ঢাকা টেস্টে প্রথম সেশনের পর দ্বিতীয় সেশনটাও দারুণভাবে পার করল বাংলাদেশ। চা বিরতির আগে ৩ উইকেটে ১৭৭ রান করেছে টাইগাররা। দ্বিতীয় সেশনে ১ উইকেট হারিয়ে ৮১ রান যোগ করতে পেরেছেন সাদমান ইসলাম-তাওহীদ হৃদয়রা।
মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে বুধবার টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম সেশনে ২ উইকেটে ৯৬ রান করে বাংলাদেশ। মধ্যাহ্নবিরতির পর ব্যাটিংয়ে নেমে ১৪ রান যোগ করতেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারায় টাইগাররা।
ওয়ারিক্যানের বলে সুইপ খেলতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন শান্ত। শুরুতে আম্পায়ার আউট না দিলেও রিভিউ নিয়ে উইকেট আদায় করে নেয় ক্যারিবীয়রা। ১৯ রান করে আউট হয়েছেন শান্ত।
শান্তর বিদায়ের পর রানের গতি একটু কমলেও কোনো বিপদ আসতে দেননি হৃদয় এবং সাদমান। দেখেশুনে খেলে দ্বিতীয় সেশন পার করে দিয়েছেন তিনি। দুজনে মিলে গড়েছেন ৬৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি। সাদমান অপরাজিত আছেন ৭৯ রানে। হৃদয় করেছেন ৩৬ রান।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। দলীয় ৯ রানে জেইডন সিলসের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। সিলসের অফ স্টাম্পের কাছে লেংথ বলটি বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছিল। কাভার দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন তানজিদ, কিন্তু ব্যাটের বাইরের কানায় লেগে বল চলে যায় দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়ানো গ্রিভসের হাতে।
দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়েন মুমিনুল হক এবং সাদমান ইসলাম। ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি মুমিনুল হক।
২৮ রান করে ফেরেন তিনি। জোমেল ওয়ারিকানের মিডল ও অফ স্টাম্প বরাবর হাওয়ায় ভাসানো বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে মারতে গিয়ে মিড অফে দাঁড়ানো শামার জোসেফের হাতে ক্যাচ দেন।
তবে ২৮ রানের এই ইনিংসে একটি মাইলফলক গড়েছেন মুমিনুল। এদিন ১১ রান করে বাংলাদেশের তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।