হোম > জাতীয়

অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যেই দিন কাটছে রোগীদের

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার

ছবি : সংগৃহীত

ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় রাজধানীর মগবাজারের আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের তিন দিন পার হলেও ১৫২ জন রোগী এখানো চিকিৎসাধীন। যদিও অধিকাংশ রোগী হাসপাতাল ছেড়ে গেছেন। তবে হাসপাতালে থাকা রোগী ও স্বজনদের অনেকেই জানান, ভর্তি থাকা প্রত্যেকের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা সম্ভব হচ্ছে না। আর সরানো হলে চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। যার ফলে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটছে তাদের এবং চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গতকাল রোববার সরেজমিন দেখা যায়,' হাসপাতালে সীমিত পরিসরে কিছু সেবা চালু থাকলেও ব্যস্ততা নেই, অনেকটাই ফাঁকা এবং বিরাজ করছে এক ধরনের নীরবতা। নতুন করে কোনো রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না। জরুরি বিভাগের সেবা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। অনেকে হাসপাতাল ছেড়ে যাচ্ছেন। তবে যেসব রোগীর অবস্থা গুরুতর, তারা এখনো চিকিৎসা নিচ্ছেন।

চিকিৎসাধীন রোগীদের কয়েকজন স্বজনকে হাসপাতাল ফটকের সামনে জড়ো হয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করতে দেখা গেছে। লাইসেন্স বাতিলের পর হাসপাতালের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিয়ে রোগী, স্বজন ও কর্মচারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। অনেকেই পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য না থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ ও ছাড়পত্র নিয়ে কিছু রোগী হাসপাতাল ত্যাগ করতে দেখা গেছে। এছাড়াও অনেকেই রোগীর ফলোআপের নির্ধারিত, তারিখ থাকায় হাসপাতালে এসে ফিরে যেতে দেখা গেছে।

রোগীর স্বজন ও সেবাপ্রার্থীরা বলেন, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে অলাভজনক এ প্রতিষ্ঠান। হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাধারণ রোগীদের চরম বিপাকে পড়তে হচ্ছে। ছয় নবজাতক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের অবশ্যই শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তবে হাসপাতাল বন্ধের বিরোধিতা করেন তারা।

হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালে বর্তমানে মোট ১৫২ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে শিশু নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ৪৮ জন, আইসিইউ, ও এইচডিইউতে (হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট) সাতজন এবং করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চার জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এর আগে মোট রোগী ভর্তি ছিল ২৩৪ জন। অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল ছেড়েছে ৮২ জন।

ঈদের আগের দিন ২৭ মে সকালে মগবাজারে আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের 'অবহেলার' প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি, দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা, বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ। এ ঘটনায় দেওয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা 'সন্তোষজনক না হওয়ায়' গত বৃহস্পতিবার লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এছাড়াও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীদের জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার ছয়টি সরকারি হাসপাতালে রেফার্ড করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এএম

আট মাসে চাকরি নিয়ে বিদেশ গেছে সাড়ে ৪ লাখ রেমিট্যান্স যোদ্ধা, আয় ২৬ বিলিয়ন ডলার

ড. ইউনূসকে হেনস্তার তীব্র নিন্দা অন্তর্বর্তী সরকারের ১২ উপদেষ্টার

৮২ ফ্লাইট ব্যাহত, ভোগান্তিতে ১৩ হাজার যাত্রী

কাজের ভিসার নামে মালয়েশিয়ায় নিয়ে জিম্মি, ট্রাভেল এজেন্সির মালিক গ্রেপ্তার

প্রবাসীদের আইনি সমস্যা সমাধানে বিশেষায়িত আদালত গঠনের পরিকল্পনা

৩৫ বছরের পর আর আইনজীবী হওয়ার সুযোগ থাকছে না: আইনমন্ত্রী

বিমানবাহিনীর এফএম-৯০ লাইভ মিসাইল ফায়ারিং মহড়া সম্পন্ন

সংবাদপত্রের সরকারি বিজ্ঞাপনের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণ

রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড

প্লাস্টিক দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর