২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে একাধিক গাড়ি বা মোটরযানের মালিক থাকলে পরিবেশ সারচার্জ বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ কারো নামে একাধিক গাড়ি নিবন্ধিত থাকলে নির্ধারিত হারে অতিরিক্ত পরিবেশ সারচার্জ দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যক্তির নামে একাধিক মোটরগাড়ি থাকলে প্রতিটির জন্য সারচার্জ দিতে হবে। ১৫০০ সিসি বা ৭৫ কিলোওয়াট পর্যন্ত প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য পরিবেশ সারচার্জের হার ২৫ হাজার টাকা, ১৫০০ সিসি বা ৭৫ কিলোওয়াটের অধিক কিন্তু ২০০০ সিসি বা ১০০ কিলোওয়াটের অধিক নয়, এমন প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য ৫০ হাজার, ২০০০ সিসি বা ১০০ কিলোওয়াটের অধিক কিন্তু ২৫০০ সিসি বা ১২৫ কিলোওয়াটের অধিক নয়, এমন প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য ৭৫ হাজার, ২৫০০ সিসি বা ১২৫ কিলোওয়াটের অধিক কিন্তু ৩০০০ সিসি বা ১৫০ কিলোওয়াটের অধিক নয়, এমন প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য দেড় লাখ টাকা, ৩০০০ সিসি বা ১৫০ কিলোওয়াটের অধিক কিন্তু ৩৫০০ সিসি বা ১৭৫ কিলোওয়াটের অধিক নয়, এমন প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য ২ লাখ টাকা এবং এর চেয়ে বেশি সিসি বা কিলোওয়াট হলে অর্থাৎ সাড়ে ৩ হাজার সিসি বা ১৭৫ কিলোওয়াটের অধিক প্রতিটি মোটরগাড়ির জন্য সাড়ে ৩ লাখ টাকা সারচার্জ দিতে হবে।
তবে একাধিক গাড়ির ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন হারে সারচার্জযোগ্য গাড়ি এই হিসাবের বাইরে থাকবে। অর্থাৎ সবচেয়ে কম সারচার্জ প্রযোজ্য গাড়ি বাদে বাকি সব গাড়ির জন্য পরিবেশ সারচার্জ পরিশোধ করতে হবে। গাড়ির নিবন্ধন কিংবা ফিটনেস নবায়নের সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই উৎসে কর আদায় করবে।