হোম > মতামত > সম্পাদকীয়

ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ধর্মযুদ্ধ

আলফাজ আনাম

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আগ্রাসনের পর আরব দেশগুলো এখনো সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি। তবে যুদ্ধের আগুনে উপসাগরীয় দেশগুলোও জ্বলছে। তেলের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, পর্যটন খাত ধসে পড়েছে। এসব দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোর ওপর নিয়মিতভাবে ইরানের মিসাইল ও ড্রোন আঘাত হানছে। এরপরও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের পক্ষ নিয়ে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার বিষয়টি এসব দেশ নাকচ করে দিয়েছে। এমনকি আরব দেশগুলোর মধ্যে ইসরাইলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র আরব আমিরাতের জাতিসংঘে নিযুক্ত প্রতিনিধি সাংবাদিকদের জানান, ইরানের আক্রমণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটি তার দেশ। একই সঙ্গে ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হওয়া সত্ত্বেও তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো অভিযানে অংশ নেবে না।

উপসাগরীয় দেশগুলোর এমন ঘোষণার পর এসব দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপ বাড়ছে। মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণে অংশ না নেওয়ায় সৌদি আরবের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরানবিরোধী মার্কিন-ইসরাইলি যুদ্ধে যোগ না দিলে উপসাগরীয় দেশগুলোকে এর পরিণাম ভোগ করতে হবে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এমন খবরও এসেছে, ইরানে সামরিক অভিযানের জন্য সৌদি আরব সে দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়নি।

এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। লিন্ডসে গ্রাহাম টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আমার যতটুকু ধারণা, সৌদি আরব তাদের সামরিক বাহিনীকে বর্বর ও সন্ত্রাসী ইরানি শাসনব্যবস্থাকে নির্মূল করার জন্য ব্যবহার করতে অস্বীকার করছে—যারা এ অঞ্চলে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে এবং সাতজন আমেরিকানকে হত্যা করেছে।’ তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো জানে, এই মুহূর্তে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়ার পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। মার্কিন ঘাঁটি থাকার কারণে তারা ইতোমধ্যেই যে ক্ষতির মুখে পড়েছে, তা পূরণ করতে দীর্ঘ সময় লেগে যেতে পারে। আরব আমিরাত ও বাহরাইনকে এ জন্য কঠিন মূল্য দিতে হয়েছে। এই দুটি দেশই ইরানের সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয়েছে। কারণ, ইরানিদের কাছে এমন তথ্য ছিল যে এই দেশ দুটো থেকে ইরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা হয়। বিস্ময়কর বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি ছাড়াও ইরান সুনির্দিষ্ট কিছু স্থানে আঘাত করেছে, যা গোয়েন্দা তথ্য ছাড়া জানা প্রায় অসম্ভব। এর মধ্যে রিয়াদে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একটি স্টেশনে ড্রোন হামলা চালানো হয়।

আরব শাসকদের কাছে এর চেয়েও ভয়াবহ আতঙ্কের বিষয় হলো—এই যুদ্ধের শেষ পরিণতি হিসেবে তারা শাসনক্ষমতায় থাকতে পারবেন কি নাÑসেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যে ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জ’ বা শাসক পরিবর্তন করতে পারবে না, তা ইতোমধ্যেই অনেকটা স্পষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু এই যুদ্ধের অভিঘাতে আরব দেশগুলোর ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সংকট এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের অনাস্থা তাদের ক্ষমতার মসনদ নড়বড়ে করে দিতে পারে। শেষ পর্যন্ত রেজিম চেঞ্জ ইরানে না হয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোতেই ঘটতে পারে।

২০১৩ সালে শুরু হওয়া আরব বসন্তে তিউনিসিয়া, মিসর, সিরিয়া, ইয়েমেন ও লিবিয়ার শাসকদের পতন ঘটেছিল। সেই গণআন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছিল—এটা কোনো অজানা বিষয় নয়। এবারের যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে পশ্চিমা মদতপুষ্ট আরবের মরু-ঝড়ে আরো অনেক শাসকের পতন ঘটবে না, তার নিশ্চয়তা নেই। কিন্তু এই শাসকরা এখন এমন এক সংকটে পড়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেওয়া হবে পতনের আগেই আত্মহত্যার শামিল।

ইরানে আগ্রাসনের পর সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলো দেখছে যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা দিতে মোটেও সক্ষম নয়। এসব দেশ অভিযোগ করছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পর্যাপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা ইন্টারসেপ্টর পাচ্ছে না। এমনকি এসব দেশে থাকা কিছু ইন্টারসেপ্টর ইসরাইলে সরিয়েও নেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তারা ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে বিলিয়ন ডলারের সমরাস্ত্র ও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিনিময়ে আরবরা যে প্রতিরক্ষা গ্যারান্টি কিনে নিয়েছিল, তা এখন অর্থহীন হয়ে পড়েছে।

আরব শাসকদের কাছে এই যুদ্ধের অন্তর্নিহিত কারণগুলোর ব্যাখ্যা নিয়েও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। ট্রাম্পের যুদ্ধমন্ত্রী ও তার ঘনিষ্ঠদের অনেকেই ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে ধর্মযুদ্ধ হিসেবে দেখছেন।

অন্যদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ‘আমালেক’ শব্দটি ব্যবহার করেন । যে শব্দটি একটি গভীর ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

হিব্রু বাইবেল (তোরাহ) অনুযায়ী, বনি ইসরাইলিরা যখন মিসর থেকে বের হয়ে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত পবিত্র ভূমি বা ‘প্রমিজড ল্যান্ড’-এর দিকে যাত্রা করে, তখন সেই অঞ্চলে আমালেক জাতি বসবাস করত। এই প্রমিজড ল্যান্ড বলতে নীল নদের উত্তর-পূর্বদিক থেকে ফোরাত নদীর তীর পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলকে বোঝানো হয়েছে। পরে বনি ইসরাইলিরা আমালেকদের পরাজিত করে সেখানে বসবাস শুরু করে এবং তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেয়। বাইবেলে আমালেকদের ইসরাইলের ‘চিরশত্রু’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে এবং উল্লেখ আছে যে, সৃষ্টিকর্তা তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ইহুদি বিশ্বাসে ‘আমালেক’ শুধু একটি প্রাচীন জাতি নয়; বরং এটি এমন এক শক্তির প্রতীক, যা ইহুদি জাতিকে সমূলে নির্মূল করতে চায়। নেতানিয়াহু যখন ইরান বা হামাসকে ‘আমালেক’ বলে উল্লেখ করেন, তখন তিনি বোঝাতে চান যে এই লড়াই সাধারণ কোনো রাজনৈতিক বিরোধ নয়; বরং ইসরায়েলের অস্তিত্ব রক্ষার একটি ধর্মীয় যুদ্ধ।

আন্তর্জাতিক মহল এবং মানবাধিকারকর্মীরা নেতানিয়াহুর এই শব্দচয়ন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকের মতে, বাইবেলের এই রূপক ব্যবহার করা অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এটি যুদ্ধের নিয়মকানুনের বাইরে গিয়ে চরম পদক্ষেপ বা গণহারে ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর বৈধতা দিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

শুধু নেতানিয়াহু নন, ট্রাম্পের যুদ্ধমন্ত্রী পিটার হেগসেথও মনে করেন ইরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক অভিযানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল শেষ জামানার যুদ্ধ শুরু করেছে। তার একটি ছবি ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত হয়েছে, যা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। পিটার হেগসেথের এই ছবি নিয়ে ব্রিটেনের ইন্ডিপেনডেন্ট পত্রিকা একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছে। সেখানে ইনস্টাগ্রামে প্রকাশিত তার ছবিটিও তুলে ধরা হয়। ছবিতে দেখা যায়, পিটারের শরীরে এমন একটি ক্রসচিহ্নিত উল্কি আঁকা রয়েছে, যা ক্রুসেডের সময় জেরুসালেম দখলের জন্য খ্রিষ্টান উগ্র ধর্মযোদ্ধারা ব্যবহার করতেন।

ইন্ডিপেনডেন্টের নিবন্ধে বলা হয়েছে, পিটার হেগসেথ মন্ত্রী হওয়ার পর আমেরিকা ‘প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়’-এর নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘যুদ্ধ মন্ত্রণালয়’। আগে আমেরিকান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নাম ছিল ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স, কিন্তু এখন তার নাম ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার। অর্থাৎ, এই মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ হচ্ছে যুদ্ধ পরিচালনা করা।

ইন্ডিপেনডেন্ট লিখেছে, “ইসরাইল ও আমেরিকায় বসে যারা এই যুদ্ধ শুরু করেছে, তারা ৪৫ বছর ধরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে যুদ্ধের ময়দান বানিয়েছে, মূলত ‘একটি চিন্তা’ থেকে। তাদের চিন্তা হচ্ছে, এটি শেষ জামানার যুদ্ধ, War of the End Times, অর্থাৎ ঈসা মসীহের আগমনকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ।”

দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট বলছে, জেরুসালেমে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি মনে করেন, এসব যুদ্ধের পর ইসরাইলের সীমানা ইরাকের ফোরাত নদীর তীর পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে, যেটাকে ‘বৃহৎ ইসরাইল’ নামে পরিচিত। যুদ্ধমন্ত্রী পিটারও বিশ্বাস করেন, ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র গঠন ছিল একটি অলৌকিক ঘটনা। ধাপে ধাপে মুসলমানদের বায়তুল মুকাদ্দাসের স্থানে ইহুদিদের সেই ঈসা মসীহের আগমনের পূর্ববর্তী ‘থার্ড টেম্পল’ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

মাইক হাকাবি বলেন, ইসরাইল যদি আশপাশের আরব রাষ্ট্রগুলো দখল করে, তাতে তার সমর্থন থাকবে। তিনি দাবি করেন, নীল নদ থেকে দজলা নদী পর্যন্ত বিস্তৃত বিশাল ভূখণ্ডের ওপর ইহুদি জনগণের ‘বাইবেলসম্মত অধিকার’ রয়েছে। এই সীমানার মধ্যে বর্তমান জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন এবং সৌদি আরব ও ইরাকের কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত।

সাক্ষাৎকারে টাকার কার্লসন তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ইসরাইল পুরো এলাকা দখল করে নিলে তা কি ঠিক হবে? জবাবে হাকাবি বলেন, ‘তারা সবটুকু নিয়েও নিলেই আমার কোনো সমস্যা নেই। ইসরাইল দীর্ঘদিন ধরে বৃহত্তর ইসরাইল রাষ্ট্র গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে একে ধর্মযুদ্ধ হিসেবেই দেখছেন।’

আরব নেতারা হয়তো বুঝতে পারছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যে ধর্মযুদ্ধ নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প শুরু করেছেন, সেই যুদ্ধে তারাও টার্গেটের বাইরে নন। এই যুদ্ধ ধীরে ধীরে সম্প্রসারিত হতে পারে। ফোরাত নদীর তীর পর্যন্ত যদি ইহুদি রাষ্ট্রের সীমানা নির্ধারণ করতে হয়, তাহলে সৌদি আরব তো বটেই, ইরাক পর্যন্ত ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণ বিস্তৃত হবে, একই সঙ্গে সিরিয়ার মধ্য দিয়ে তুরস্কের সীমানা পর্যন্ত। ইসরাইলের এই বৃহত্তর পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ইসরাইলের সীমানা তুরস্ক পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।

ধর্মতাত্ত্বিক এই ব্যাখ্যার আলোকে নেতানিয়াহু যে যুদ্ধ শুরু করেছেন, তাতে উপসাগরীয় দেশগুলোকে এখন নতুন নিরাপত্তা কৌশল নিয়ে ভাবতে হচ্ছে। এই যুদ্ধের পর এই দেশগুলো সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা গ্যারান্টির ওপর আর নির্ভর করবে না। বরং চীন হতে পারে তাদের ভালো মিত্র।

অন্যদিকে, অলীক স্বপ্ন নিয়ে নেতানিয়াহু ইরানে আক্রমণ শুরু করেছিলেন, যা ধীরে ধীরে দুঃস্বপ্নে রূপ নেয়। প্রতিটি দিন অতিবাহিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এই সংকটের মাত্রা বাড়ছে। এ কথা সত্য যে, ইরান একটি অসম যুদ্ধে জড়িয়েছে। সামরিক শক্তির বিচারে ইরানের টিকে থাকা বড় সাফল্য। অন্যদিকে, জয়লাভের জন্য ট্রাম্পের প্রয়োজন ইরানের দ্রুত ভেঙে পড়া। কিন্তু তেমন কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না; বরং মনে হচ্ছে ইরানের টিকে থাকার কৌশল কার্যকর হচ্ছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বোমারু বিমানের প্রতিদিনের বোমাবর্ষণে ইরান মারাত্মক আঘাত সহ্য করছে, তবে তারা পঙ্গু হয়ে যায়নি। উল্টো, তারা দেখিয়েছে প্রতিরোধ করতে সক্ষম এবং পাল্টা জবাব দিতে পারে।

লেখক: সহযোগী সম্পাদক, আমার দেশ

সেই আরব এই আরব

সংসদ বর্জনের সংস্কৃতি দেখতে চাই না

২ মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস সরকারি ভাবে পালন করা উচিত

মিলন-বিরহ সংকটে রাজনীতি

ইরানি বিপ্লবী কল্পনায় এক জীবন্ত প্রতীক

ইসরাইল-মার্কিন বিশ্বব্যবস্থাই বর্তমান বাস্তবতা

নতুন অভিযান: সমাজে মাদক থাকবে না

নতুন সরকারের কাছে উপকূলবাসীর প্রত্যাশা

বেপরোয়া ট্রাম্প: শান্তির মুখোশে যুদ্ধ

দেখা-অদেখা দুর্নীতি : ঠেকানোর নতুন কায়দা কী