ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের ব্যানারে বিভিন্ন সরকারি ব্যাংকের কর্মকর্তারা একটি দলের হয়ে মিছিল করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী। এ ব্যাপারে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্বাচন কমিশনের নিকট তিনি জোর দাবি জানিয়েছে দলটি।
বুধবার বিকেলে মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এই অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসনে ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে একদল সরকারি ব্যাংকার্স একটি দলের পক্ষে মিছিল, সমাবেশ ও র্যালি করেছেন। এটা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। কোনো অবস্থাতেই এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সুযোগ নেই। এতে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতের মনোনীত জাতীয় সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. খালেকুজ্জামানের অনেক আগের একটি বিষয়কে সামনে এনে কিছু মিডিয়া অসৎ উদ্দেশে প্রচার করছে। সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার জন্য মীমাংসিত বিষয়টিকে তারা প্রচার করছে। এ বিষয়ে আইএসপিআর বিবৃতি দিয়ে ক্লিয়ার করেছে যে, এ বিষয়টি সমাধান হয়েছে। এটা নিয়ে বিভ্রান্ত করার কিছু নেই।
এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আরো বলেন, জামায়াত টুইটার হ্যাক করে তার বরাত দিয়ে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছিল। আমরা সাথে সাথেই প্রেস ব্রিফিং করে ঐ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং থানায় জিডি করেছিলাম। জামায়াতের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে গিয়ে এ ব্যাপারে সেখানকার কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ দিয়ে অভিযোগ করার পর ডিবি পুলিশ বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তা সরোয়ার আলমকে চিহ্নিত করে গ্রেফতার করেছেন। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করার জন্য তিনি সরকারের নিকট জোর দাবি জানান।
তিনি বলেন, জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ারের ডিভাইজটিও হ্যাক করা হয়েছে। জামায়াতে শীর্ষ নেতাদের ডিভাইজ একাউন্টেও হামলা চালাচ্ছে। ভারত থেকে সাইবার অ্যাটাক করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য তিনি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের নিকট জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অলিউল্লাহ নোমান ও ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।