চারপাশে বৃত্তাকার জলপথ গড়ে তোলা ও নৌ-যোগাযোগ উন্নয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
এছাড়া, বন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থার দক্ষতা উন্নয়ন এবং কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুরকে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।