গাজায় ইসরাইলের গণহত্যায় যুক্তরাজ্যের সম্পৃক্ততা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের দাবিতে করা অনলাইন পিটিশনে স্বাক্ষরকারীর সংখ্যা ৯১ হাজার ছাড়িয়েছে। পার্লামেন্টে এ বিষয়ে বিতর্কের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় এক লাখ স্বাক্ষরের লক্ষ্যমাত্রার দিকে দ্রুত এগোচ্ছে পিটিশনটি।
গত ২৩ অক্টোবর ইয়োর পার্টির প্রধান জেনিফার ফোর্বস পিটিশনটি চালু করেন। এতে গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানে যুক্তরাজ্যের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে একটি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ইসরাইলকে অস্ত্র সরবরাহ, নজরদারি বিমান পরিচালনা এবং রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) ঘাঁটি ব্যবহারের বিষয়গুলো তদন্তের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত তদন্ত কমিশনের মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করার ক্ষমতাও থাকবে।
এর আগে তদন্তের দাবিতে জেরেমি করবিনের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাজ্য সরকার। গত ১৯ অক্টোবর দেওয়া এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি বলেন, পার্লামেন্টে বিদ্যমান জবাবদিহি ও নজরদারির ব্যবস্থাই এ বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য যথেষ্ট। ফলে আলাদা করে তদন্তের প্রয়োজন নেই।
গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে করবিন বলেন, ‘গাজায় ইসরাইলের হামলায় ব্রিটেনের ভূমিকা সম্পর্কে জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। অস্ত্র বিক্রি, আরএএফের ঘাঁটি ব্যবহার, নজরদারি বিমান পরিচালনা এবং গণহত্যা সংক্রান্ত আইনি পরামর্শ—সবকিছু নিয়েই জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের যদি গোপন করার মতো কিছু না থাকে, তাহলে তারা জবাবদিহি থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে কেন?’
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ