হোম > মতামত > সম্পাদকীয়

বাংলাদেশ নীতি বদলাতে হবে ভারতকে

তৌফিক ই ফারুক

ফাইল ছবি

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সমর্থন ছিল নির্ণায়ক। কারণ পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে ঢাকায় সরকারের পতন ঘটানোর মতো সামরিক সক্ষমতা মুক্তিযোদ্ধাদের ছিল না। তাই, ভারতের সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপ বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল। তবে এই হস্তক্ষেপ সম্পূর্ণ মানবিক ছিল না। ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ভারতকে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ভেঙে ফেলার, তার পূর্ব সীমান্ত সুরক্ষিত করার এবং দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষমতার ভারসাম্যকে চূড়ান্তভাবে নিজের পক্ষে নেওয়ার একটি বিরল কৌশলগত সুযোগ এনে দেয়।

এই ঐতিহাসিক বাস্তবতা বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। তবে, ভারতীয় নীতিনির্ধারক মহলগুলো প্রায়ই এই অতীত সমর্থনকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিকে প্রভাবিত করার ন্যায্যতা হিসেবে ব্যাখ্যা করে। এই প্রেক্ষাপটেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন-পরবর্তী পুনর্গঠন প্রয়োজনীয় এবং অনিবার্য দুটোই। বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের মূল সমস্যাটি দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করা নয়, বরং মূল সমস্যা বাংলাদেশের প্রতি নয়াদিল্লির কৌশলগত আধিপত্য বিস্তারের ধারণা।

শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত পরোক্ষভাবে বাংলাদেশকে এমনভাবে ব্যবহার করেছিল যেন এ দেশটি একটি ভুটান-স্টাইল মডেলের মাধ্যমে পরিচালিত হতে পারে। দিল্লি ভুটানকে তার পররাষ্ট্র নীতিতে সীমাবদ্ধ স্বায়ত্তশাসন দিয়েছে এবং ভারতীয় কৌশলগত পছন্দের প্রতি অনানুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে বাধ্য করেছে। এই পদ্ধতি ভুটানের মতো ছোট একটি দেশের জন্য কাজ করতে পারে, যার বৈশ্বিক যোগাযোগ সীমিত এবং অর্থনৈতিক ভিত্তি সংকীর্ণ। কিন্তু ভুটানের এই মডেল যে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কাজ করবে না, তা বুঝতে চেষ্টা করেন না দিল্লির নীতিনির্ধারকরা।

বাংলাদেশ কাঠামোগতভাবে ভুটান বা মালদ্বীপ, নেপাল বা শ্রীলঙ্কার মতো ছোট দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর সঙ্গে তুলনীয় নয়। ১৭ কোটিরও বেশি জনসংখ্যা নিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম জনবহুল দেশ। এটি একটি বৃহৎ, বিশ্বব্যাপী সমন্বিত অর্থনীতির অধিকারী এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল ও এর বাইরেও সংযোগ স্থাপন করছে। বাংলাদেশের কূটনৈতিক প্রভাব এবং বিশ্বাসযোগ্য কৌশলগত বিকল্প রয়েছে।

এই মাত্রার একটি দেশে ভুটানের মতো মডেল প্রয়োগের ভারতের চেষ্টা অবশ্যই কৌশলগত ত্রুটি, যা প্রভাব বিস্তারের পরিবর্তে বিরক্তি সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের ওপর ভারতের সফট পাওয়ার বা নরম শক্তি কাজ করার পরিবর্তে আস্থা হ্রাস করে এবং শেষ পর্যন্ত ভারতের কৌশলগত প্রভাব বিস্তারের সীমাবদ্ধতাই প্রকাশ করে।

দলীয় জোটবদ্ধতার মূল্য

শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে তার সরকারের প্রতি ভারতের সমর্থন স্বাভাবিক কূটনৈতিক অনুশীলনের চেয়েও অনেক বেশি ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দিল্লিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে দেখা গেছে। নরেন্দ্র মোদির সরকার হাসিনাকে রাজনৈতিক আবরণ, কূটনৈতিক সুরক্ষা এবং কৌশলগত সহায়তা প্রদান করেছে। এমনকি হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে কর্তৃত্ববাদ, নির্বাচনি কারসাজি এবং দমন-পীড়নের বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ ওঠার পরও ভারতেন এই সমর্থন অব্যাহত ছিল।

ভারতের এই আচরণ বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিতে গভীর ক্ষোভের জন্ম দেয়। অনেক বাংলাদেশি ভারতকে অংশীদার হিসেবে নয়, বরং বহিরাগত খেলোয়াড় হিসেবে দেখতে শুরু করে। কারণ বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাজারে প্রবেশাধিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট এবং সংযোগ করিডোরসহ নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থ আদায়ের জন্য অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করতে থাকে ভারত।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাসিনার পতনের পর ভারতের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ক্ষোভ আরো তীব্র হয়। এর মূল কারণ বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার তৈরি করা বয়ান এবং বিভ্রান্তিকর প্রচার। এর মাধ্যমে হাসিনার ক্ষমতাচুতিকে প্রাথমিকভাবে নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে উপস্থাপন করা হয় এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা থেকেই যে বাংলাদেশের মানুষ এই গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, তাদের সেই জনপ্রিয় আকাঙ্ক্ষাকেও অবমূল্যায়ন করে ভারতীয় মিডিয়া।

দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের সদস্যদের আতিথেয়তা দেওয়ার ভারতের সিদ্ধান্ত এই ধারণাগুলো আররোও জটিল করে তুলেছে। অনলাইনে শত্রুতাপূর্ণ বক্তব্য প্রচারের জন্য হাসিনার ভারতীয় ভূখণ্ডকে প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার বাংলাদেশে উদ্বেগের একটি উল্লেখযোগ্য উৎস হয়ে উঠেছে। নয়াদিল্লির এসব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশে ভারতের ইমেজকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, এমনকি দিল্লি তাদের এই ক্ষতির কথা যতটা স্বীকার করতে ইচ্ছুক ছিল, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে তাদের।

নির্বাচনি পুনর্বিন্যাসের প্রয়োজন

বাংলাদেশে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্নির্মাণের জন্য একটি প্রকৃত সুযোগ এনে দিতে পারে ভারতের সামনে। ২০২৪ সালের গণআন্দোলনে দমন-পীড়ন এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনে ভূমিকার কারণে হাসিনার আওয়ামী লীগ বর্তমানে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এ জন্য দলটি ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে না।

অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠনের ফলে নির্বাচনি ক্ষেত্র মৌলিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে। বর্তমান জরিপ থেকে বোঝা যাচ্ছে, মধ্য-ডানপন্থি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এগিয়ে রয়েছে, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে একটি ইসলামপন্থি জোট বিএনপির সঙ্গে তাদের ভোটের ব্যবধান কমিয়ে আনছে।

জামায়াতের নেতৃত্বাধীন জোটের অংশীদাররা বিশেষ করে, ২০২৪ সালে হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে কেন্দ্রীয় মূল ভূমিকা পালন করা যুবকদের দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টিসহ (এনসিপি) এই জোটের একটি উল্লেখযোগ্য জনসমর্থনের ভিত্তি এবং নির্বাচনি প্রাসঙ্গিকতা বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত দেড় দশকে ভারত ছিল হাসিনার প্রধান সমর্থক। এই দেড় দশকের বেশির ভাগ সময়ে আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বিএনপি। কিন্তু নয়াদিল্লি সম্প্রতি বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে, যা ইঙ্গিত দেয়, পরবর্তী সরকার গঠনের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি এমন দলটির সঙ্গে যোগাযোগের পথ পুনর্নির্মাণে আগ্রহী নয়াদিল্লি।

কিন্তু বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় গেলে তাদের সরকার জামায়াত-এনসিপি জোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী ব্লকের অব্যাহত চাপের সম্মুখীন হবে। কারণ এই জোট ভারতের প্রতি অতিরিক্ত সহনশীল বলে বিবেচিত যেকোনো নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত।

বাংলাদেশের নির্বাচনে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন, ভারত যদি সেই রাজনৈতিক ফল মেনে নেয়, তাহলেই শুধু নির্বাচন-পরবর্তী পুনর্গঠন বিশ্বাসযোগ্য হবে। ভারতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানো বন্ধ করতে হবে নয়াদিল্লিকে। হাসিনা বা তার সহযোগীদের ভারতের মাটি থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বার্তা পাঠানোর অনুমতি দেওয়া দুই দেশের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রকে দুর্বল করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য অর্থবহ সব সুযোগই নষ্ট হয়ে যাবে। সুতরাং, সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য নিরপেক্ষতা এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার প্রতি ভারতের শ্রদ্ধা প্রদর্শন অপরিহার্য শর্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

আসিয়ান-ধাঁচের দৃষ্টিভঙ্গি

ভারত যদি বাংলাদেশের সঙ্গে টেকসই সম্পর্কের পুনর্গঠন চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই এমন একটি মডেল বেছে নিতে হবে, যা বাংলাদেশকে একটি অধস্তন স্থানের পরিবর্তে একটি সার্বভৌম ও সমমর্যাদার দেশ হিসেবে বিবেচনা করে। এই মডেলের একটি কার্যকর রেফারেন্স পয়েন্ট হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সংগঠন আসিয়ানের ব্যবহারিক আদর্শ, যাদের সহযোগিতার মূল শর্ত হচ্ছে সংগঠনভুক্ত কোনো দেশে অন্য কোনো দেশের হস্তক্ষেপ না করা।

বাংলাদেশ-ভারত বর্তমান সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে আসিয়ান-ধাঁচের দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের মাধ্যমেই শুধু ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার একটি পথ তৈরি করতে পারে। ভারতকে এটি শুরু করতে হবে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ না করা বা নিরপেক্ষ থাকার স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়ে। সম্পর্কের এ ধরনের পুনর্গঠনের জন্য বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে ভারতের অঙ্গীকার থাকা প্রয়োজন।

বাংলাদেশ কৌশলগতভাবে তার জাতীয় স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে বৈচিত্র্যময় বহিরাগত অংশীদারত্ব অনুসরণ করবে। অতএব, যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং অন্যান্য আঞ্চলিক এবং বহির্মুখী শক্তির সঙ্গে ঢাকার সম্পৃক্ততাকে ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের জোট গড়া হিসেবে দেখা উচিত হবে না দিল্লির। ভারত এবং বাংলাদেশের অনেক ক্ষেত্র রয়েছে, যেখানে তাদের স্বার্থ স্বাভাবিকভাবেই একই ধরনের। বিশেষ করে, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সংযোগ এবং সীমান্ত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটা বলা যায়।

একই সঙ্গে, আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টনের অমীমাংসিত সমস্যা, বিশেষ করে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন ইস্যু বাংলাদেশে একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়। অভিন্ন নদীর পানিবণ্টনে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরে বহু বছর ধরে ভারত অনীহা দেখিয়ে আসছে। ফলে এ বিষয়টিকে বাংলাদেশে এভাবেই দেখা হচ্ছে, নয়াদিল্লি অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন বা এর ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সমান অংশীদার বিবেচনা করতে অনীহা দেখাচ্ছে ভারত।

ভারত কীভাবে এ বিষয়গুলো মোকাবিলা করবে, তার স্পষ্ট পরীক্ষা হবে এর মাধ্যমে যে, তারা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক পুনর্গঠনের ব্যাপারে কতটা আন্তরিক। একই সঙ্গে, অর্থপূর্ণ নিরাপত্তা সহযোগিতা এই দ্বিপক্ষীয় ভিত্তির শক্তি এবং বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর নির্ভর করবে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক পুনর্নির্মাণে দুই দেশের সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন, টেকসই সহযোগিতা, সমতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ওপর নির্ভরশীল। ভারত কি পদক্ষেপ নেবে, তার ওপরই এই বাস্তবতা প্রতিফলিত হবে। নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ ভারতের সঙ্গে সংঘাত চাইবে না, তবে তারা তার সার্বভৌমত্ব এবং কৌশলগত পছন্দের প্রতি ভারতের শ্রদ্ধা আশা করবে।

অতএব, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি বিশ্বাসযোগ্য পুনর্গঠন তখনই সম্ভব হবে, যখন ভারত বাংলাদেশের কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনকে মেনে নেবে এবং বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে সহযোগিতার সম্পর্ক পড়ে তুলবে।

এশিয়া টাইমস থেকে ভাষান্তর : মোতালেব জামালী

১২ ফেব্রুয়ারি ড. ইউনূসের অগ্নিপরীক্ষা

নির্বাচন : প্রতিপক্ষ নির্মূল মানসিকতা

দিল্লি বদলাবে না

শরিয়াহ, ভীতি : ভুল বোঝাবুঝির রাজনীতি

বাংলাদেশের জনগণের মনোভাব ভারতকে বুঝতে হবে

ইরানে মোসাদের তৎপরতা যেভাবে বন্ধ করছে চীন

দলীয় দালালতন্ত্রে বন্দি রাজনীতি ও মিডিয়া

তারেক রহমানের বিলম্বিত ‘হ্যাঁ’ বার্তা

নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না

বাংলার নির্বাচন ঐতিহ্য