রাতারাতি জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করায় জীবন-জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। দাম কমানোর দাবি করে তিনি বলেন, সরকার বলছিল যে তারা দাম বাড়াবে না, কিন্তু তারা দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বা যে পরিস্থিতিতে তারা দাম বাড়িয়েছে, এত দাম বাড়ানো উচিত হয়নি। আমরা মনে করি দাম কমিয়ে নিয়ে এসে জনজীবনে স্বস্তি নিয়ে আসতে হবে।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন নোটিশে এ সব কথা বলেন আখতার হোসেন।
জ্বালানি তেলের বিষয়ে এনসিপির সদস্যসচিব বলেন, বৈশ্বিকভাবে একটা সংকটের মধ্যে আছি। একটা যুদ্ধ পরিস্থিতি চলছে। তার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে একটা জ্বালানি সংকটের মত একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিন্তু আমরা নানা ধরনের খবর দেখছি, যে আমাদের তেল সংকটে কৃত্রিম কিছু বিষয়ও আছে। সে বিষয়গুলোতে আসলে সরকারের পদক্ষেপ কি? সেটা আমরা এখনো পর্যন্ত ভালো করে জানি না।
জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদ অধিবেশনে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি উল্লেখ করে আখতার হোসেন বলেন, কিন্তু হঠাৎ করে যে এলপিজির দামও বাড়ায়ে দেওয়া হলো, আমাদের যারা রান্নাবান্নার কাজে করতেছেন, বিভিন্ন উৎপাদনের কাজগুলো করতেছেন, তারা কিন্তু এই সময়টাতে ভালো করে এই রান্নাবান্নার কাজগুলোতে করতে পারবেন না যদি এইভাবে এলপিজির দামগুলো বাড়তে থাকে। আমরা সরকারের কাছে এই বিষয়টা আহ্বান জানিয়েছি যাতে করে যে দামটা বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেটা যেহেতু মাত্রাতিরিক্ত, এই মাত্রাতিরিক্ত দামটাকে কমায়ে নিয়ে এসে যাতে একটা সহনীয় পর্যায়ে এটাকে নিয়ে আসা হয়।
তিনি বলেন, যেভাবে রাতারাতি তেলের দাম বাড়িয়ে দেওয়া হলো, জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দেওয়া হলো। এটা জনজীবনে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। সেটা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমরা সরকারের কাছে আহ্বান জানাবো। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কথা বলে এবং দেশীয় যে সংকটগুলো আছে, মজুদদারী চলছে, বিভিন্ন জায়গায় সরকারের কিছু ব্যর্থতা আছে সে বিষয়গুলোকে চিহিৃত করে যাতে করে এলপিজিসহ অন্যান্য যে জ্বালানিগুলো আছে সেগুলোর দাম একটা সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে এসে জনজীবনে একটা স্বস্তি নিয়ে আসা যায়।