প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ে। কখনো পরিবারের অমতে পালিয়ে, কখনো গোপনে। আবার পাত্র বা পাত্রী বিদেশে থাকায় ভিডিও কলেও বিয়ের আয়োজন করেন কেউ কেউ। অনেকে মনে করেন, মসজিদে গিয়ে দুই সাক্ষীর সামনে কবুল বললেই বিয়ে হয়ে যায়। কেউ আবার নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামা বা এফিডেভিট করেই বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারেন। কিন্তু ধর্মীয় বিধান আর রাষ্ট্রীয় আইনে এসব বিয়ের স্বীকৃতি কি এক? ভিডিও কলে বিয়ে করলে তা কি বৈধ হয়? বিয়ে নিবন্ধন না করলে কী ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে?
২৪ বছর বয়সি সালমা সুলতানা (ছদ্মনাম) চার বছর আগে পরিবারের অমতে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে সিলেটে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি মসজিদে একজন হুজুর তাদের বিয়ে পড়ান। সালমা বলেন, ‘আব্বা না মানায় প্রেমিকের সাথে পালিয়ে সিলেট চলে গেছিলাম। সেখানে একটা মসজিদে একজন হুজুর বিয়ে পড়াইছিল, কলেমা পড়ছি, রেজিস্ট্রি হইছে কিনা জানি না।’
চার বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করেননি সালমা। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার মতো অনেকেই আছেন, যারা নিজেদের বিয়ে নিবন্ধিত হয়েছে কি না, সেটি জানেন না। আবার অনেকে শুধু ধর্মীয় রীতি মেনে কবুল বলে বিয়ে করেন। কেউ কেউ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করাকেই বিয়ের আইনি প্রক্রিয়া বলে মনে করেন।
আইনজীবী ও কাজী অফিসসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ধর্মীয় বিধান এবং রাষ্ট্রীয় আইনে বিয়ের স্বীকৃতির বিষয়টি এক নয়। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুই সাক্ষীর উপস্থিতিতে বর-কনে সম্মতি জানিয়ে কবুল বললে বিয়ে ধর্মীয়ভাবে সম্পন্ন হতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় আইনে স্বীকৃতি পেতে বিয়ে নিবন্ধন করা জরুরি।
আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন করতে হয়। মুসলিমদের ক্ষেত্রে নিবন্ধিত নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজীর মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধন করতে হয়। নিবন্ধন না করা হলে সেই বিয়ে রাষ্ট্রীয় আইনে স্বীকৃতি পায় না।
তার ভাষ্য, বাংলাদেশে সব ধর্মের বিয়ের ক্ষেত্রেই নিজ নিজ ধর্মীয় আইন অনুযায়ী নির্ধারিত পদ্ধতিতে নিবন্ধন করতে হয়।
এফিডেভিট করলেই কি বিয়ে হয়?
বাংলাদেশে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে বিয়ে করার কথা প্রায়ই শোনা যায়। তবে আইনজীবীরা বলছেন, এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
শামসুদ্দোহা সুমন বলেন, বিয়ে ও তালাক—দুটিই নিবন্ধিত হতে হয়। মুসলিমদের ক্ষেত্রে এই নিবন্ধনের দায়িত্ব কাজীর। নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে হলফনামা করলেই বিয়ে রাষ্ট্রীয় আইনে বৈধ হয়ে যায় না।
আইনজীবীদের মতে, অনেক সময় বিয়ের বয়স লুকাতে এফিডেভিট করা হয়। কারণ, আইনে নির্ধারিত বয়স পূর্ণ না হলে বিয়ে নিবন্ধন করা যায় না। গত জুলাই মাসে ১৩ বছর বয়সি এক কিশোরীর এফিডেভিটের মাধ্যমে বিয়ের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করেন শামসুদ্দোহা সুমন।
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, বিয়ের ক্ষেত্রে মেয়েদের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর এবং ছেলেদের বয়স কমপক্ষে ২১ বছর হতে হবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং অবৈধ বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন বন্ধে আইন মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে এফিডেভিট করে বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে নির্দেশনা জারি করেছিল।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের একটি সহায়িকায় বলা হয়েছে, বিয়ের ক্ষেত্রে বয়সের শর্ত পূরণের পাশাপাশি বর-কনে উভয়ের সম্মতি থাকতে হবে। সেই সম্মতি হতে হবে স্বেচ্ছায়, কোনো ধরনের জবরদস্তি ছাড়া।
নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে করা বিয়ের আইনি স্বীকৃতি না থাকায় পরবর্তী সময়ে স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে বিভিন্ন অধিকার দাবি করতে জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে জানান শামসুদ্দোহা সুমন। এর মধ্যে রয়েছে কাবিনের টাকা, দেনমোহর, সম্পত্তির ভাগ ও উত্তরাধিকার দাবি। বয়স গোপন করে বাল্যবিবাহের ক্ষেত্রে নোটারি এফিডেভিট ব্যবহার করাও দণ্ডনীয় অপরাধ বলে জানান আইনজীবীরা।
তিনি বলেন, মুসলিমদের বিয়ের ক্ষেত্রে মুসলিম বিবাহ ও বিবাহ বিচ্ছেদ (নিবন্ধন) আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত নিকাহ রেজিস্ট্রার বা কাজীর মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধন করতে হয়। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় আইন ও নির্ধারিত রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে বিয়ে নিবন্ধনের বিধান রয়েছে। নিবন্ধনের পর বিয়ের সনদ সংগ্রহ করাও জরুরি।
ঢাকার উত্তরা কাজী অফিসে বিয়ে পড়ানোর কাজে যুক্ত আহসান উল্লাহ মাসুক বলেন, ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী, দুই সাক্ষীর উপস্থিতিতে বর-কনে উভয়ের সম্মতি এবং দেনমোহর নির্ধারণের মাধ্যমে কবুল বললে ধর্মীয়ভাবে বিয়ে সম্পন্ন হয়। তবে নিবন্ধন না থাকলে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিয়ের স্বীকৃতি পাওয়া যায় না।
তিনি বলেন, ‘বিয়ে রেজিস্ট্রি করা না হলে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পাওয়া যায় না। অনেক ক্ষেত্রে স্বামীর মৃত্যু হলে স্ত্রী তার সম্পত্তির ভাগ যেমন পায় না, তেমনি লাশও বুঝে পায় না। কারণ তার তো কাবিননামা নাই, স্বীকৃতিই নাই।’
আইন অনুযায়ী, বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার এক মাসের মধ্যে তা নিবন্ধন করার দায়িত্ব স্বামীর বলে জানান মাসুক। স্বামী বিয়ে নিবন্ধন না করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি নানা আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।
বিয়ে নিবন্ধনের পর কাজী কাবিননামা দেন। বাংলাদেশের আইনে এই কাবিননামা বিয়ের প্রমাণপত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। নিবন্ধন না থাকলে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ বা যৌতুকের মামলার ক্ষেত্রেও জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে জানান আইনজীবীরা।
পালিয়ে বা গোপনে বিয়ে কি ধর্মীয়ভাবে বৈধ?
পছন্দের মানুষকে বিয়ে করতে গিয়ে অনেকেই পরিবারের অমতে গোপনে বিয়ে করেন। আবার কারো আগে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও তিনি প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে আরেকটি বিয়ে করেন। এসব বিয়ের ধর্মীয় বৈধতা নিয়ে মতভেদ রয়েছে।
আহসান উল্লাহ মাসুক বলেন, গোপনে বা পালিয়ে বিয়ে করার বিষয়ে ইসলামি আলেমদের মধ্যে বিভিন্ন মত রয়েছে। আহলে হাদিসের অনুসারীদের একটি মত অনুযায়ী, বিয়েতে কনের বাবা উপস্থিত না থাকলে সেই বিয়ে জায়েজ নয়। তবে প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের বিয়েতে অভিভাবকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক কি না, তা নিয়ে ভিন্ন মত রয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে অভিভাবকের উপস্থিতি জরুরি বলে জানান তিনি।
শুধু তিনবার কবুল বললেই বিয়ে হয়?
অনেকের ধারণা, বিয়ের সময় তিনবার কবুল বললেই বিয়ে সম্পন্ন হয়ে যায়। তবে কাজী অফিসসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার বিষয়টি শুধু কবুল বলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
আহসান উল্লাহ মাসুক বলেন, বিয়ে পড়ানোর সময় বর-কনেকে দেনমোহরের পরিমাণ জানিয়ে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর তাদের সম্মতি জানতে চাওয়া হয়। তারা কবুল বললে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। সাধারণ মানুষ অনেক সময় এই প্রক্রিয়াকেই ‘কলেমা পড়ে বিয়ে’ বলে থাকেন। কিন্তু বিষয়টি শুধু কলেমা পড়ার নয়।
তার মতে, ধর্মীয়ভাবে বিয়ে সম্পন্ন হলেও বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আইনে স্বীকৃতি পেতে তা নিবন্ধন করতে হবে।
ভিডিও কলে বিয়ে হলে কী হবে?
বাংলাদেশে অনেক পরিবারে পাত্র বা পাত্রী বিদেশে থাকেন। তাদের পক্ষে বিয়ের জন্য দেশে আসা সম্ভব না হলে কখনো কখনো ভিডিও কলের মাধ্যমে বিয়ের আয়োজন করা হয়। এ ধরনের বিয়ের ধর্মীয় বৈধতা নিয়ে ইসলামি আলেমদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
আহসান উল্লাহ মাসুক বলেন, ইসলামি বিধান অনুযায়ী বিয়ে বৈধ হওয়ার জন্য কয়েকটি শর্ত রয়েছে। এর মধ্যে সাক্ষী থাকা জরুরি। ভিডিও কলে বিয়ের ক্ষেত্রে সাক্ষীরা বর-কনেকে চিনলে এবং তাদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত থাকলে অনেক সমসাময়িক আলেম বিয়েটিকে বৈধ বলে মনে করেন।
তবে ভিডিও কলে বিয়ে নিবন্ধনের ক্ষেত্রে জটিলতা রয়েছে বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য, বিয়ে নিবন্ধনের জন্য বর-কনেকে কাজীর সামনে উপস্থিত হয়ে কাগজপত্রে স্বাক্ষর করতে হয়। বিদেশে থাকা ব্যক্তির ক্ষেত্রে তা কীভাবে সম্পন্ন হবে, সেটি একটি বড় প্রশ্ন।
মাসুক বলেন, ‘একজন বিদেশে থাকলে কাজী রেজিস্ট্রি করবেন কীভাবে? কেননা রেজিস্ট্রি করতে হলে উভয়কেই কাজীর সামনে এসে শারীরিকভাবে কাগজে স্বাক্ষর করতে হয়। তাহলেই এটা রেজিস্ট্রি করতে পারেন তিনি। কারণ রেজিস্ট্রার মানেই স্বাক্ষর।’
তিনি জানান, এ ধরনের বিয়েতে কখনো কখনো বর বা কনের অনুপস্থিতিতে তাদের অভিভাবকেরা স্বাক্ষর করে দেন।
তারা জানান, অনুপস্থিত ব্যক্তি দুই-তিন মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন। কিন্তু এর আগেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে অনুপস্থিত ব্যক্তি বিয়ে করার বিষয়টি অস্বীকার করতে পারেন। তিনি বলতে পারেন, বিয়ের কাগজে তার স্বাক্ষর নেই। এতে বিয়ে পড়ানো কাজীও বিপাকে পড়তে পারেন। এমনকি তার লাইসেন্স নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে জানান মাসুক।
তার মতে, ধর্মীয়ভাবে বিয়ে বৈধ বলে বিবেচিত হলেও নিবন্ধন না থাকলে রাষ্ট্রীয় আইনে তা স্বীকৃতি পেতে সমস্যা হয়।
ভিন্ন ধর্মের দুজনের বিয়ে কোন আইনে?
ভিন্ন ধর্মের দুজন মানুষ নিজেদের ধর্ম পরিবর্তন না করেও বাংলাদেশে বিয়ে করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন-১৮৭২-এর আওতায় বিয়ে করার সুযোগ রয়েছে।
প্রতীক আকবর ও ডোলোরেস দোলা কোরাইয়া দুই বছর প্রেমের সম্পর্কের পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু প্রতীকের মুসলিম পরিবারের কেউই তার চেয়ে ছয় বছরের বড় ভিন্নধর্মী একজন নারীকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত মেনে নেননি। দোলোরেসের পরিবারও প্রথমে রাজি ছিল না। পরে অবশ্য মেয়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে বাধ্য হয়।
প্রতীক আকবর বলেন, তারা ধর্ম পরিবর্তন না করে বিয়ে করার উপায় খুঁজছিলেন। মুসলিম কাজী অফিসে যোগাযোগ করলে তাকে জানানো হয়, কনে ধর্ম পরিবর্তন করলে বিয়ে করা সম্ভব। পরে তারা বিশেষ বিবাহ আইন-১৮৭২ সম্পর্কে জানতে পারেন। এই আইনের আওতায় নিজেদের ধর্ম বজায় রেখেই বিয়ে করেন তারা। পাশাপাশি দোলোরেসের পরিবার ও সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে খ্রিস্টধর্মের রীতি অনুযায়ী গির্জায়ও বিয়ে করেন।
একসময় ঢাকার পাটুয়াটুলির ব্রাহ্ম সমাজ কার্যালয়ে সরকার অনুমোদিত একজন বিশেষ বিবাহ রেজিস্ট্রার এ আইনে ভিন্নধর্মীদের বিয়ে নিবন্ধন করতেন। তিনি মারা যাওয়ার পর বর্তমানে আরেকজন সিভিল রেজিস্ট্রার এ আইনে বিয়ে ও নিবন্ধনের কাজ করছেন।
বিশেষ বিবাহ আইনে বিয়ের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত রয়েছে। সেগুলো হলো—
অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন ধর্মের দুই ব্যক্তি বিয়ে করতে চাইলে তাদের একজন স্বেচ্ছায় ইসলাম বা অন্য কোনো ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর নতুন ধর্মের রীতি এবং সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন করেন। মুসলিমদের ক্ষেত্রে এ ধরনের বিয়েতে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ-১৯৬১-সহ প্রাসঙ্গিক আইন অনুসরণ করতে হয়।
কোন কোন ক্ষেত্রে বিয়ে অবৈধ হতে পারে?
বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী, কিছু পরিস্থিতিতে বিয়ে অবৈধ হতে পারে। কাজী অফিসসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করেছেন—
বিয়ে শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে স্বামী-স্ত্রীর আইনি অধিকার, দেনমোহর, সম্পত্তি ও উত্তরাধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই বিয়ের আগে ধর্মীয় বিধান সম্পর্কে জানার পাশাপাশি প্রচলিত আইন অনুযায়ী নিবন্ধন সম্পন্ন করা জরুরি। ভিডিও কল, এফিডেভিট কিংবা শুধু কবুল বলার মাধ্যমে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে মনে করলেও নিবন্ধনের বিষয়টি উপেক্ষা করলে পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে।
এএম