হোম > বিশ্ব

পশ্চিমবঙ্গে স্কুল-মাদ্রাসায় আজ থেকেই বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত

গ্রীষ্মের ছুটির পর আজ সোমবার থেকে খুলেছে পশ্চিমবঙ্গের স্কুল ও মাদরাসা। প্রথম দিন থেকেই কার্যকর হচ্ছে নতুন প্রার্থনা গানের নির্দেশিকা। শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, আজ থেকে প্রতিদিন বিদ্যালয়ের অ্যাসেম্বলি বা প্রার্থনা পর্বে জাতীয় সংগীতের পাশাপাশি গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’ গান। স্কুলগুলোতে ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি, আর মাদরাসাগুলোতেও সরকারি নির্দেশ মেনে এই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।

শিক্ষা দপ্তরের নির্দেশে বলা হয়েছে, বন্দে মাতরম গানের পুরোটাই গাইতে হবে। গানটি গাইতে প্রায় ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড সময় লাগে। এর সঙ্গে জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’ যুক্ত হলে প্রার্থনাপর্বের সময় আরো কিছুটা বাড়বে। ফলে বিভিন্ন স্কুলে সকালের সমাবেশের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

অনেক শিক্ষকই জানিয়েছেন, অনেক শিক্ষার্থীর পুরো গানটা মুখস্থ হয়নি। তাই তাদের সুবিধার্থে মোবাইলে গান বাজিয়ে গলা মেলানোর ব্যবস্থা করছেন শিক্ষকেরা। প্রথম কয়েক দিন গানটি বাজিয়ে অনুশীলনের সময় দেওয়া হবে। সব ছাত্র-ছাত্রীর মুখস্থ হয়ে গেলে তারপরে গান বাজানো বন্ধ করে দেওয়া হবে।

রাজ্যের সব মাদরাসায়ও ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে খুলছে মাদরাসাগুলোও। মাদরাসার প্রধান শিক্ষকদের একাংশের মতে, প্রথম দুটি পঙ্‌ক্তি গাওয়ায় কোনো অসুবিধা নেই। তবে পুরো গান গাওয়ার ক্ষেত্রে যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে প্রধান শিক্ষকেরা জানান, আপাতত সরকারি নির্দেশিকা মেনে চলবেন তারা।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

আরএ

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভকারীদের ৬৫টি কর্মসূচি, গ্রেপ্তার ২৭ জন

আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত, তবে যুদ্ধের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না ইরান: আরাগচি

ফ্রান্সে ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অবরোধের ঘোষণা শিক্ষার্থী সংগঠনগুলোর

লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি সংগঠনের পক্ষে বিক্ষোভ, শত শত গ্রেপ্তারের আশঙ্কা

কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ঘেরাও করল বঙ্গসেনা

আফগানিস্তান ছেড়ে পালানো শরণার্থীদের পাকিস্তানে পাঠানোর পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই প্রতিদিন স্বজন হারাচ্ছেন গাজাবাসী, ৪৮ ঘণ্টায় নিহত ৬

ফের হামলার দুঃসাহস দেখালে যুদ্ধ বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে: ইরান

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ নয়, শান্তি ফেরানোর আহ্বান সৌদি আরবের

শত্রুর হামলার জবাব দিতে ভৌগোলিক সীমা মানবে না ইরান: মোজতবা খামেনি