সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিনে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন নাহিদ রানা। পাকিস্তানের ৪০০ রানের লক্ষ্যে ধস নামানোর অন্যতম কারিগর এই পেসার। প্রতিপক্ষের সেট ব্যাটার বাবর আজমকে আউট করে মুড়িয়ে দিয়েছেন ইনিংস। দিন শেষে দারুণ আত্মবিশ্বাসী দেখাল তরুণ পেসারকে। পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামিয়ে দেওয়া এই গতিতারকা জানান, কোনো নির্দিষ্ট ব্যাটার নয়, তার কাছে প্রতিটি উইকেটই সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরো জানান, আগামীকাল সারা দিন ব্যাটিং করেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরো শক্ত করতে চায় বাংলাদেশ।
সংবাদ সম্মেলনে বাবর আজমকে টানা তৃতীয়বারের মতো টেস্টে আউট করা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে নাহিদ বলেন, ‘আসলে প্রত্যেকটা ব্যাটারকেই আউট করতে মজা লাগে। কারণ, প্রতিটি উইকেটই আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং আমার টিমের জন্য। আমি জাস্ট আমার প্রসেসের মধ্যে থাকার চেষ্টা করি এবং চেষ্টা করি যে কীভাবে আমার প্ল্যান এক্সিকিউট করে আমার টিমকে হেল্প করা যায়।’
বাবরকে আউট করার ডেলিভারিটি নিয়েও ব্যাখ্যা দেন এই পেসার। আগের বলটি ১৪৯ কিলোমিটার গতিতে করার পর হঠাৎ গতি কমিয়ে ১৪৪ কিলোমিটারের বলে বাবরকে ফাঁদে ফেলেন তিনি। নাহিদ বলেন, ‘আপনি কোয়ালিটি ব্যাটারকে বলিং করেন, আপনার পেসে কিংবা স্কিলে একটু ডিফারেন্ট কিছু আনলে তারা আনইজি ফিল করে। আমি জাস্ট চেষ্টা করছি, আলহামদুলিল্লাহ এক্সিকিউট হয়েছে।’
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের পরিকল্পনা নিয়েও পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন নাহিদ। তার মতে, এখনই নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য ঠিক করছে না দল। বরং যত দীর্ঘ সময় সম্ভব ব্যাটিং করাই মূল উদ্দেশ্য। নাহিদের ভাষায়, ‘আমরা কালকে যতক্ষণ পারব ব্যাটিং করব। সেরকম কোনো টার্গেট নেই যে, ২০০ কিংবা ২৫০, ৩০০ দিতে হবে। কারণ, অনেক টাইম পড়ে আছে। কালকের পরে আরো দুদিন আছে। তো আমরা চেষ্টা করব কালকে পুরো দিন ব্যাটিং করার।’
দুই দিনের ম্যাচে বাংলাদেশের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে নাহিদ কৃতিত্ব দিয়েছেন লিটন দাসের ইনিংসকে। তিনি বলেন, ‘আমি বলব আমাদের টার্নিং পয়েন্টটা ছিল লিটন দার ব্যাটিং। তারপর শেষের দিকে তাইজুল ভাই, তাসকিন ভাই, শরিফুলদের ব্যাটিং। যদি লিটন দার সেঞ্চুরিটা না হতো, তাহলে আমরা একটু ব্যাকফুটে থাকতাম।’