হোম > বিশ্ব

ককরোচ পার্টির পর ভারতে এবার প্যারাসাইটিক ফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ

আমার দেশ অনলাইন

‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পর এবার ভারতে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘ন্যাশনাল প্যারাসাইটিক ফ্রন্ট, এনপিএফ’। সিজেপি ও এনপিএফ উভয়ই ‘পলিটিক্যাল স্যাটায়ার মুভমেন্ট’ বা রাজনৈতিক ব্যঙ্গ আন্দোলন থেকে তৈরি হওয়া দু’টি গোষ্ঠী। রাজনীতি, মূল্যস্ফীতি এবং বেকারত্বের মতো গুরুতর বিষয়গুলো হাস্যরসের ছলে তুলে ধরে দুল দু’টি।

সিজেপি ও এনপিএফ উভয় দলই তৈরি হয়েছে মূলত জেন-জ়িদের নিয়ে। তাদের ‘পলিটিক্যাল স্যাটায়ার’ তরুণ প্রজন্মকে প্রতিবাদের রসদ জোগাচ্ছে।

এর সূত্রপাত বেকার তরুণ-তরুণীদের একাংশ ‘তেলাপোকা’র মতো আচরণ করেন বলে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করার পর। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির মতে, ওই তরুণ-তরুণীরা কোনো পেশায় স্থান না পেয়ে সাংবাদিক, সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারী বা তথ্য অধিকার কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন ও সকলকে আক্রমণ করেন।

যদিও প্রধান বিচারপতি পরে স্পষ্ট করেন যে, তার মন্তব্য ভুলভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে এবং বেকার যুবসমাজের সমালোচনা করার উদ্দেশ্যে তিনি ওই মন্তব্য করেননি।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের ওই মন্তব্যের পর অনলাইনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলে বেকার তরুণ-তরুণীদের একাংশ সংগঠিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। জন্ম হয় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির। তারা একটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক দল হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে নেটমাধ্যমে। শুরু হয় নেটমাধ্যমে দলের সদস্য সংগ্রহের কাজও।

ইনস্টাগ্রামে সিজেপি দলের ফলোয়ারের সংখ্যা পৌঁছে গিয়েছে এক কোটির কাছাকাছি। ছাপিয়ে গিয়েছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের সরকারি ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডলের ফলোয়ারের সংখ্যাকেও।

এদিকে, ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপির পরেই তৈরি হয়েছে ‘ন্যাশনাল প্যারাসাইটিক ফ্রন্ট’ বা এনপিএফ।

সিজেপি যেখানে ‘অলস এবং বেকার’দের প্রতিনিধিত্ব করছে, সেখানে এনপিএফ খুঁজছে প্রতিবাদীদের, যারা সমাজব্যবস্থার চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করতে পারবে। জাতীয় প্রতিরোধ আন্দোলনের আদলে গড়া এই ফ্রন্টটি অতিরঞ্জিত বিপ্লবী ভাষা, ব্যঙ্গ এবং বিদ্রূপের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে তৈরি হয়েছে।

এনপিএফের বার্তায় ‘পরজীবী’দের একটি ভঙ্গুর ব্যবস্থার মধ্যে টিকে থাকা নাগরিক হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে, যা অভিজাত রাজনৈতিক বাগাড়ম্বরের প্রতি একটি শ্লেষাত্মক জবাব। তবে সিজেপি-র মতো, এনপিএফও বেকারত্ব, রাজনৈতিক সুবিধা এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিচ্ছিন্নতা নিয়ে তরুণদের ক্ষোভকে প্রকাশ করতে ব্যঙ্গকেই হাতিয়ার করেছে।

নিজেদের আনুষ্ঠানিক ভাবে বর্ণনা করে এনপিএফ বলেছে, ‘তারা এমন একদল নাগরিকের আন্দোলন, যারা শাসনব্যবস্থাকে নাটক হিসেবে মেনে নিতে নারাজ। আমরা অপরাধমুক্ত সংসদের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছি। শিক্ষিত প্রতিনিধিদের ব্যাপারেও আমরা সত্যিকারের চিন্তাভাবনা করছি।’ এনপিএফের ওয়েবসাইটে আরো বলা হয়েছে যে নামটি ইচ্ছাকৃত ভাবে দেওয়া। সেখানে লেখা হয়েছে, ‘আমরা একটি ভঙ্গুর ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। তবে এর থেকে ফায়দা তোলার জন্য নয়, বরং ভেতর থেকে একে পরিবর্তন করতে তৈরি আমরা।’

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

আরএ

হরমুজে টোল আরোপ কারো মেনে নেওয়া উচিত নয়: রুবিও

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

মুনাফাখোরদের ওপর কর বসাচ্ছে ফ্রান্স

ইরান যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও

অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য চায় ব্রিটিশ পুলিশ

বল প্রয়োগের হুমকি দেওয়া বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে চীনের আহ্বান

দিল্লিতে কোরবানি নিয়ে কঠোর বিধিনিষেধ

ভারতের উত্তর প্রদেশে তীব্র দাবদাহ, ১০ জেলায় রেড অ্যালার্ট

যেভাবে গড়ে উঠেছে চীন-পাকিস্তানের ৭৫ বছরের ভ্রাতৃত্ব

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ শুরু