ঈদের পর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ। রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের কোনো অবসর নেই। সংসদ ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ছাড়াও অনেক স্থানীয় নির্বাচন আছে, তা আয়োজন করতে হয়। সারা বছর ধরে নির্বাচন হবে। ঈদের পর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দলীয় প্রতীক নাকি নির্দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে, সে সিদ্ধান্তের জন্য সংসদের প্রথম অধিবেশনের জন্য অপেক্ষা করছি। আইন অনুযায়ী ভালো নির্বাচনের জন্য কমিশন প্রস্তুত থাকবে। রহমানেল মাছউদ বলেন, নির্বাচন কমিশনের একটি বড় অংশ সাংবাদিক। সাংবিধানিকভাবে কমিশন কোনো ভুল করলে তার সমালোচনা করেন, আরো ভালো কীভাবে করা যায়, তা তুলে ধরেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভালো হয়েছে। সবাই বলেছে, এ নির্বাচন ভালো হয়েছে, তবে ভালোর কোনো শেষ নেই, আমরা আরো ভালো করতে চাই।
অনুষ্ঠানে তিনটি ক্যাটাগরিতে তিনজন সেরা রিপোর্টারের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তিনি। নির্বাচনে অনলাইন ক্যাটাগরিতে বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপনডেন্ট ইকরাম-উদ দৌলা, বৈশাখী টিভির সিনিয়র রিপোর্টার কাজী ফরিদ আহমদ টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে এবং পত্রিকা ক্যাটাগরিতে ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের স্টাফ রিপোর্টার আল আমিন বেস্ট রিপোর্টার হিসেবে নির্বাচিত হন।
ভোটার দিবস ১ মার্চে নেওয়ার উদ্যোগ
জাতীয় ভোটার দিবস ১ মার্চ পালন করার উদ্যোগ নিয়েছে ইসি। বর্তমানে দিবসটি ২ মার্চ পালন করছে ইসি। গতকাল ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, ২০১৩ সালে সার্কভুক্ত দেশগুলোর নির্বাচন বিষয়ক সংগঠন ফেমবোসার চতুর্থ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সদস্য দেশগুলো জাতীয়ভাবে ভোটার দিবস পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এরপরই মূলত জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপনের চিন্তাভাবনা শুরু হয়।
২০১৯ সালে ১ মার্চ ভোটার দিবস পালন করা হলেও ১ মার্চ ‘বীমা দিবস’ থাকায় ২০২০ সালে ভোটার দিবসকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস ঘোষণা করে ২ মার্চকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।