হোম > মতামত > সম্পাদকীয়

দিল্লি বদলাবে না

মেহেদী হাসান

চব্বিশের জুলাই বিপ্লবে মাফিয়া শাসক শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করে নয়াদিল্লি। এই যুদ্ধের প্রথম লক্ষ্য ছিল বর্তমান সরকারকে উৎখাত করে শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় বসানো। সেই চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তারা দ্বিতীয় লক্ষ্য নির্ধারণ করে—আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া। কিন্তু সেই প্রচেষ্টাও ব্যর্থ হওয়ার পর এবার তাদের লক্ষ্যÑত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন বানচাল করা। নির্বাচন যদি পুরোপুরি ভন্ডুল করতে নাও পারে, তবে ভারতের শেষ চেষ্টা থাকবে নির্বাচন যতটা সম্ভব বিতর্কিত করা যায় সে বিষয়ে। এ উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক পদক্ষেপ নিয়ে নয়াদিল্লি ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

গত ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি মতবিনিময় সভা হয়েছে। ফরেন করেসপন্ডেন্স ক্লাব অব সাউথ এশিয়া এবং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশন অব প্রেস ক্লাবের ব্যানারে আয়োজন করা হয় এ মতবিনিমিয় সভা। সভায় ভারতে পালিয়ে থাকা বাংলাদেশের পতিত শাসক শেখ হাসিনার একটি অডিও বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। অডিও বার্তায় শেখ হাসিনা তার দলের নেতাকর্মীদের নির্বাচন প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ফ্যাসিস্ট, খুনি, ক্ষমতালোভী, সুদখোর, বিশ্বাসঘাতক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। শেখ হাসিনা এ বক্তব্যে আরো বলেন, বর্তমান সরকার বাংলাদেশের ভূখণ্ড ও সম্পদ বিদেশিদের কাছে বিকিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত করছে।

এটি বুঝতে কারো বাকি নেই, ভারত সরকার তথা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিকল্পনা ও তত্ত্বাবধানে এ ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারত সরকারের আশ্রয়ে ও হেফাজতে রয়েছেন। ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে শেখ হাসিনা অনেকবার বিভিন্ন মাধ্যমে বক্তব্য দিয়েছেন। এসব বক্তব্যে তিনি বারবার সরাসরি বাংলাদেশে জালাও-পোড়াওসহ নৈরাজ্য সৃষ্টির উসকানি দিয়েছেন তার দলীয় লোকজনকে। এমনকি তিনি তার দলীয় বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগবিরোধী অনেকের তালিকা করে হত্যার জন্য এবং এই লক্ষ্যে প্রস্তুতি নেওয়ার। ভারতের সমর্থনেই শেখ হাসিনা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এসব করে চলছেন। কারণ তাদের অনুমতি ও সমর্থন ছাড়া শেখ হাসিনার পক্ষে কস্মিনকালেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা সম্ভব নয়। ২৩ জানুয়ারি মতবিনিময় সভায় শেখ হাসিনার অডিও বক্তব্য প্রচারের মাধ্যমে নয়াদিল্লি মূলত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে এক অঘোষিত যুদ্ধ শুরু করেছে। বাংলাদেশের নির্বাচন বানচাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দিল্লি মাঠে নামিয়েছে শেখ হাসিনাকে। এর মাধ্যমে নয়াদিল্লি সরাসরি বাংলাদেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির অপতৎপরতায় নেমেছে।

শেখ হাসিনা ভারতের সরাসরি সহায়তায় দেড় যুগ বাংলাদেশের ক্ষমতায় টিকে ছিলেন। চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর তার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার সঙ্গেও সরাসরি জড়িত নয়াদিল্লি। জুলাই গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধে শেখ হাসিনা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত একজন আসামি। এ ধরনের একজন আসামিকে নিয়ে ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লি যা করেছে, তা বিশ্বে নজিরবিহীন।

দিল্লিতে শেখ হাসিনার অডিও বক্তব্য প্রচারের বিষয়ে ঢাকা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ‘এর মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকার উৎখাত ও আসন্ন নির্বাচন ভন্ডুল করার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাস উসকে দেওয়া হয়েছে। দিল্লির এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রেও দিল্লির এই তৎপরতা একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত। দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে ফেরত না দিয়ে তাকে ভারতের মাটিতে দাঁড় করিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এ ধরনের ঘৃণা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ ও বিস্মিত হয়েছে।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে ফেরত পাঠানোর জন্য বারবার অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বরং ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে তাকে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়ায় বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিকে গভীরভাবে আঘাত করেছে। বাংলাদেশ মনে করে, ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের মতবিনিময় সভার আয়োজন করা এবং একজন দণ্ডিত ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে ঘৃণামূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া রাষ্ট্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের প্রচলিত নীতিমালাÑযেমন সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থী। এটা বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি একটি স্পষ্ট অবমাননার পদক্ষেপ। ভারতের এ ধরনের সম্পর্ক ভবিষ্যতে দুই দেশের পারস্পরিক কল্যাণমূলক সম্পর্ক গড়া ও এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

শেখ হাসিনার রেকর্ড করা বক্তব্য প্রচার নিয়ে যখন আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের এ ধরনের আরো একটি ষড়যন্ত্রের খবর সামনে আসে। সেটি হলো, দিল্লিতে শেখ হাসিনার জন্য সুরক্ষিত বিলাসবহুল বাসভবনে ২১ জানুয়ারি তার সঙ্গে পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেছে লন্ডন আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ পাঁচ সদস্যের একটি দল। এছাড়া ৩১ জানুয়ারি শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল বৈঠক করেছেন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে। ভার্চুয়াল বৈঠকে শেখ হাসিনার দেওয়া দীর্ঘ একটি বক্তব্য গতকাল শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করেছে আনন্দবাজার অনলাইন।

এসব ঘটনা থেকে পরিষ্কার, নয়াদিল্লি হাসিনা কার্ড নিয়ে প্রকাশ্যে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছে। এ ক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশের কোনো আপত্তি এবং আন্তর্জাতিক আইনকানুন ও রীতিনীতির কোনো তোয়াক্কা করবে না।

২৩ জানুয়ারি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ বাংলাদেশ ঘিরে ভারতের চলমান ষড়যন্ত্রের স্বরূপ ও অবস্থান কিছুটা হলেও ফুটে উঠেছে। তবে যেহেতু এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট, ভারত বাংলাদেশের নির্বাচন ভন্ডুল ও কলুষিত করার জন্য মাঠে নেমেছে, তাই শুধু প্রতিবাদ জানিয়ে দায়িত্ব সারার কোনো সুযোগ নেই সরকারের। বাংলাদেশ ঘিরে ভারতের ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সরকার কী কী পদক্ষেপ নেয়, তা দেখতে চায় দেশের মানুষ। নির্বাচন বানচালে শেখ হাসিনাকে মাঠে নামানো ভারতের বাংলাদেশবিরোধী নানামুখী ষড়যন্ত্রের অতিক্ষুদ্র একটি অংশ। প্রকাশ্য এ ষড়যন্ত্রের বাইরে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ আরো যা করছে, সেগুলো প্রতিহত করতে না পারলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে গভীর সংশয় রয়ে গেছে।

চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন ঘিরে একটি সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে বাংলাদেশ। এ নির্বাচন নির্ধারণ করবে আগামীর বাংলাদেশের ভাগ্য। এ নির্বাচন ব্যর্থ হলে বাংলাদেশের ভাগ্যাকাষে যে ঘনঘোর অমানিশা নেমে আসবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই ভারত বাংলাদেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে টার্গেট করেছে এ নির্বাচন বানচাল করার। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী নির্বাচন পুরোপুরি বানচাল করতে পারুক বা না পারুক, তাদের লক্ষ্য নির্বাচন যতটা সম্ভব প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নির্বাচনের ফলকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। একই সঙ্গে তারা নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার মাধ্যমে বিশ্বে পরিচিত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কলঙ্কিত করতে চাইছে।

নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি সহজ উপায় হলো নির্বাচনের দিন ব্যাপক সহিংসতা, সন্ত্রাস, জীবনহানি, নির্বাচন কেন্দ্র দখল করা। এছাড়া নির্বাচনের আগেই সন্ত্রাস ও জীবনহানির মাধ্যমে তীব্র ভয়ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করা হতে পারে। ঘটতে পারে আরো অনেক অজানা ও অকল্পনীয় ঘটনা ও নাশকতা। আর এর কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। কারণ, চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের দোসরদের নির্মূল করার পদক্ষেপ নেয়নি বর্তমান সরকার। বরং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ অনেক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ অনেক পদে এখনো বসিয়ে রাখা হয়েছে ফ্যাসিবাদের চিহ্নিত অনেক দোসরকে। দেশের মধ্যে এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর নেই, যেখানে গত দেড় যুগে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ তাদের অনুগত বিশাল শ্রেণি তৈরি করেনি। অতিমাত্রায় চিহ্নিত ভারতের কিছু এজেন্টরা পালিয়ে গেছে গণরোষের ভয়ে কিন্তু অনেকেই এখনো বিরাজ করছে নিজ নিজ অঙ্গনে। সামরিক-বেসামরিক গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের নিয়ন্ত্রণ কতটা রয়েছে, তা নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা প্রকাশ্যে গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আস্ফালন দেখাচ্ছে, বর্তমান সরকারকে নাৎসি পর্যন্ত বলার স্পর্ধা দেখাচ্ছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার নেই। ফলে নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের জন্য ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশঙ্কাও রয়ে গেছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নানামুখী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ভারত। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নয়াদিল্লির এ ষড়যন্ত্র আজকের নতুন কোনো বিষয় নয়। এ ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র জন্মের পর থেকেই। বাংলাদেশ ঘিরে তাদের সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্রের প্রথম পর্বের সফল সমাপ্তি ঘটে ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের মাধ্যমে। এরপর বাংলাদেশ ঘিরে ষড়যন্ত্রের দ্বিতীয় অধ্যায়ের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন ‍শুরু করে নয়াদিল্লি। এ ষড়যন্ত্রের মূলে রয়েছে যেকোনোভাবে হোক বাংলাদেশকে তাদের নিয়ন্ত্রণে রাখা। বাংলাদেশ যেন কোনো অবস্থাতেই একটি প্রকৃত স্বাধীন-সার্বভৌম, মর্যাদাপূর্ণ স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে তার ব্যবস্থা করা। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রতি ভারত যা করেছে, তার মাধ্যমে তারা এর সাক্ষ্য বহন করে চলছে।

চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ ভারতের আধিপত্যবাদ ও সর্বগ্রাসী শোষণের বিরুদ্ধে লাল কার্ড দেখিয়েছে। কিন্তু এত বড় ঘটনার পরও ভারত এ থেকে কোনো শিক্ষাগ্রহণ করেনি। বস্তুত ভারত কোনো শিক্ষা নেবে না, কারণ বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণে রাখার নীতি থেকে সরে আসেনি ভারত। ভারত মনে করে, বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে ভবিষ্যতে তাদের সেভেন সিস্টার্স আলাদা হয়ে যাবে। তাই বাংলাদেশের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাকে ভারত তাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য বিষয়ে পরিণত করেছে। এ লক্ষ্যে তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সদা ষড়যন্ত্র করেই যাবে। সুতরাং এ বিষয় মাথায় রেখেই আমাদের প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি নির্ধারণ করে ভবিষ্যতের পথচলা ঠিক করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আরো মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দুর্বল প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারত যা করে আসছে, এটাই তাদের সামগ্রিক জাতীয় চরিত্র। তারা বদলাবে না, কারণ এটাই ভারত। তাই আমাদের মতো করে বাঁচার পথ তৈরি করতে হবে। অন্যথায় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ১৯৭১ ও চব্বিশের সব ত্যাগ বৃথা হয়ে যাবে।

লেখক : সহকারী সম্পাদক, আমার দেশ

শরিয়াহ, ভীতি : ভুল বোঝাবুঝির রাজনীতি

বাংলাদেশের জনগণের মনোভাব ভারতকে বুঝতে হবে

ইরানে মোসাদের তৎপরতা যেভাবে বন্ধ করছে চীন

দলীয় দালালতন্ত্রে বন্দি রাজনীতি ও মিডিয়া

তারেক রহমানের বিলম্বিত ‘হ্যাঁ’ বার্তা

নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না

বাংলার নির্বাচন ঐতিহ্য

নারীরা বদলে দিতে পারে ভোটের হিসাব

কেমন রাজনৈতিক দল চাই

বাংলাদেশ : হুমকির ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রতিরক্ষা কূটনীতির সন্ধান