টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে হবে রানবন্যা- এমন আশা ছিল আগ থেকেই। হয়েছে সেটাই। আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ঝড় তোলেন ভারতীয় ওপেনার সাঞ্জু স্যামসন। তার ৮৯ রানে ভর করে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ২৫৩ রান। জবাবে, দারুণ ব্যাটিং করা ইংল্যান্ডের ইনিংস থামে ৭ উইকেটে ২৪৬ রানে।
আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। দলীয় ২০ রানে ফেরেন ওপেনার অভিষেক শর্মা। তাতে থেমে যায়নি ভারতীয় ব্যাটিং তান্ডব। একপ্রান্ত আগলে রেখে ঝড় তোলেন দলকে সেমিফাইনালে তোলার নায়ক স্যামসন। ৪২ বলে ৮ চার ও ৭ ছক্কায় করেন ৮৯ রান।
তার দেখানো পথে হাঁটেন ঈশান কিষাণ-শিভম দুবেরা। ঈশান ১৮ বলে ৩৮ ও দুবে ২৫ বলে করেন ৫৪ রান। তাতেই মূলত ২৫৩ রানের বড় পুঁজি পায় ভারত। ইংল্যান্ডের হয়ে উইল জ্যাকস ৪০ রানে নেন দুই উইকেট।
২৫৪ রানের বিশাল লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলীয় ৬৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে ইংল্যান্ড। মনে হচ্ছিল ম্যাচ থেকে ছিটকে গেছে ইংলিশরা। তবে জ্যাকব বেথেলের ইনিংস তখনও বাকি ছিল। শেষ ওভারের প্রথম বলে রানআউট হওয়ার আগে ৪৮ বলে ১০৫ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তাতেই মূলত জয়ের আশা জাগায়।
তাকে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করেন উইল জ্যাকস। ২০ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এক প্রান্ত আগলে রাখা এই বেথেলকে পুরো ইনিংসে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি কেউ। তাতেই ম্যাচ হেরে যায় ইংলিশরা। শেষ ওভার পর্যন্ত আশা বাঁচিয়ে রেখেও নিশ্চিত করতে পারেনি জয়।
ভারতের হয়ে হার্দিক পান্ডিয়া ৩৮ রানে নেন দুই উইকেট।
আগামী ৮ মার্চ ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে ভারত। ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ভারত: ২৫৩/৭, ২০ ওভার (স্যামসন ৮৯, দুবে ৪৩, জ্যাকস ২/৪০)।
ইংল্যান্ড: ২৪৬/৭, ২০ ওভার (বেথেল ১০৫, জ্যাকস ৩৫, পান্ডিয়া ২/৩৮)।
ফল: ভারত ৭ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: -সাঞ্জু স্যামসন।