যুক্তরাজ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার করোনাভাইরাস মহামারির বছর ২০২০ বাদ দিলে ১৯৯৮ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। শুক্রবার প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর আনাদোলুর।
যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান দপ্তর (ওএনএস) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি দেশটির আনুমানিক জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯৫ লাখে। আগের ১২ মাসে জনসংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৬৬৫ জন, যা ০.৩৩ শতাংশ বৃদ্ধির সমান।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে যাওয়ার প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অভিবাসন উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়া। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এক বছরে যুক্তরাজ্যে নিট আন্তর্জাতিক অভিবাসন কমে দাঁড়িয়েছে আনুমানিক ২ লাখ ২২ হাজার ৯০০ জনে। এর আগের ১২ মাসে এই সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৫১ হাজার ৭০০।
নিট অভিবাসন বলতে দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাজ্যে আসা মানুষের সংখ্যা থেকে দেশটি ছেড়ে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বাদ দেওয়ার পর পাওয়া হিসাবকে বোঝায়।
এর আগে কয়েক বছর যুক্তরাজ্যের জনসংখ্যা তুলনামূলক দ্রুত বেড়েছিল। ২০২২ সালে ১.০৫ শতাংশ, ২০২৩ সালে ১.৩৪ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ০.৯৭ শতাংশ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ওই সময়ে নিট আন্তর্জাতিক অভিবাসন বৃদ্ধির বড় ভূমিকা ছিল।
এদিকে, জন্মহার মৃত্যুহারের চেয়ে সামান্য বেশি থাকায় স্বাভাবিক জনসংখ্যা বৃদ্ধিও অব্যাহত রয়েছে। তবে জন্ম ও মৃত্যুর ব্যবধান ক্রমেই কমে আসছে।
যুক্তরাজ্যের চার অঞ্চলে জনসংখ্যার চিত্রও একরকম নয়। এক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো ওয়েলসে জনসংখ্যা কমেছে। স্কটল্যান্ড ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে প্রায় কোনো প্রবৃদ্ধি হয়নি। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের একমাত্র অঞ্চল হিসেবে ইংল্যান্ডে সামান্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।
এমএমআর