হোম > জাতীয়

সোমবারের মধ্যে সমাধান না হলে নতুন কর্মসূচির হুঁশিয়ারি প্রাথমিকের প্রার্থীদের

স্টাফ রিপোর্টার

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এ চূড়ান্তভাবে সুপারিশ পাওয়ার পরও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের কয়েকজন রোববার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। সকাল ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত কর্মসূচি চলার পর পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। পরে দুই প্রতিনিধি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুর রহিমের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় তারা ১৩ জনের প্রবেশপত্রসহ আবেদনপত্র জমা দেন।

অধিদপ্তর থেকে প্রার্থীদের জানানো হয়, মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরে বিকেলে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে প্রেস ব্রিফিং করেন তারা। সেখানে রংপুরের পীরগঞ্জের মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত কাউকে বাদ দেওয়া হবে না—শিক্ষামন্ত্রীর এমন বক্তব্যের পরও তারা নিয়োগপত্র পাচ্ছেন না। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে বৈষম্য করা হবে না—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

মামুনের দাবি, তার বাবা ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি হওয়ায় তাকে বাদ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে। তবে এ বিষয়ে তাকে কোনো লিখিত কারণ জানানো হয়নি। তার ভাষ্য, উপজেলা ও জেলা শিক্ষা অফিস এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো সমাধান পাননি।

একইভাবে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের মো. আবু তালহা, পলাশবাড়ীর মো. নজরুল ইসলাম, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের মো. আতেনান হোসেন ও বোদার মো. জুয়েল ইসলাম, ভোলার লালমোহনের মো. ফয়জুল আলম, খুলনার ডুমুরিয়ার সৈকত মণ্ডল, জামালপুরের ইসলামপুরের আরফিনা আক্তারসহ কয়েকজন এখনো নিয়োগপত্র না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন। তাদের অনেকেই বাদ পড়ার কারণ জানেন না বলে দাবি করেছেন। তবে এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এর আগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে ১৪ হাজার ৩৮৪ জনকে সুপারিশ করা হয়েছিল। পরে নিয়োগপত্র প্রকাশের সময় সুপারিশপ্রাপ্ত অনেকের নাম না থাকায় আন্দোলন শুরু হয়। প্রার্থীদের দাবি ছিল, দুই হাজারের বেশি মানুষ বাদ পড়েছেন। আন্দোলনের পর পর্যায়ক্রমে বাদ পড়াদের বড় অংশকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।

তবে এখনো কিছু প্রার্থী বঞ্চিত রয়েছেন। ময়মনসিংহে সুপারিশপ্রাপ্ত ২৫৯ জনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়া ১৮ জন বাদে ২৪১ জনের ২৩৯ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন; দুজন এখনো পাননি। দেশের বিভিন্ন জেলাতেও অল্পসংখ্যক প্রার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

ইতোমধ্যে নিয়োগপত্র পাওয়া প্রার্থীদের যোগদান শুরু হয়েছে। তাদের পদায়ন নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর কাজ করছে। এর মধ্যেই বঞ্চিত প্রার্থীরা দ্রুত কারণ জানিয়ে নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে নিয়োগপত্রবঞ্চিতদের রোববারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সোমবারের মধ্যে নিয়োগপত্র বা স্পষ্ট সমাধান না হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ফলে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের বিষয়টি এখন সরকারের পরবর্তী সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

দুর্গাপূজায় দুরভিসন্ধি করলে সরকার সহ্য করবে না: ইশরাক

নারীদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড অন্যতম: সমাজকল্যাণমন্ত্রী

পূজামণ্ডপে গাফিলতি নয়, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী টুকু

গ্রাম থেকে বিশ্বমঞ্চে, ১৪ বছরে জাতিসংঘে বাংলাদেশের মানবিক উদ্যোগ

মালয়েশিয়ায় প্রশিক্ষিত শ্রমিক পাঠানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে: কর্মসংস্থানমন্ত্রী

৭২ শিক্ষানবিশ এএসপিকে বিভিন্ন জেলা-ইউনিটে পদায়ন

ডাক বিভাগে ৭ হাজার শূন্য পদ, চলতি বছর নিয়োগ হবে ২ হাজার

ডিসেম্বর চালু হচ্ছে ‘এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’: শ্রমমন্ত্রী

ফুলব্রাইট স্কলারশিপ বাড়াতে মার্কিন দূতাবাসের সঙ্গে মাহ্‌দী আমিনের বৈঠক

বাবার ১৭ ফ্ল্যাট, অথচ ৪ হাজার টাকার বাসায় থাকি, ভাইয়ের বিরুদ্ধে বোনের অভিযোগ