হামজা চৌধুরী অনুপস্থিত। শেষ মুহূর্তে চোট পেলেন তপু বর্মণও। তাই বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছাড়াই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে খেলতে নামে বাংলাদেশ। জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবলের পসরা সাজায় কোচ টমাস ডুলির দল।
বাংলাদেশের একের পর এক আক্রমণে তটস্থ হয়ে পড়ে ভুটান দল। স্বাগতিকদের আক্রমণ ঠেকানোই যেন দায় হয়ে পড়ে তাদের। কিন্তু আধিপত্য বিস্তার করে খেললেও বিরতির আগে গোলের মুখ খুলতে পারল না বাংলাদেশ। গোল না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধের খেলা শেষ করে তারা।
গোলের অনেক সুযোগ তৈরি করেছিলেন রাকিব, জামাল, বিশ্বনাথরা। কিন্তু সফল হয়নি তারা। ৫ মিনিটে ডান দিক থেকে রাকিব ক্রস বাড়িয়েছিলেন বিশ্বনাথের দিকে। কিন্তু ভুটানের রক্ষণভাগের বাধায় বল ধরে রাখতে পারেননি বিশ্বনাথ। অবশ্য বক্সের মধ্যে বল পেয়ে জোড়ালো শট নিলেও গোল পাননি জামাল।
১৭ মিনিটে গোলের আরেকটি সম্ভাবনা তৈরি হয়। রাকিবের ক্রসে হেড নিয়েছিলেন বিশ্বনাথ। কিন্তু বল চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। ২২ মিনিটে জামালের লক্ষ্যভ্রষ্ট শটে বল গোলপোস্টের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। ২৬ মিনিটে কর্নার থেকে ভুটানের গোলমুখে আতঙ্ক ছড়ান। ৩৯ মিনিটে ডান দিক থেকে বক্সের মধ্যে বল পেয়ে গিয়েছিলেন বিশ্বনাথ। কিন্তু শট নিলেও বল লক্ষ্যে রাখতে পারেননি এই ডিফেন্ডার। এরপর ডান দিক থেকে রাকিব পাস দিয়েছিলেন। কিন্তু এ যাত্রায় গোলরক্ষকের দক্ষতায় বেঁচে যায় ভুটান।