বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শনিবার তার জন্মস্থান মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় আসছেন। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) কুলাউড়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী মৌলভীবাজার জেলা শাখা।
মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের আমির ও মৌলভীবাজার-২ (দাঁড়িপাল্লা) আসনের প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম সায়েদ আলী এবং জেলা সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সিলেট মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, মৌলভীবাজার জেলা সহকারী সেক্রেটারি আজিজ আহমদ কিবরিয়া, জেলা কর্মপরিষদের সদস্য আব্দুল কুদ্দুস নোমান, কুলাউড়া উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল মুনতাজিম, নায়েবে আমির মো. জাকির হোসেন, সেক্রেটারি বেলাল আহমদ চৌধুরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার দিকে কুলাউড়ার নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মৌলভীবাজার জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. ইয়ামীর আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘নিজ জন্মভূমিতে জামায়াতের আমিরের আগমনকে কেন্দ্র করে কুলাউড়াসহ পুরো জেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশা করছি, জনসভায় বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি হবে।’
তিনি আরো জানান, সিলেট বিভাগে একই দিনে জামায়াতের চারটি কর্মসূচি রয়েছে— সকাল ১০টায় হবিগঞ্জে, ১১টায় কুলাউড়ায়, দুপুরে সুনামগঞ্জে এবং বিকেলে সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে কুলাউড়া উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে একটি বিশাল প্রচার মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা জামায়াতের আমির সহকারী অধ্যাপক আব্দুল মুনতাজিমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি প্রভাষক মো. বেলাল আহমদ চৌধুরীর সঞ্চালনায় মিছিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মো. ফখরুল ইসলাম।
এদিকে জামায়াতের আমিরের আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দক্ষিণ মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ২ ফেব্রুয়ারি সমাবেশস্থল নবীন চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন করেন। তিনি নিরাপত্তা সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা দিয়ে জানান, জনসভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের পাশাপাশি র্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।