হোম > রাজনীতি > জামায়াত

বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের মিলন মেলা’ বললেন জামায়াত আমির

সংসদ রিপোর্টার

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জামায়াত আমির। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমের মিলন মেলা’ হিসেবে অভিহিত করে স্পিকারকে একজন বলিষ্ঠ কমান্ডার হিসেবে সংসদ পরিচালনার অনুরোধ জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, এই সংসদটা যত সুন্দর হয়ে চলবে বাংলাদেশের মানুষের অন্তর থেকে তত হতাশা দূর হবে, আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশ গড়ার কাজে সকলে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা পাবে। আমি এই মহান সংসদের অভিভাবক হিসেবে স্পিকারের প্রতি বিনয়ী অনুরোধ করব যে, আপনার অভিভাবকত্বের জায়গাটা আপনি সুদৃঢ় করুন। আমি আপনাকে দুর্বল দেখতে পাচ্ছি। আমি চাই আপনি বলিষ্ঠ কমান্ডার হয়ে অভিভাবক হয়ে এই সংসদ চালাবেন। নীতিবিধির জায়গাগুলো যতদূর সম্ভব পরিপালনে আপনার চেষ্টাকে আপনি ম্যাক্সিমাইজ করবেন।

বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানী ঢাকার বেহাল অবস্থা এবং একটু বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় চরম দুর্ভোগ ও জনস্বাস্থ্যের হুমকির কথা তুলে ধরে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা। এই ঢাকাকে ‘দেশের চেহারা’ অভিহিত করে তিনি এই সমস্যা সমাধানে একটি সমন্বিত এবং সুচিন্তিত মহাপরিকল্পনা গ্রহণ ও বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেছেন। এ ছাড়া সম্প্রতি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা, বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগে অন্তত যারা মারা গেছেন তাদের জন্য বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা করতে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

ঢাকার সমস্য প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা আরো বলেন, এই সমস্যা বর্তমান সংসদ বা সরকারের নয়, এটা অতীত সমস্ত জঞ্জাল এবং ঝামেলা জমে আজকে এই অবস্থায় এসেছে। উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ হয়েছে বাজেটে কিন্তু সেই উন্নয়ন অধরা হয়ে গেছে। উন্নয়ন হয়েছে কিছু ব্যক্তির, কিছু গোষ্ঠীর। আমরা এখন একটু জনগণের উন্নয়নটা দেখতে চাই, জনগণের সমস্যার সমাধানটা হোক সেটা আমরা দেখতে চাই।

তিনি বলেন, রাজধানী শহর হচ্ছে দেশের ফেস। বিদেশ থেকে যারা বিচার করে তারা সিলেটের, রাজশাহীর বা ময়মনসিংহের ওয়েদার কেমন এটা বিবেচনায় নেয় না, বিবেচনায় নেয় ঢাকা শহরের ওয়েদার। এটা দেখামাত্র তাদের একটা স্টাডি আমাদের সম্পর্কে তৈরি হবে। তারা সেভাবেই আমাদের সঙ্গে ডিল করবে। তাই এই ফেসটাকে আমাদের রক্ষা করা দরকার, উজ্জ্বল করে তোলা দরকার।

বিল পাসসহ সংসদীয় কাজে যথাযথ ভূমিকার রাখার সুযোগ প্রত্যাশা করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এইমাত্র অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিল পাশ হলো। এ বিলটা তো দেশের স্বার্থে, সবার প্রয়োজন। সেই বিলটা মনের মতো করে আমরা অংশগ্রহণ করতে পারলাম না বলে আমাদের আক্ষেপ থেকে গেল। আমরা তো চাই যে এগুলোতে আমরা মনের মতো করে অংশগ্রহণ করি। আমার অনুরোধ থাকবে ভবিষ্যতে এই বাধাগুলো না রেখে আমাদেরকে আমাদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেবেন। যদি আমরা দায়িত্ব পালনের এই সুযোগ না পাই তাহলে আসলে এখানে বসা এটার অর্থ আমাদের সময়ের অপচয় এবং আমরা যে সময়টুকু কথা বলব তা জনগণের অর্থের অপচয়।

শিক্ষাকে জাতির মেরুদণ্ড উল্লেখ করে তিনি প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষায় অধিক নজর দেওয়ার আহ্বান জানান। বিশেষ করে প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দেন। তিনি রাজনৈতিক বিবেচনায় এমপিওভুক্তি বন্ধ করে মেধার ভিত্তিতে যোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়ে বলেন, ফ্যাসিস্ট আমলে রাজনৈতিক আনুকূল্য দিতে গিয়ে অনেক যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়নি, আবার অনেক অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। দেখা গেছে পরবর্তী পর্যায়ে ওই সমস্ত কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে একজন ছাত্রও পাবলিক পরীক্ষায় পাস করতে পারে না। অথচ বাদ পড়া একেকটা প্রতিষ্ঠান কৃতিত্বের সাথে ভালো করে যাচ্ছে, তাদের ডিপ্রাইভ করা হচ্ছে। এখন যেন রাজনৈতিক বিবেচনায় এই যন্ত্রণাটা আর না করা হয়, জাতির উপর থেকে যেন এটা তুলে নেওয়া হয়। শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যে এবার অধিকতর বাজেট বরাদ্দ করায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার মৌলিক প্রয়োজনের দিকে বেশি নজর দিতে হবে।

তিনি বিরোধীদলীয় সদস্যদের এলাকায় সুষম বাজেট বরাদ্দ না দেওয়ার অভিযোগ তুলে বলেন, আমরা এই সংসদে এসেছি জনগণের ম্যান্ডেটে। সরকারি দলে বেশিরভাগ লোক, এইজন্যই তো সরকারি দল। বিরোধী দলের সংখ্যাটা কম, তাই বলেই তো আমরা বিরোধী দল। কিন্তু সবাই জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি। কিন্তু আমরা গভীর উদ্বেগ, বিস্ময় এবং কষ্টের সঙ্গে লক্ষ্য করছি। ইতোমধ্যেই সরকারের গৃহীত বিভিন্ন আর্থিক পদক্ষেপের মধ্যে আমরা যারা বিরোধীদলীয় সদস্য আমাদের প্রতি ইনসাফ করা হয়নি। এছাড়াও বিভিন্ন সময় শেষ মুহূর্তে গিয়ে তাড়াহুড়া করে আমাদেরকে কিছু বরাদ্দ দেওয়া হয়। সংরক্ষিত আসনের সরকারি দলের সদস্যদের বরাদ্দ দেওয়া হলেও আমাদের ১৩ জনের কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। আমাদের অনুরোধ, আমাদের এই ফেসগুলা যদি অপছন্দ হয় তবুও জনগণের জন্য আপনারা জনগণের অংশটা দিয়ে দেন। আমাদের কারণে আমাদের আসনগুলোতে জনগণ যেন বঞ্চিত না হয়। কারণ বিএনপি তার ৩১ দফা এবং তার নির্বাচনি ইশতেহারে সুষম উন্নয়নের কথা বলেছে। আমরা সেই সুষম বণ্টনটা চাচ্ছি, এর বেশি কিছু চাই না। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

তাছাড়া সংরক্ষিত আসনের সরকারি দলের সদস্যদেরকে বিরোধীদলের সদস্যদের এলাকায় অধিকতর দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে সংসদে দুই রকম কথা বলা হয়েছে এবং বাস্তবতা তার উল্টে বলে জানান, জামায়াত আমির। তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে তো কোনো আলোচনা করা হয়নি। অবশ্যই তারা ভূমিকা পালন করবেন, তাদের ক্ষেত্র থাকতে হবে। তারা একেকজন ছয়টা করে আসনের আনুপাতিক হারে এসেছেন, ছয় জায়গায় তারা প্রতিনিধিত্ব করবেন, কোনো সমস্যা নেই। সেটা তো একটা আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে হতে পারে। তিনি বলেন, আমাদের আসনগুলোতে এই ১৩ জনকে যদি আমরা কাজে লাগাই আমাদের সমন্বয় ও সহযোগিতাটা হবে অনন্য। এখানে কোনো কনফ্লিক্ট হবে না, ফ্রিকশন হবে না। কিন্তু যদি আমাদের জায়গায় সরকারি দলের লোকেদের দায়িত্ব দেওয়া হয়, তবে সেখানে কনফ্লিক্ট তৈরি হয়ে গেছে।

জনগণের টাকায় নামফলক বা প্রস্তর স্থাপনের ‘বাজে সংস্কৃতি’ বন্ধ করে অপচয় রোধের অনুরোধ করেন বিরোধীদলীয় নেতা। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রত্যেকটা টাকা সরকারের কাছে, এই পার্লামেন্টের কাছে আমানত। শুধু সরকার না কারণ এই পার্লামেন্টে অর্থবিল পাশ করে। এই যে বিভিন্ন জায়গায় ছোট্টখাটো স্থাপনা হলেও উদ্বোধন করে একটা স্টোন বসাতে হবে। খাজনার চেয়ে বাজনা বড়। এই স্টোন বসাতে গিয়ে একটা পয়সা তো খরচ হয়। আরেকটা হল যে, এখানে টানাটানি শুরু হয় কার নাম থাকবে আগে কার নাম থাকবে না। এগুলো পয়সাটা জনগণের আর আমার নামের দরকারটা কি? এই স্টোন না হলে কি হয়? আর যদি দিতেই হয় তাহলে উদ্বোধনের তারিখ, রাস্তা, পুল, কালভার্ট—এটা বলে আমরা শেষ করতে পারব। এই সমস্ত নামের হাশর কি হয় তা তো চোখের সামনে দেখছি। বড় প্লেট হোক আর ছোট প্লেট হোক, সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের খারাপ সংস্কৃতির কারণে একদিকে নামের বন্যা আরেকদিকে ভাঙচুরের বন্যা। এতে মান-সম্মানের ওপর আঘাত এবং অর্থের অপচয় হয়। এই অপচয় রোধ হওয়া দরকার। কারো যদি নামের প্রয়োজন হয় নিজের জমি, নিজের অর্থ খরচ করে তিনি যদি জনকল্যাণমূলক কোনো প্রতিষ্ঠান করে নাম দিতে চান, যতবার তার প্রয়োজন ততবার নাম দিন, আমাদের কোনো আপত্তি নেই।

সংসদে পুরানো খারাপ সংস্কৃতি থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা এই সংসদে প্রথম দিন অনুরোধ করেছিলাম যে, অতীতের খারাপ সংস্কৃতি থেকে আমরা বের হয়ে আসবো। এখানে আমরা অবশ্যই সমালোচনা করব কিন্তু এটা হবে সংসদীয় নিয়ম অনুসরণ করে। আলহামদুলিল্লাহ আমি প্লিজড, আমি পার্শিয়ালি কনভিন্সড যে যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু ভাইরাস এখনো আমাদের মাঝে ক্রিয়াশীল আছে। এটাও দূর হয়ে যাক।

তিনি বলেন, আমাদেরকে অনেক কিছু বলা হচ্ছে বিভিন্ন দিক থেকে। আমাদেরকে নেগেটিভলি ক্রিটিসাইজ করা হচ্ছে যে আপনারা এত ভদ্র কেন, এত পজিটিভ কেন, এত নমনীয় কেন? আপনারা গরম করতে পারেন না? গরম করার জন্য তো চুলা আছে, এটাকে গরম করে কি করব? কিছু পাক করতে হলে চুলায় বসাবো। এখানে কেন? এটা যুক্তিবুদ্ধির আইনের জায়গা, এটা রীতি অনুসরণের জায়গা। আমরা এটা করে এখানে চলি। তবে এটা একতরফা হবে না। এখানে সবার সদিচ্ছা থাকতে হবে। এই সদিচ্ছার ক্ষেত্রটা তৈরি করা আমাদের সবার পবিত্র নৈতিক দায়িত্ব।

দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাংলাদেশে যেদিকে যাবেন সেদিকেই সমস্যার কথা শুনবেন, সমস্যার কোনো অন্ত নাই। আমাদের সড়কগুলা পড়ে আছে অনেকদিন ধরে। কাজ চলছে, শেষ হবে কখন কেউ জানে না। তারা আশায় বুক বেঁধে আছে যে একসময় শেষ হবে। কিন্তু শেষ হওয়ার আগেই দেখা যাবে আরেক জায়গায় ভেঙে গেছে। এই জায়গাগুলো এবার অর্থমন্ত্রী আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন যে আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফিরাবেন। এটা সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার। আমরা এই জিনিসটা দেখতে চাচ্ছি। আমরা দেখতে চাই এই পার্লামেন্ট থেকে শুরু করে সর্বত্র এটার প্রতিফলন ঘটছে। ব্যাংক, বীমা সেক্টর, কর্পোরেশন, স্টক মার্কেট সব জায়গায় একটা শৃঙ্খলা ফিরে আসছে—এটা দেখতে চাই। অর্থমন্ত্রী একজন ডায়নামিক মানুষ, তিনি চাইলে পারবেন এ আস্থা আমাদের আছে।

তবে এক্ষেত্রে কিছু সমস্যার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সমস্যা এক জায়গায়। এটা সরিষার মধ্যে ভূত। দুর্নীতি নামের ওই সরিষাগুলোকে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। ওই সরিষা গুলা ক্রাশ করে তেল বের করে সমাজে বণ্টন করে দিতে হবে। দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক যদি এই সংসদ না হয় আমি সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী যে, বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নিবে। কিন্তু আমাদের যদি আশ্রয়-প্রশ্রয় থাকে, লাইকিং-ডিসলাইকিং এইগুলা যদি ক্রিয়াশীল থাকে, তবে দুর্নীতি বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, একা কোনো সেক্টরকে আলাদাভাবে দুর্নীতিমুক্ত করা অসম্ভব। এর একটা সমন্বিত উদ্যোগ লাগবে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দুর্নীতিবাজদের টুটি চেপে ধরবেন। আমরা আপাতত চাচ্ছি দুর্নীতির হাত চেপে ধরেন এবং হাতের মধ্যে হ্যান্ডকাফ দিয়ে বলেন যে আর বাড়াবাড়ি করলে পায়েও ডান্ডাবেড়ি লাগিয়ে দেব। এরপরে যদি আর বাড়াবাড়ি করো তাহলে ঠিকই মুখে তালা দিয়ে দেব। তখন টুটি চেপে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ । এই ক্ষেত্রে যদি এই দুর্নীতির সঙ্গে আমি কিংবা এখানকার কেউ জড়িত থাকে কাউকেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়।

জুলাইকে গুরুত্ব দেওয়া ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা সরকারি দল থেকেও বলছি জুলাই আমাদের, বিরোধী দল থেকেও বলছি জুলাই আমাদের। তাহলে এই জুলাইটা যেন সত্যিকারেই আমাদের হয় সেটা আমরা দেখতে চাই। জুলাই স্মৃতি জাদুঘর ৫ আগস্ট খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। পাশাপাশি জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ব্যাপারে আশ্বাসের জন্যও আগাম ধন্যবাদ জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমি অনুরোধ করব- জুলাইকে ইতিহাসের পাতায় তুলে ধরার জন্য এবং এই কাজটা সরকারকে করতে হবে।

তিনি সংসদের কর্মীদের পাওনা পরিশোধ, বাজেট অধিবেশন পরিচালনার জন্য জড়িত সবাইকে এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ ইনসেন্টিভ দেওয়ার অনুরোধ করেন।

ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটিতে রদবদল, নতুন করে দায়িত্বে যারা

জুলাই সনদের বাস্তবায়নই শহীদদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নই এখন প্রধান দায়িত্ব: শিবির সভাপতি

রাজধানীতে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে জামায়াতের ফুডপ্যাক বিতরণ

বাংলাদেশের মানুষ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী

আমরা জুলাই শহীদদের কাছে চিরঋণী

চট্টগ্রামে তাণ্ডব চালানো দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনুন

সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন, বিরোধী দলের ওয়াকআউট

রাজধানীতে পানিবন্দি মানুষের পাশে জামায়াত নেতা সেলিম উদ্দিন

সূরা মুলকের তাফসির করলেন জামায়াত আমির, মুগ্ধ হয়ে শুনল সংসদ