হোম > অন্যান্য

চাহিদা বাড়ায় নিমিষেই শেষ নিওর স্কিনকেয়ার পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

শীত মৌসুমের শুরুতেই দেশের স্কিনকেয়ার বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ড ‘নিওর’। বিশেষত ব্র্যান্ডটির ফেস ওয়াশ, সানস্ক্রিন, ময়েশ্চারাইজার ও বডি লোশন- এই চার ধরনের পণ্যের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেছে। হাই-এন্ড কসমেটিকস বিক্রির প্রিমিয়াম আউটলেটগুলোতে ইতোমধ্যে জনপ্রিয় পণ্যের স্টক শেষ হয়ে গেছে।

বিক্রেতা ও পরিবেশকদের তথ্যে জানা গেছে, চাহিদায় শীর্ষে নিওরের চার পণ্য। নিওর ব্র্যান্ডের নিওর ডিপ ক্লিন ফেস ওয়াশ, নিওর অ্যাকুয়া স্প্ল্যাস সানস্ক্রিন এসপিএফ ৫০ পিএ ++, নিওর আল্ট্রা হাইড্রেটিং ময়েশ্চারাইজার ও নিওর হানি হাইড্রেশন বডি লোশন এর চাহিদা সবচাইতে বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ত্বকের জন্য নিরাপদ উপাদান, কার্যকর ফলাফল এবং নিওর ব্র্যান্ডের দীর্ঘদিনের বিশ্বাসযোগ্যতা- এই তিন বিষয় মিলেই শীতের শুরুতে চাহিদা অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

রাজধানীর গুলশানের একটি প্রিমিয়াম আউটলেটের ম্যানেজার জানান, “নিওরের পণ্যগুলো গ্রাহকরা আগেই চিনে আসেন। এ বছর শীত শুরুর আগেই প্রতিটি আইটেমের বিক্রি দ্রুত বেড়ে যায়। ফলে আমরা কয়েকটি পণ্যের রিস্টক পর্যন্ত করতে পারিনি।”

ব্র্যান্ডটির চিফ বিজনেস অফিসার রাশেদুল ইসলাম জানান, “১৯৯৬ সাল থেকে নিওর সারাবিশ্বের সৌন্দর্যপিপাসুদের চাহিদাকে সামনে রেখে সর্বোৎকৃষ্টমানের পণ্য উৎপাদনে কাজ করছে। আগামী ২০২৬ সালে আমাদের ৩০ বছর পূর্ণ হবে। আমরা আশা করছি, ভোক্তাদের চাহিদার সবধরনের পণ্য আমরা আগের মতোই সর্বোৎকৃষ্ট মান বজায় রেখে তৈরি করতে সক্ষম হবো। নিওর তিন দশকের যাত্রায় মানের প্রতিশ্রুতি।”

তাঁর মতে, শীতকালীন ত্বক সুরক্ষায় ভোক্তাদের পছন্দ ও সুবিধাকে বিবেচনায় নিয়ে নিওরের গবেষণা ও উৎপাদন ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, চাহিদা আরও বাড়তে পারে। শীত যত বাড়বে- ময়েশ্চারাইজার, লোশন ও সানস্ক্রিনের ব্যবহার তত বাড়বে। নিওরের বর্তমান জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বিক্রি আরও উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে পারে।

ব্যবসায়ীরা মনে করেন, নিওরের সফলতার মূল কারণ হলো “ফলপ্রসূ পণ্য + বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড ইমেজ”। ব্যবহারকারীদের ইতিবাচক অভিজ্ঞতাই নতুন গ্রাহকদের দিকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

বাংলাদেশে স্কিনকেয়ার পণ্য উৎপাদক ও রফতানিকারকদের বাণিজ্য সংগঠন এসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারারর্স এন্ড এক্সপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি) সেক্রেটারি জামাল উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের কসমেটিকস খাতে গ্লোবাল ব্র্যান্ডের যাত্রা নিওরের মাধ্যমেই শুরু হয়েছে। এই ব্র্যান্ডের পণ্য শুরুতে আমদানি নির্ভর থাকলেও এখন দেশেই সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তিসুবিধা ও কাঁচামালে উৎপাদন হচ্ছে। যা এরই মধ্যে রফতানি তালিকাতেও শীর্ষে অবস্থান করছে। নিওর দেখিয়েছে আমাদের দেশের আন্তর্জাতিক সক্ষমতা। অনুকূল বাণিজ্য পরিবেশ ও নীতি সহয়তা সরকার নিশ্চিত করতে পারলে এই ব্র্যান্ডের মতো অন্যান্য গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলো দেশীয় উৎপাদনে এগিয়ে বলে মনে করেন তিনি।

ভিকারুননিসার শিক্ষক আনোয়ারের দুই কিডনিই অকার্যকর

বার্লিনে বাংলাদেশের চিকিৎসকের সাফল্য

মুসলিম নিকাহ রেজিস্ট্রার কল্যাণ পরিষদের কমিটি গঠন

প্রকাশিত হলো ড. মেছবাহ উদ্দিনের ‘ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট’

বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসের, সহসভাপতি ওয়ালিদ

দ্য সেকেন্ড স্টুডিও ফিচারিং বেস্ট শো এভারেস্টের উদ্বোধন

শিশু আবদুল্লাহ আল নোমানের জীবন বাঁচাতে মানবিক সহায়তার আবেদন

উগান্ডার বিরোধীদলীয় নেতাকে হেলিকপ্টারে তুলে নিয়ে গেছে সেনাবাহিনী

আমার দেশ-এর নামে ভুয়া ফটোকার্ড বানিয়ে অপপ্রচার, কী বলছে ডিসিমিসল্যাব

সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় শফিকুল হাসানকে শুভেচ্ছা