হোম > জাতীয়

ফ্ল্যাট থেকে ১১টি বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার কে এই দীপু

আমার দেশ অনলাইন

রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি বাড়ি থেকে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মেহেদী হাসান ওরফে দীপুকে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বাধীন যৌথবাহিনীর একটি বিশেষ দল। শুক্রবার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ বলছে, দীপুর তিনতলার বাড়ির একটি ফ্ল্যাট থেকে ১১টি অত্যাধুনিক বিদেশি অস্ত্র ও ৩৯৪টি গুলি, ৮টি ম্যাগাজিন, ৩২ টি কার্তুজ, একটি রাইফেল, দুটি ম্যাগাজিন, তিনটি চায়নিজ কুড়াল, একটি টাইগার হান্টিং কমান্ডো চাকু, দুটি ওয়াকিটকি, একটি ওয়াকিটকি ব্যাটারি, তিনটি পিস্তলের সাইড কভার ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি আমার দেশকে নিশ্চিত করেন ডিএমপির গুলশান জোনের ডিসি রওনাকুল আলম। তিনি জানান, অস্ত্রসহ যৌথ বাহিনী দীপুকে গ্রেপ্তার করেছে। অস্ত্র আইনে আদালত তাকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

পুলিশ জানায়, ২০২৫ সালের ২৭ মে কুষ্টিয়া শহরে যৌথ বাহিনী অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে। তার সঙ্গে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী মোল্লা মাসুদও গ্রেপ্তার হয়। অভিযানের বিষয়টি টের পেয়ে দীপু সেখান থেকে পালিয়ে গিয়েছিল।

ওই অভিযানে যৌথ বাহিনী পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছিল। পুলিশ জানায়, সুব্রত বাইন গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল দীপু। সুব্রত বাইন কারাগারে যাওয়ার পর থেকে আন্ডারওয়াল্ড নিয়ন্ত্রণ করতো সে। তার বিরুদ্ধে বাড্ডা, ভাটারা ও গুলশান এলাকায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ আছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার অভিযোগ আছে। পুলিশ জানায়, সুব্রত বাইনের বিশাল অস্ত্রের ভাণ্ডার রয়েছে। ওই ভাণ্ডার নিয়ন্ত্রণ করে দীপু। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর প্রকাশ্যে আসেন সুব্রত বাইন। মগবাজারের বিশাল সেন্টারে মহড়া দিতে গিয়ে ধরা পড়েন। মেরুল বাড্ডার আবাসিক এলাকার ভেতরে থাকা একটি মাছের আড়ত থেকেই দিনে কয়েক লাখ টাকা চাঁদা তুলতেন সুব্রত বাইন ও দীপু। ২০২৫ সালের ২০ মার্চ গুলশানের পুলিশ প্লাজার সামনে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সুমন নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ওয়াসির মাহমুদ সাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই খুনের সঙ্গে দীপুর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ২০২৫ সালের ১৯ এপ্রিল রাতে হাতিরঝিলের নয়াটোলা মোড়ল গলির ‘দি ঝিল ক্যাফে’র সামনে যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই খুনের সঙ্গে দীপুর সংশ্লিষ্ট পায় পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দীপু ও তার লোকজনের কাছে আরও ১৫টি বড় ও মাঝারি অস্ত্র রয়েছে বলে জানিয়েছে।

বাড্ডা থানা সূত্রে জানা গেছে, সুব্রত বাইন কারাগারে যাওয়ার পর থেকে মূলত দীপু সুব্রতের চেইন কমান্ডের দায়িত্ব নেন। সুব্রত বাইনের সকল সহযোগীরা তাকে দ্বিতীয় সুব্রত বাইন হিসাবে অ্যাখা দেন এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী ভাটারা ও হাতিরঝিল এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিল। অবশেষে যৌথ বাহিনীর হাতে সে গ্রেপ্তার হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, দীপুর বাড়ি উত্তরা বাড্ডাতে হলেও সে তার বাড়িতে থাকতো না। বিভিন্নস্থানে আত্মগোপন করতেন। রাত হলে তার সহযোগীদের নিয়ে অপরাধ কর্মকাণ্ডের জন্য পরিকল্পনা করতো। বাড্ডা থানার সন্ত্রাসী তালিকায় সে অন্যতম ওয়ারেন্টের আসামি ছিল। কিন্তু, সে দীর্ঘদিন পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। অবশেষে তাকে যৌথ বাহিনী আইনের আওতায় এনেছে। পুলিশ তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সে তার তার কয়েকজন সহযোগীর নাম বলেছে। তাদের ধরার জন্য যৌথ বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে।

পুলিশ জানায়, নব্বইয়ের দশকে রাজধানী ঢাকার অপরাধজগতের আলোচিত নাম ছিল সুব্রত বাইন। আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে তার এবং তার সহযোগীদের হাতে একাধিক ব্যক্তি খুনের শিকার হয়। চাঁদা আদায়, বাজার দখল, দোকান দখল, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ ছিল সুব্রতের অপরাধ জগতের প্রধান কর্মকাণ্ড।

নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে সন্তুষ্ট সরকার

সাংবাদিকদের ওপর হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি

ভোটকেন্দ্রে ২৫৭০০ বডি ওর্ন ক্যামেরা দেওয়া হচ্ছে: প্রেস সচিব

শিক্ষা আইন ২০২৬: জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন সমীচীন নয়

ভোট পারফেক্ট করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: প্রধান উপদেষ্টা

কাল থেকে ২৯৯ সংসদীয় আসনে একযোগে ব্যালটসহ নির্বাচনি সামগ্রী বিতরণ শুরু

পুলিশ সাংবাদিক পেটানোর কর্মসূচিতে নেমেছিল

ইশারা ভাষা করুণা নয়, অধিকার—রাষ্ট্রই তা নিশ্চিত করবে: উপদেষ্টা শারমীন

গাজীপুরে ব্যালট বিতরণ রোববার

টানা ৫ দিনের ছুটিতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান