হোম > মতামত > বিশ্লেষণ

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে আশাবাদ বনাম বাস্তবতার জটিল সমীকরণ

বিশ্লেষণ

এম আবদুল্লাহ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়া ভূরাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম দ্বিপক্ষীক রাষ্ট্রীয় সফরে কুয়ালালামপুরে পৌঁছানো এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতো সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে পুত্রজায়ার ‘পুত্র পেরদানায়’(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) ভবনে শীর্ষ বৈঠকটি দেশের মানুষের ব্যাপক আগ্রহের কেন্দ্রে ছিল। বিশেষ করে, গত কয়েক বছর ধরে স্থবির মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটি পুনরায় পুরোপুরি উন্মুক্ত হওয়া এবং অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে এই বৈঠক থেকে একটি বড় ধরনের ব্রেকথ্রু বা ‘কাঙ্ক্ষিত ঘোষণা’ আসবে—এমনটাই প্রত্যাশা ছিল বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ ও জনশক্তি রপ্তানিকারকদের।

আনোয়ার-তারেক বৈঠক থেকে শ্রমবাজার নিয়ে তাৎক্ষণিক বড় কোনো ঘোষণা না আসায় অনেকে মালয়েশিয়া সফরের অর্জন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চাইছেন। কূটনৈতিকভাবে ব্যর্থ হিসেবেও বর্ণনা করতে চাইছেন। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগেই ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছিল, তড়িঘড়ি সফর আয়োজনের কারণে দু’দেশের মধ্যে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে বোঝাপড়ার সুযোগ তেমন একটা হয়নি। ফলে তাৎক্ষণিক ফলাফল নিয়ে ঢাকা খুব বেশি আশাবাদী হয়ে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেনি। তবে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের জঞ্জাল পরিষ্কার করে একটি টেকসই ও সাশ্রয়ী শ্রমবাজার প্রতিষ্ঠা করতে যে ধরনের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন, দুই দেশের শীর্ষ নেতার আলোচনায় তা স্পষ্ট প্রতিফলিত হয়েছে।

আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও যৌথ ব্রিফিংয়ের পর স্পষ্ট হয়েছে যে, শ্রমবাজার ইস্যুতে বাংলাদেশ যতটা দ্রুত ও সুনির্দিষ্ট ঘোষণা আশা করেছিল, কুয়ালালামপুর থেকে এখনই তা আসেনি বা আসছে না। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ প্রক্রিয়াকে ‘স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সাশ্রয়ী’করার ব্যাপারে একমত হলেও বাজার পুরোপুরি চালুর সুনির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা বা রূপরেখা ঘোষণা করা হয়নি। ঢাকা-কুয়ালালামপুরের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক থেকে শ্রমবাজার ইস্যুতে বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত ঘোষণা না আসার পেছনে কিছু গভীর অভ্যন্তরীণ, কাঠামোগত এবং নীতিগত কারণ রয়েছে।

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বরাবরই একটি শক্তিশালী মধ্যস্বত্বভোগী চক্র বা ‘সিন্ডিকেট’দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে। অতীতে গুটিকয়েক রিক্রুটিং এজেন্সির একচেটিয়া ব্যবসার কারণে বাংলাদেশের সাধারণ কর্মীদের মালয়েশিয়া যেতে নির্ধারিত খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি অর্থ ব্যয় করতে হতো। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যৌথ ব্রিফিংয়ে স্পষ্ট করেই বলেছেন, ‘আমরা একমত যে নিয়োগ স্বচ্ছ, ন্যায্য এবং সাশ্রয়ী তথা কর্মীদের জন্য সহনীয় হওয়া উচিত।’ আনোয়ার ইব্রাহিমের সরকারও মালয়েশিয়ার অভ্যন্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে। ফলে, অতীতের সেই বিতর্কিত সিন্ডিকেট ভেঙে কীভাবে একটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানো যায়, তার সুনির্দিষ্ট নীতিমালা চূড়ান্ত করতে মালয়েশিয়া সময় নিতে চায়। কাঠামোগত এই সংস্কার সম্পন্ন না করে আনোয়ার ইব্রাহিমের সরকার তাড়াহুড়ো করে বাজার খোলার ঘোষণা দিতে রাজি নয়।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় কয়েক লাখ বাংলাদেশি কর্মী অনিয়মিত বা অবৈধ অবস্থায় রয়েছেন। বাংলাদেশের তরফে আশা করা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরকালে তাদের ব্যাপারে সুনির্দষ্ট সিদ্ধান্ত আসবে। ভুক্তভোগী প্রবাসীদের মধ্যেও আশাবাদ তৈরি হয়েছিল। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাদের বৈধকরণ এবং ডিটেনশন সেন্টারে থাকা আটকে পড়া শ্রমিকদের পুনরায় নিয়োগের জোরালো অনুরোধ জানানো হয়েছে। তবে মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র ও মানবসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জন্য এটি একটি বড় আইনি ও নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। আনোয়ার ইব্রাহিম সরকার কোনো সুস্পষ্ট ও সুরক্ষিত ডেটাবেজ এবং আইনি কাঠামো ছাড়া ঢালাওভাবে অবৈধদের বৈধকরণের ঘোষণা দিতে রাজি হয়নি। দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অভিবাসন নীতিমালার কারণে এই প্রক্রিয়ার ঘোষণাটি আর কিছু সময় নিয়ে দিতে চায় কুয়ালালামপুর।

মালয়েশিয়া বর্তমানে তার নিজস্ব অর্থনীতিকে উচ্চ-প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং ডিজিটাল অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। ফলে তারা আগের মতো অদক্ষ বা কম দক্ষ সাধারণ শ্রমিকের চেয়ে দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনবল নিয়োগে বেশি আগ্রহী। আনোয়ার ইব্রাহিমের মন্ত্রিসভা তাদের দেশের শ্রমবাজারের চাহিদা পুনর্মূল্যায়ন করছে। কোন খাতে কত কর্মী লাগবে এবং তা স্থানীয়দের কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলবে কি না—তা নির্ধারণে দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রণালয় একটি কৌশলগত নীতি অবলম্বন করছে। ফলে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে সায় দিলেও তাৎক্ষণিক চুক্তি বা বাজার খোলার চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা তাদের পক্ষে সম্ভব হয়নি।

কূটনৈতিক নিয়ম অনুযায়ী, দুই দেশের শীর্ষ নেতারা নীতিগতভাবে কোনো বিষয়ে একমত হওয়ার পর তা বাস্তবায়নের জন্য দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কারিগরি দল বৈঠকে বসে। বাংলাদেশের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং মালয়েশিয়ার মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক সেরি আর. রামানানের নেতৃত্বে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপকে এখন এই প্রক্রিয়া নির্ধারণ করতে হবে। চুক্তি বা এমওইউ-এর ভাষা, কোটা নির্ধারণ এবং এজেন্সি বাছাইয়ের আইনি জটিলতা নিরসনের আগে শীর্ষ পর্যায় থেকে কোনো রাজনৈতিক ঘোষণা দেওয়া হলে তা পরবর্তীতে বাস্তবায়নে আইনি বাধা সৃষ্টি করতে পারে বলে আনোয়ার ইব্রাহীম সরকারের জনশক্তি বিষয়ক নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালে বন্ধ হয় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আট বছর পর তা চালু হয়েছিল ২০১৬ সালে। এরপর দুর্নীতির অভিযোগে ফের ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া বন্ধ করে দেয় মালয়েশিয়া। ২০২১ সালের ১৮ ডিসেম্বর নতুন সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে সেই বাজার খুলতে সময় লেগেছিল তিন বছর। ২০২২ সালের আগস্টে দেশটিতে আবারও বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া শুরু হয়। এরপর ২০২৪ সালের ১ জুন থেকে পুনরায় এই শ্রমবাজার বন্ধ হয়। অভিযোগ আছে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রিত হয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে। অভিবাসন ব্যয়ের আড়ালে বিপুল পরিমাণ অর্থ চলে যায় সিন্ডিকেটের পকেটে। তাই সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজার চান জনশক্তি রপ্তানিকারকদের একাংশ।

২০২৪ সালে দেশটির শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যাওয়ার সময় প্রায় ১৭ হাজার বাংলাদেশি কর্মী মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারেননি। তবে তার মধ্যে প্রায় ৮ হাজার কর্মীকে পুনরায় সে দেশে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় মালয়েশিয়া সরকার। সেসব কর্মীর মধ্যে এখনো প্রায় ৫ হাজার মালয়েশিয়া যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন। আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত তাদের জন্য সুযোগ রয়েছে।

সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সংক্ষিপ্ত অথচ কৌশলগত সফরটি কেবল শ্রমবাজারকেন্দ্রিক ছিল না; এটি ছিল বহুমাত্রিক সম্পর্ক স্থাপনের। বাংলাদেশ আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়া, আঞ্চলিক সুসংহত অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে (আরসিইপি) যোগ দেওয়া, রোহিঙ্গা সংকট নিরসন এবং বাণিজ্য-বিনিয়োগ বৃদ্ধির মতো বড় ভূরাজনৈতিক এজেন্ডা নিয়ে দুই নেতা আলোচনা করেছেন। ফলে সম্পূর্ণ ফোকাস কেবল শ্রমবাজারে সীমাবদ্ধ না থাকায়, মালয়েশিয়া অন্য কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক ইস্যুগুলোর দিকেও সমান্তরাল গুরুত্ব দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, বাংলাদেশের জন্য এখন প্রধান কাজ হবে পুত্রাজায়ার এই আলোচনার সূত্র ধরে অনতিবিলম্বে কারিগরি কমিটির বৈঠক নিশ্চিত করা এবং মালয়েশিয়া সরকারের চাহিদামাফিক সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও সিন্ডিকেটমুক্ত কর্মী নিয়োগের রোডম্যাপ তৈরি করা। আনোয়ার ইব্রাহিমের দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান এবং তারেক রহমানের নতুন সরকারের স্বচ্ছতার অঙ্গীকার যদি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়িত করা যায়, তবে এই ধীরগতি দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স যোদ্ধা ও শ্রমবাজারের জন্য ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।

নতুন দিগন্ত উন্মোচন হিসেবে দেখছে মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর নিয়ে দেশটির মূলধারার গণমাধ্যমগুলো বেশ ইতিবাচক এবং গুরুত্ব সহকারে খবর প্রকাশ করছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম দ্বিপাক্ষিক বিদেশ সফরের বিষয়টিও মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে। একে একটি বড় কূটনৈতিক ঘটনা হিসেবেও বর্ণনা করেছে সংবাদমাধ্যমগুলো।

কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার দেওয়ার খবরটি মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ‘বারনামা’ (Bernama) এবং প্রভাবশালী দৈনিক ‘দ্য স্টার’ (The Star) অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে। গতকাল সকালে পুত্রাজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে তার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের বিষয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা, কাউন্টার-টেররিজম (সন্ত্রাসবাদবিরোধী) গবেষণা এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সুবিধা সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক ও নোট অব এক্সচেঞ্জ স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমগুলো তারেক রহমানের যৌথ সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যটি বিশেষভাবে তুলে ধরেছে। মালয়েশিয়ার মিডিয়া ও বিশ্লেষকরা সম্পাদকীয় এবং উপ-সম্পাদকীয় কলামগুলোতে এই সফরের গভীর তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেছে। বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমান প্রথম সফরের জন্য ভারত বা চীনকে বেছে না নিয়ে মালয়েশিয়াকে বেছে নিয়েছেন। একে একটি ‘বাস্তবধর্মী ও কৌশলগত কূটনৈতিক চাল’ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রথাগত শ্রমবাজারের বাইরে গিয়ে বাণিজ্য, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, জ্বালানি ও কৃষি ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

মালয়েশিয়ার গণমাধ্যমগুলো মনে করিয়ে দিয়েছে যে, মালয়েশিয়ার মোট বিদেশি শ্রমশক্তির প্রায় ৩৭% (৮ লক্ষাধিক কর্মী) বাংলাদেশি। সম্পাদকীয়গুলোতে জোর দেওয়া হয়েছে যে, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা সিন্ডিকেট মুক্ত করবে এবং সাধারণ শ্রমিকের পাশাপাশি দক্ষ কর্মী (যেমন— আইটি বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলী) নিয়োগের দিকে মনোযোগ দেবে।

সম্পাদকীয়-উপসম্পাদকীয় নিবন্ধে বলা হয়েছে, যেহেতু মালয়েশিয়া আসিয়ানের একটি প্রভাবশালী সদস্য, তাই রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক সমর্থন চাওয়ার বিষয়টি ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করা সঙ্গত হবে। মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যমগুলো এই সফরকে কেবল একটি আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় সফর হিসেবে না দেখে, বরং দুই দেশের মধ্যকার ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে একটি ‘কৌশলগত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বে’ রূপ দেওয়ার বড় সুযোগ হিসেবে বর্ণনা করছে।

ফিলিপাইনে জ্বালানি জরুরি অবস্থা থেকে শিক্ষা

তুরস্ক ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা ইসরাইলের

স্মরণ সৌরভে ‘সোনালী কাবিন’-এর কবি

সিরিয়ার কুর্দিদের ব্যাপারে মার্কিন নীতিতে বাঁকবদল

গণভোট ২০২৬: সংস্কারের পথে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন

ইরানের বিক্ষোভ নিয়ে আরব বিশ্ব কেন নীরব

বাংলার আরেক পার্বণ, শবে’ মে’রাজ