হোম > ইসলাম ও জীবন

সরকারি উদ্যোগে বাংলাদেশে কেরাত ও হেফজ প্রতিযোগিতা আয়োজনের আহ্বান

আমার দেশ অনলাইন

ক্বারী গোলাম মোস্তফা। ছবি: সংগৃহীত

কেরাত ও হেফজ প্রতিযোগিতায় গত চার দশকের বেশি সময় ধরে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্বারী ও হাফেজরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। আল-কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের তথ্যমতে- ১৯৮০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কেরাত ও হেফজ প্রতিযোগিতায় এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ৩৭ ক্বারী ও হাফেজ মোট ১৮০টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার কুড়িয়েছেন।

তালিকা অনুযায়ী- সর্বপ্রথমে ১৯৮১ সালে লিবিয়া আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান অর্জন করেন বাংলাদেশি ক্বারী হাফেজ আ. হক। এরপর বাংলাদেশের জন্য দ্বিতীয় সুনাম বয়ে আনেন ক্বারী গোলাম মোস্তফা। তিনি ১৯৮২ সালে সৌদি আরবে আন্তর্জাতিক কেরাত প্রতিযোগিতায় সারা বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। এরপর ১৯৮৫ সালে ভারতের মাদ্রাজে তৃতীয় স্থান, ১৯৮৬ সালে দ্বিতীয় স্থান ও ১৯৮৭ সালে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন।

বিশ্বমঞ্চে প্রথম স্থান অর্জনকারী বাংলাদেশি ক্বারী ও হাফেজ

ক্বারী গোলাম মোস্তফা, হাফেজ ক্বারী মুজাম্মিল হোসাইন, হাফেজ মাওলানা ইউসুফ আবদুল মজিদ, হাফেজ মাহমুদুল হাসান, হাফেজ মাওলানা আরিফ উদ্দিন মারুফ, হাফেজ মহিবুল্লাহ, হাফেজ এমদাদ উল্লাহ, হাফেজ ফরিদ আহমদ, হাফেজ নাবিল ওয়ালিদ, হাফেজ ইব্রাহীম বিন হেলাল, হাফেজ হোসাইন আহমদ, হাফেজ আব্দুল কাদির, হাফেজ সাইফুল ইসলাম, হাফেজ আব্দুল্লাহ আল মামুন, হাফেজ ফজলে রাব্বি আদেল, হাফেজ সালাহ উদ্দিন, হাফেজ তানভীর হোসাইন, হাফেজ এহসান উদ্দিন, হাফেজ সোরাইল, হাফেজ নাজমুস সাকিব, হাফেজ এমদাদ উল্লাহ, হাফেজ ফারিয়া তাসলিম, হাফেজ নাহিয়ান কাউসার, হাফেজ সাইদ হাসান, হাফেজ আব্দুল আখের, হাফেজ সাজিদুর রহমান তুর্কী, হাফেজ তরিকুল ইসলাম, হাফেজ মুজাহিদুল ইসলাম, হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম, হাফেজ বশির আহমদ, হাফেজ আনাস বিন আতিক, হাফেজ মুয়াজ্জাজ মাহমুদ, হাফেজ আনাস।

আল-কোরআন ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ক্বারী গোলাম মোস্তফা সরকারের প্রতি কয়েকটি দাবি তুলে ধরে বলেন, আন্তর্জাতিক মানের কেরাত ও হেফজ প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত আয়োজন করা গেলে দেশের আরো বহু প্রতিভাবান ক্বারী ও হাফেজ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারবেন। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্বারী ও হাফেজদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদানের আহ্বান জানান। তার ভাষ্য, এ ধরনের স্বীকৃতি নতুন প্রজন্মকে কোরআন শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণে আরো উৎসাহিত করবে এবং বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে।

এএস

নামের আগে ‘শায়খ’ কেন, জানালেন আহমাদুল্লাহ

ইমাম গাজ্জালীর আত্মশুদ্ধির দর্শন

ইসলামের শিক্ষা সম্পদের সঠিক ব্যবহার

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইসলাম

কেন ধর্ম উপদেষ্টা ও বায়তুল মোকাররমের খতিব হতে রাজি হননি শায়খ আহমাদুল্লাহ

ইলম ও খেদমতের অনন্য নাম মাওলানা উবায়দুল হক, হারানোর ১৯ বছর আজ

পাওনাদারকে খুঁজে না পেলে কীভাবে ঋণ শোধ করবেন, ইসলাম কী বলে

ট্যাটু থাকলে কি অজু ও নামাজ শুদ্ধ হবে, যা বলছে ইসলাম

বাবার রহমতের দুয়ার কন্যা

জীবনের ক্যানভাসে আল-বাকারাহ: কালজয়ী ১০ শিক্ষা