টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামানের উদ্বোধন জুটিতে বড় সংগ্রহের ভিত পায় পাকিস্তান। তাদের দুজনের ১৭৬ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ভর করে ৮ উইকেটে ২১২ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস। জবাবে, ৬ উইকেটে ২০৭ রানে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। তাতে লঙ্কানরা ম্যাচ হারলেও সেমি-ফাইনালে ওঠা হয়নি পাকিস্তানের।
পাল্লেকেলেতে আগে ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন আনে পাকিস্তান। সাহিবজাদা ফারহানের সঙ্গে নামেন ফখির জামান। দুজনে মিলে যোগ করেন ১৭৬ রান। ওপেনিং জুটির ওই দারুণ শুরুর পর আর ভালো করতে পারেনি পাকিস্তানের কোন ব্যাটাররা। সবাই ছিলেন যাওয়া আসার মিছিলে। এবারের আসরে দ্বিতীয় সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া ফারহান থামেন ১০০ রানে। আর ফখর আউট হন ৮৪ রানে।
শ্রীলঙ্কার হয়ে দিলশান মাদুশঙ্কা ৩৩ রানে নেন তিন উইকেট। আর দাসুন শানাকা ৪২ রানে নেন দুই উইকেট।
২১৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ওপেনার কামিল মিশারা ২৬ রান করেন। মিডল অর্ডারে হাল ধরেন পাভান রত্নানায়েকে ২৮ বলে খেলেন ৫৬ রানের ঝড়ো ইনিংস। এছাড়া শেষদিক্র দাসুন শানাকা ৩১ বলে করেন ৭৬ রান। তাতে ৬ উইকেটে ২০৭ রানে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে আবরার আহমেদ ২৩ রানে নেন তিন উইকেট।
২১২ রানের বিশাল পুঁজি পাওয়া পাকিস্তানের সেমিতে ওঠার সমীকরণ ছিল কঠিন। রানরেটের ব্যবধান কমাতে লঙ্কানদের ১৪৭ রানের মধ্যে গুটিয়ে দিতে হতো। তবে সেই পথে হাঁটতে পারেনি পাকিস্তান। ফলে সুপার এইট থেকেই বেজে গেল দলটির বিদায় ঘণ্টা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
পাকিস্তান: ২১২/৮, ২০ ওভার (ফারহান ১০০, ফখর ৮৪, মাদুশঙ্কা ৩/৩৩)।
শ্রীলঙ্কা: -২০৭/৬, ২০ ওভার (শানাকা ৭৬*, রত্নানায়েকে ৫৮, আবরার ৩/২৩)।
ফল: -পাকিস্তান ৫ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা:- সাহিবজাদা ফারহান।