হোম > রাজনীতি > এনসিপি

সব ক্ষেত্রে ডিপ স্টেট সক্রিয় মাফিয়াচক্র রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রণ করছে

সাক্ষাৎকারে নাহিদ ইসলাম

আবু সুফিয়ান ও মাহফুজ সাদি

ছবি: আমার দেশ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। ছাত্র-জনতার এক দফার ভিত্তিতে ১৫ বছরের জেঁকে বসা ফ্যাসিস্ট হাসিনা শাসনের পতন ঘটেছে। সেই গণঅভ্যুত্থান কেবল একটি সরকার পতনের আন্দোলন ছিল না, বরং এটি ছিল বৈষম্যহীন নতুন এক রাষ্ট্র গঠনের দীর্ঘমেয়াদি আকাঙ্ক্ষা।

কিন্তু সেই গণঅভ্যুত্থানের পর দেড় বছরের বেশি সময় পার হলেও দেশে ‘পুরোনো বন্দোবস্ত’ বা আগের শাসন কাঠামোর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম আমার দেশ-এর সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির এমন কঠোর বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।

নাহিদ ইসলামের মতে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা থেকে শুরু করে আমলাতন্ত্রের সংস্কার—সব ক্ষেত্রেই একটি অদৃশ্য ক্ষমতা বলয় বা ‘ডিপ স্টেট’ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তিনি স্পষ্টভাবে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যারা সুবিধাভোগী আমলা, ব্যবসায়ী বা মাফিয়া গোষ্ঠী ছিল, তারাই এখন বর্তমান কাঠামোর সুবিধা নিচ্ছে। ফলে রাষ্ট্র সংস্কারের যে মৌলিক প্রতিশ্রুতি নিয়ে ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়েছিল, তা আজ গভীর সংকটের মুখে।

ডিপ স্টেট ও পুরোনো বন্দোবস্তের প্রভাব

সাক্ষাৎকারের শুরুতেই এনসিপির পথচলা নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ফেব্রুয়ারিতে এনসিপির এক বছর পূর্ণ হলেও তাদের রাজনীতির শুরু মূলত জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকেই। এই স্বল্প সময়ে দলটিকে নানা চড়াই-উৎরাই পার হতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নতুন দল হিসেবে জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ছয়টি আসনে জয় এবং তিন শতাংশ ভোট পাওয়া আমাদের জন্য বড় অর্জন। তবে আমাদের সীমাবদ্ধতাও আছে। যদি আমরা আরো সুসংগঠিত হতে পারতাম, তবে এই অর্জন আরো বেশি হতো।’

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট শক্তির পাশাপাশি দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক শক্তিগুলো এবং তথাকথিত ‘ডিপ স্টেট’ কখনোই চায়নি যে, নতুন কোনো রাজনৈতিক শক্তি তৈরি হোক। পুরোনো বন্দোবস্তের ধারক-বাহকরা সব সময় এনসিপি ও ছাত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক শক্তিকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে।

নাহিদ ইসলাম ‘ডিপ স্টেট’ বা রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে থাকা অদৃশ্য ক্ষমতা বলয় নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। তার মতে, দৃশ্যমান সরকারের ভেতরেও আমলাতন্ত্র, সেনাবাহিনী, ব্যবসায়িক এলিট গোষ্ঠী, মাফিয়া এবং আন্তর্জাতিক পরাশক্তিদের সমন্বয়ে ক্ষমতার বিভিন্ন বলয় থাকে।

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী যারা ছিল—সে আমলা হোক, ব্যবসায়ী হোক বা মিডিয়ার লোক—তারা এখন বর্তমান সরকারেরও সুবিধাভোগী হতে চাইছে। তারা চায় না কোনো ধরনের সংস্কার হোক, কারণ সংস্কার হলে তাদের লুটপাটের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে চলে যাবে।’

তিনি বর্তমান সরকারকে সতর্ক করে বলেন, তারা যদি এই পুরোনো বন্দোবস্তের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তবে তা হবে গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।

সংস্কার প্রশ্নে বিএনপির স্ববিরোধী নীতি

বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নাহিদ ইসলাম অত্যন্ত কঠোর মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপি শুরু থেকেই তাদের অবস্থানে কনসিস্টেন্ট। তারা মনে করে, এই অভ্যুত্থান কেবল শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলন, কিন্তু আমরা মনে করি এটি রাষ্ট্র সংস্কারের বৃহত্তর কর্মসূচি।’

তিনি অভিযোগ করেন যে, বিএনপি সংস্কার মানতে চায় না এবং তারা ‘৭২-এর সংবিধানেই ফিরে যেতে চায়।

নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, আন্দোলনের সময় চাপের মুখে বিএনপি অনেক বিষয়ে রাজি হলেও এখন ক্ষমতায় এসে তারা সেগুলো থেকে সরে যাচ্ছে। বিশেষ করে গণভোটের প্রশ্নে বিএনপির নীরবতা এবং চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনিয়মিত সমর্থনকে তিনি রাজনৈতিক সুবিধাবাদ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

বিচার বিভাগ ও নির্বাহী বিভাগের ভারসাম্য

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা আধুনিক রাষ্ট্রে নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা এবং বিচার বিভাগের মধ্যে ভারসাম্য দেখতে চাই। কিন্তু এখন সংসদে দাবি করা হচ্ছে, সংসদই সার্বভৌম, যার মানে অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে এর অধীনে নিয়ে আসা।’

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ যেমন বিচার বিভাগকে কুক্ষিগত করতে চেয়েছিল, বিএনপিও এখন সেই একই পথে হাঁটছে। বিচারক নিয়োগ এবং স্বতন্ত্র সচিবালয় গঠনের যে প্রস্তাবগুলো ছিল, বর্তমান সরকার ও বিএনপি সেগুলোর বিরোধিতা করছে। তার মতে, মানবাধিকার কমিশনকেও অকার্যকর করে রাখা হচ্ছে ২০০৯ সালের পুরোনো আইনের দোহাই দিয়ে। যে আইন বলবৎ থাকা অবস্থাতেই ইতিপূর্বে গুম-খুন ও জুলাই গণহত্যার মতো ঘটনা ঘটেছিল।

গণমাধ্যম নিয়ে উদ্বেগ

দেশের গণমাধ্যম পরিস্থিতি নিয়ে এমপি নাহিদ ইসলাম অত্যন্ত উদ্বেগজনক তথ্য প্রকাশ করেছেন। তার মতে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ বর্তমানে বাংলাদেশের গণমাধ্যম খাতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করছে এবং সামাজিক ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ছদ্মবেশে নতুন নতুন মাধ্যম নিয়ে আসছে। আপাতদৃষ্টিতে এসব মাধ্যমকে নিরপেক্ষ মনে হলেও মূলত এগুলো আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যেই কাজ করছে।

তিনি অভিযোগ করেন, ফ্যাসিস্ট আমলের দোসররা বিভিন্ন মিডিয়া হাউসে পুনরায় শক্তিশালী হয়ে উঠেছে এবং তাদের প্রভাবেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষ নেওয়া বা নির্বাচনের বিষয়ে সোচ্চার সাংবাদিকদের গণহারে ছাঁটাই করা হচ্ছে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

নাহিদ ইসলাম মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি স্বাধীনতা উপভোগ করলেও এখন তা পুরোনো বৃত্তে ফিরে গেছে। গণমাধ্যমের মালিকানা ও মালিকদের রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে সংবাদপত্রে এবং টেলিভিশনগুলোকে আবারও সরকারের আজ্ঞাবহ হওয়ার প্রবণতা দেখাচ্ছে, যার ফলে বিগত শাসনামলের মতো সেই পরিচিত ‘সেন্সরশিপ’ নতুন করে ফিরে আসছে। তবে প্রচলিত ধারার গণমাধ্যমের এই নেতিবাচক পরিস্থিতির মাঝেও তিনি ডিজিটাল বা নিউ মিডিয়া নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তার মতে, বেশ কিছু নতুন প্ল্যাটফর্ম বস্তুনিষ্ঠ থাকার চেষ্টা করছে, যা দেশের সাংবাদিকতার জন্য একটি ইতিবাচক সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি ও তরুণ প্রজন্ম

এনসিপিতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের (ছাত্রদল, শিবির এমনকি ছাত্রলীগ) কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে সমালোচনার জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান মানুষের চিন্তায় বড় পরিবর্তন এনেছে। অনেক তরুণ এখন স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করতে চায়, যা তারা তাদের মূল দলগুলোতে পায় না।’

তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠিত দলগুলোতে একজন তরুণকে ২০ বছর রাজনীতি করার পরও ব্যবসায়ী বা প্রভাবশালী কারো জন্য জায়গা ছেড়ে দিতে হয়। এনসিপি সেই তরুণদের জন্য একটি স্পেস তৈরি করছে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, ব্যাকগ্রাউন্ড যাই হোক না কেন, তাদের রাষ্ট্র প্রকল্পের সঙ্গে একমত হওয়া এবং ট্র্যাক রেকর্ড পরিষ্কার থাকা বাধ্যতামূলক।

পররাষ্ট্রনীতিতে সরকারের দুর্বলতা

সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে নাহিদ ইসলাম বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সরকারের দুর্বলতার কথা উল্লেখ করেন। জুলাই গণহত্যার বিচার এবং শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে সরকারের আলোচনাকে তিনি ‘অস্বচ্ছ’ বলে অভিহিত করেন।

তিনি বলেন, ‘ভারত গত ১৬ বছর বাংলাদেশে ফ্যাসিজমকে মদত দিয়েছে এবং এখন খুনিদের আশ্রয় দিচ্ছে। এই সমস্যার সুরাহা না করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধির চেষ্টা করাটা ন্যায্যতা বা মর্যাদার ভিত্তিতে হচ্ছে না।’

ইরান ইস্যু বা আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের অবস্থানকেও তিনি ‘পরাশক্তি নির্ভর’ বলে সমালোচনা করেন।

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বন্দর ইজারার প্রস্তাব প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, পোর্ট নিয়ে তো আমাদের এখানে যেটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় হয়েছে যে, পোর্টগুলোকে আধুনিকীকরণ করার বা ফরেন কোনো সংস্থার সঙ্গে কাজ করার চেষ্টা করেছে, যাতে আমাদের পোর্টগুলো আধুনিক হয়। এখন পোর্টগুলোতে দেশীয় কোম্পানির নামে একটা দেশপ্রেম দেখানোর পক্ষে অনেকে বলছে।

ব্যাংক লুটেরাদের পুনর্বাসন

ব্যাংকিং খাতের বিশৃঙ্খলা নিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সরকার ব্যাংক লুটপাটকারীদের প্রটেকশন দিচ্ছে। মন্ত্রিসভায় ঋণ খেলাপিদের স্থান দেওয়া হচ্ছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষাকারী ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ আমলে তৈরি হওয়া ‘অলিগার্ক মাফিয়াতন্ত্র’ ভাঙার পরিবর্তে সরকার তাদের পুনরায় ব্যাংকিং করার সুযোগ করে দিচ্ছে।

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে উদ্বেগ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা এবং এটি নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্ক প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার সব প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করার যে সংস্কৃতি শুরু করেছে, এই জাদুঘরটিও তার বাইরে নয়। তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রতিশ্রুতি ছিল ৯৮টি অধ্যাদেশ হুবহু পাস করা হবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জাদুঘর সংক্রান্ত বিলে শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি করে একটি সংশোধনী আনা হয়েছে।

এই সংশোধনীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যেখানে আগে কথা ছিল বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা এই জাদুঘর পরিচালনার প্রধান দায়িত্বে থাকবেন, সেখানে নতুন সংশোধনীতে মন্ত্রীকে এর প্রধান করা হয়েছে।’

তিনি মনে করেন, সরকার হয়তো জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাসকে নিজস্ব দলীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে জাদুঘর উদ্বোধন বিলম্বিত করছে।

নাহিদ ইসলামের মতে, বিশেষজ্ঞদের বদলে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রাধান্য দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত নজিরবিহীন দলীয়করণেরই আরেকটি প্রতিফলন।

বিএনপির প্রতি সতর্কবার্তা

সাক্ষাৎকারের শেষদিকে নাহিদ ইসলাম বিএনপি সরকারের প্রতি সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা বারবার গণঅভ্যুত্থান চাই না, মানুষ জীবন দিক এটা আমাদের প্রত্যাশা না। কিন্তু যদি বিএনপি সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা বুঝতে ব্যর্থ হয় এবং সংস্কারের পথ রুদ্ধ করে, তবে জনগণ আবারও ক্ষোভে ফেটে পড়বে।’

তিনি মনে করেন, বর্তমান সরকার দুই মাসেই প্রচণ্ড অজনপ্রিয় হয়ে পড়েছে। তেল সংকট, নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতি এবং আন্তর্জাতিক চাপ সামলাতে না পারলে এই সরকার পাঁচ বছর পূর্ণ করতে পারবে কি না তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন।

তিনি হুঁশিয়ারি দেন, এনসিপি এবং ১১ দলীয় জোট বর্তমানে ধাপে ধাপে জনমত গঠন করছে এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে তারা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে নামতে দ্বিধা করবে না।

নাহিদ ইসলামের এই দীর্ঘ সাক্ষাৎকারটি স্পষ্ট করে দেয় যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী বাংলাদেশ এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। একদিকে পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতা ধরে রাখার প্রচেষ্টা, অন্যদিকে নতুন প্রজন্মের রাষ্ট্র পুনর্গঠনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। এই দুইয়ের দ্বন্দ্বে আগামীর রাজনীতি কোনদিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

বিএনপি সংস্কারের পথ রুদ্ধ করলে জনগণ আবারও ক্ষোভে ফেটে পড়বে

হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনা ‘অস্বচ্ছ’

মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ যায় নাকি আসে, প্রশ্ন আসিফের

মনিরা-নুসরাতের মনোনয়ন ইস্যুতে ইসিকে সারজিসের হুঁশিয়ারি

এনসিপির নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়ন বাতিল

এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী 'রাজনৈতিক পর্ষদ' সদস্য হলেন ২ এমপি

মনিরা শারমিনের এমপি হওয়া অনিশ্চিত?

স্পেনের প্রবাসীদের পাসপোর্ট ও পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে হয়রানি বন্ধের দাবি

রাজনৈতিক কমিটমেন্ট ঠিক রেখেছে জামায়াত: মাহমুদা মিতু

এনসিপির যুবশক্তিতে যোগ দিলেন খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশনের ৪ সদস্য