হোম > রাজনীতি > জামায়াত

আগামীর বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদ ও সন্ত্রাসের ঠাঁই হবে না

শেরপুরে জামায়াত নেতা হত্যায় জড়িতদের গ্রেপ্তার দাবি

স্টাফ রিপোর্টার

দেশের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর প্রচার কার্যক্রমে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, হুমকি, অপপ্রচার এবং আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ করা হয়েছে। একইসঙ্গে শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে জামায়াত নেতা রেজাউল করিম হত্যায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে দলটি।

শনিবার দুপুরে আড়াইটায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে প্রচারের সময় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর যেভাবে হামলা করা হচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে, সাধারণ ভোটারদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টির অপপ্রয়াস চালানো হচ্ছে। অতীতে ফ্যাসিবাদ যে কাজ করেছে, সে ধরণের অপচেষ্টা যেন না করা হয়। আগামীর বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসের ঠাঁই হবে না।

তিনি বলেন, এ সবব বিষয়ে তাৎক্ষনিকভাবে সংশ্লিষ্ট আসনে রিটার্নিং অফিসার ও আইনশৃংখলা বাহিনীকে তথ্য দেওয়া হচ্ছে। আগামীকাল রোববার নির্বাচন কমিশনে স্মারকলিপি দেওয়া হবে। আশাকরি নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃংখলা বাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ৯ তারিখ পর্যন্ত জামায়াত নেতাদের নির্বাচনি জনসভা-পথসভা চলবে। বিভিন্ন জায়গায় সংগঠিত হামলা, আচরণবিধি লংঘনসহ বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে তিনি বলেন, ১১ ডিসেম্বর নির্বাচনি শিডিউল ঘোষণার পর প্রথম হত্যাকান্ডের শিকার হন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদি। পরে গত ২৯ জানুয়ারি, শ্রিবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি শরিফুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকান্ডে জড়িতদের এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। অথচ হামলাকারীদের চেনার যথেষ্ঠ সুযোগ আছে। অবিলম্বে তাদের গ্রেপ্তার না করা হলে সুষ্ঠু নির্বাচন অনিশ্চিত হবে। চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার না করা হলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবে জামায়াত।

তিনি বলেন, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে শিবির নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় ৫ জন আহত হয়েছে। আজ শনিবার ভোলার দৌলতখানে বিএনপি হামলায় জামায়াতের ৬ জন আহত হয়। যশোর, নোয়াখালী সহ বিভিন্ন স্থানে নারী কর্মীরা হ্যা ভোট ও দাঁড়িপাল্লার প্রচারের সময় হামলার শিকার হচ্ছেন। কুষ্টিয়ায় গণসংযোগকালে জামায়াত প্রার্থী আমির হামজার মায়ের হাত থেকে লিফলেট ছিনিয়ে নেয়া ও তাকে লাঞ্ছিত করার ঘটনা ঘটেছে।

এছাড়া চট্টগ্রামে বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষে অর্থ বিতরণ, ফরিদপুরে সহিংসতা ও ভাংচুর, সুনামগঞ্জে জামায়াত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শিশির মনিরের গাড়ী ভাংচুর করা হয়।

এই জামায়াত নেতা বলেন, গাইবান্ধার ফুলছড়িতে দেশীয় অস্ত্রসহ বিএনপির একজনকে শুক্রবার যৌথবাহিনী গ্রেপ্তার করে, নারারয়ণগঞ্জে প্রকাশ্যে গুলিবর্ষণে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে, ফরিদপুরে অস্ত্রসহ যুবদল নেতা আটক করা হয়। এ ধরণের নানা সহিংস ঘটনায় বিএনপির লোকজন জড়িত বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য জাহিদুর রহমান, অলিউল্লাহ নোমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাচিত হলে পরাজিতদের নিয়ে ঐক্যের সরকার গঠন করব

জামায়াতে যোগ দিলেন আরো এক কওমি ঘরানার আলেম

আমরা কোনো দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার দেখতে চাই না

‘আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের মন্ত্রিপরিষদের সিনিয়র সদস্য হবেন’

ফ্যাসিবাদের পথ চিরতরে বন্ধে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে

ক্ষমতায় গেলে নোয়াখালীকে বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি জামায়াতের

‘আপনার কথায় ফ্যাসিবাদের সুর রয়ে গেছে’, সাদিক কায়েমকে হামিম

আমরা বাংলাদেশের নেতৃত্ব যুবকদের হাতে তুলে দিতে চাই

৫৪ বছরের দুর্নীতির দায় এড়াতে পারবে না তিনটি দল

নারীদের মর্যাদা নিশ্চিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: জামায়াত আমির