লিওনেল মেসির দুর্দান্ত নৈপুণ্যও শেষ পর্যন্ত হার এড়াতে পারল না ইন্টার মিয়ামিকে। নতুন মাঠ ‘নু স্টেডিয়াম’-এ আবারও জয়ের মুখ না দেখেই মাঠ ছাড়তে হয়েছে দলটিকে। ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৪-৩ গোলে ওরল্যান্ডো সিটির কাছে অবিশ্বাস্যভাবে হেরেছে তারা।
ম্যাচে এক গোল ও দুই অ্যাসিস্ট করে শুরুটা দারুণই করেছিলেন মেসি। প্রথমার্ধেই মিয়ামি যেন জয় নিশ্চিত করে ফেলেছিল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে হঠাৎ ভেঙে পড়ে তাদের রক্ষণভাগ, আর তাতেই ম্যাচ হাতছাড়া হয়ে যায়।
খেলার চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় মিয়ামি। মেসির পাস থেকে তেলাস্কো সেগোভিয়ার ক্রসে হেড করে গোল করেন ইয়ান ফ্রে। ২৫ মিনিটে আবার মেসির দারুণ পাস থেকে গোল করেন সেগোভিয়া। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই নিজের স্বভাবসুলভ বাঁকানো শটে তৃতীয় গোলটি করেন মেসি।
৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মিয়ামি তখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে ছিল ম্যাচের। বল দখল ও আক্রমণে ছিল তাদের আধিপত্য। কিন্তু ৩৯ মিনিটে মার্টিন ওজেদার গোলেই ম্যাচে ফেরে ওরল্যান্ডো। এরপর দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি।
৬৮ মিনিটে ব্যবধান কমানোর পর ৭৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরায় ওরল্যান্ডো। আর নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে টাইরিস স্পাইসারের গোলেই নিশ্চিত হয় মিয়ামির অবিশ্বাস্য হার।
পুরো ম্যাচে ৬৪ শতাংশ বল দখল ও ২৬টি শট নিয়েও জয় পায়নি মায়ামি। উল্টো কম সুযোগ কাজে লাগিয়ে টানা চার গোল করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয় ওরল্যান্ডো।
এই হারের পর মিয়ামির রক্ষণভাগের দুর্বলতা ও নতুন মাঠে ধারাবাহিক ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অন্যদিকে, মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সও থেকে গেল হারার আক্ষেপে।