হোম > বিশ্ব

বদলে যাচ্ছে যুদ্ধের ধরন, পুরোনো কৌশলে মিলছে না সমাধান

এজাজ হায়দারের বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধ

ডন

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত—আধুনিক যুদ্ধ এখন আর শুধু যুদ্ধক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নেই। ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার হামলা, অর্থনৈতিক চাপ ও জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে। সামরিক শক্তিতে এগিয়ে থাকলেই যে দ্রুত জয় নিশ্চিত, বর্তমান বিশ্বের যুদ্ধগুলো সেই ধারণাকেই চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।

আধুনিক বিশ্বের যুদ্ধগুলো ক্রমেই দীর্ঘস্থায়ী, বহুমাত্রিক ও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে। একসময় সামরিক অভিযানের সাফল্য নির্ধারিত হতো মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুপক্ষকে পরাজিত করার মাধ্যমে। কিন্তু এখন সামরিক অভিযান থেকে শুরু করে জ্বালানি বাজার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, নৌপথ, আর্থিক ব্যবস্থা ও সাইবার জগৎ—সবই সংঘাতের অংশ হয়ে উঠেছে। আধুনিক যুদ্ধের এই পরিবর্তিত বাস্তবতা স্পষ্ট। চলমান যুদ্ধ থেকে শিক্ষা নেওয়া জরুরি হলেও একটি যুদ্ধের অভিজ্ঞতাকে অন্য সব সংঘাতের ক্ষেত্রে একইভাবে প্রয়োগ করা বিপজ্জনক।

যুদ্ধের প্রভাব এখন যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়িয়ে বহুদূর

প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতি যুদ্ধের চরিত্র বদলে দিয়েছে। বিশেষ করে ড্রোন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার অস্ত্র এবং স্যাটেলাইট যোগাযোগ সামরিক অভিযানের গতি ও কার্যকারিতা বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে এসব প্রযুক্তি যুদ্ধের ঝুঁকি আরো বিস্তৃত করেছে।

এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে জ্বালানি বাজারেও। হরমুজ প্রণালিতে চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে শুধু সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের দেশগুলো নয়, বিশ্ববাজারেও তেল ও অন্যান্য পণ্যের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়। একইভাবে রাশিয়ার তেল শোধনাগারে ইউক্রেনের হামলা মস্কোর সামরিক সক্ষমতায় প্রভাব ফেলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে।

যুদ্ধের এই বহুমুখী প্রভাবকে বিশ্লেষক হায়দার সংঘাতের ক্রমবর্ধমান জটিলতার অংশ হিসেবে দেখেছেন। আন্ডারস্ট্যান্ডিং দ্য নিউ এজ অভ ওয়ার শীর্ষক নিবন্ধে দেয়া ব্যাখ্যা হচ্ছে, একটি সামরিক পদক্ষেপের ফলাফল এখন আর কেবল তাৎক্ষণিক যুদ্ধক্ষেত্রের ক্ষয়ক্ষতি দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। এর পরোক্ষ প্রভাবও অনেক সময় মূল সামরিক অভিযানের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

শক্তিশালী পক্ষের জন্যও জয় অনিশ্চিত

আধুনিক যুদ্ধের অন্যতম বড় সমস্যা হলো—কখন এবং কীভাবে যুদ্ধ শেষ হবে, তা নির্ধারণ করা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়ছে। সামরিক অভিযানে সাফল্য অর্জন করলেও রাজনৈতিক লক্ষ্য পূরণ সব সময় সম্ভব হয় না।

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতগুলোতে এই জটিলতা দেখা যাচ্ছে। শক্তিশালী সামরিক বাহিনী প্রতিপক্ষের অবকাঠামো ধ্বংস করতে কিংবা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম হলেও প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা অনেক কঠিন।

অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল পক্ষ সরাসরি বড় যুদ্ধে না জড়িয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ, গেরিলা কৌশল, ড্রোন হামলা ও সরবরাহব্যবস্থায় আঘাতের মাধ্যমে শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে। ফলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয় এবং সামরিক সাফল্য ও চূড়ান্ত বিজয়ের মধ্যে ব্যবধান তৈরি হয়।

এ ধরনের সংঘাতে একাধিক দফায় লড়াই, সাময়িক যুদ্ধবিরতি এবং নতুন করে সংঘর্ষ শুরুর প্রবণতাও বাড়ে। ফলে একটি যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটলেও বৃহত্তর সংঘাতের অবসান নাও হতে পারে।

অস্ত্রের পাশাপাশি প্রয়োজন উৎপাদনক্ষমতা

আধুনিক যুদ্ধে শুধু উন্নত অস্ত্রের মালিক হওয়া যথেষ্ট নয়; দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালানোর মতো গোলাবারুদ, ক্ষেপণাস্ত্র, যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের সক্ষমতাও জরুরি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প উৎপাদন ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন মিত্রশক্তির সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক অস্ত্রের উৎপাদনব্যবস্থা জটিল ও ব্যয়বহুল হওয়ায় দ্রুত বিপুলসংখ্যক অস্ত্র তৈরি করা অনেক দেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত কমে গেলে সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই মোট অর্থনৈতিক সক্ষমতা বা প্রতিরক্ষা বাজেটের পরিমাণের পাশাপাশি শিল্পকারখানার উৎপাদনক্ষমতা এবং সরবরাহব্যবস্থার স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা বা ‘সাসটেইনমেন্ট’ ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ক্ষয়ক্ষতির চাপ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।

ড্রোনের যুগে বদলাচ্ছে সামরিক হিসাব

আধুনিক যুদ্ধের অন্যতম দৃশ্যমান পরিবর্তন ড্রোনের ব্যাপক ব্যবহার। তুলনামূলক কম খরচে তৈরি করা যায়—এমন ড্রোনও গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা, সরবরাহব্যবস্থা ও সেনাদের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দেখিয়েছে, ড্রোনের পাশাপাশি পাল্টা ড্রোন প্রযুক্তি, স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং যুদ্ধক্ষেত্র থেকে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের সক্ষমতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। যুদ্ধক্ষেত্রে পাওয়া অভিজ্ঞতা দ্রুত প্রকৌশলী ও অস্ত্র প্রস্তুতকারকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে। এরপর নতুন প্রযুক্তি ও কৌশল তৈরি করে সেগুলো আবার যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এই দ্রুত পরিবর্তনের ফলে কোনো একটি অস্ত্র বা সামরিক কৌশল দীর্ঘ সময় ধরে অপরিবর্তিত সুবিধা দিতে পারছে না। ড্রোনের মোকাবিলায় নতুন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরি হলে আক্রমণকারীরাও পাল্টা কৌশল উদ্ভাবন করছে।

ট্যাংক ও বড় যুদ্ধজাহাজের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে অতীতেও নতুন প্রযুক্তির আবির্ভাবে এসব অস্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো পুরোপুরি অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায়নি। বরং সুরক্ষা, কৌশল ও ব্যবহারের পদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার এই প্রতিযোগিতাকে আরো ত্বরান্বিত করতে পারে। তবে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের বিস্তার, লক্ষ্যবস্তু শনাক্তকরণে এআইয়ের ভূমিকা এবং মানবীয় নিয়ন্ত্রণের সীমা নিয়ে নৈতিক ও আইনি প্রশ্নও বাড়ছে।

আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় বাড়ছে অস্থিরতা

যুদ্ধের ধরন পরিবর্তনের পাশাপাশি বিশ্বরাজনীতিতেও বড় ধরনের রূপান্তর ঘটছে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি চীন ও রাশিয়ার প্রভাব বৃদ্ধি এবং প্রধান শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে আরো জটিল করে তুলছে।

শীতল যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, বহুপক্ষীয় সহযোগিতা ও নিয়মভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থার ওপর যে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল, তা এখন নানা চ্যালেঞ্জের মুখে। নিষেধাজ্ঞা, বাণিজ্যিক বাধা, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি ও সরবরাহব্যবস্থার ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে।

এদিকে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও বিস্তার রোধের ব্যবস্থাও চাপের মধ্যে রয়েছে। বড় শক্তিগুলোর মধ্যে আস্থার ঘাটতি এবং অস্ত্র প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সংঘাত নিয়ন্ত্রণ করা আরো কঠিন হতে পারে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিকস ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের মতো প্রযুক্তি এই প্রতিযোগিতায় নতুন মাত্রা যোগ করছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো বড় শক্তিগুলোর বিরোধ মেটাতে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

সব যুদ্ধের জন্য এক কৌশল কার্যকর নয়

সামরিক ইতিহাসে বিভিন্ন তাত্ত্বিক যুদ্ধের সাফল্য ও ব্যর্থতা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট নীতি তৈরির চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ইতিহাস দেখিয়েছে, একটি নির্দিষ্ট কৌশল সব সময় সব পরিস্থিতিতে কার্যকর হয় না।

নেপোলিয়নের দ্রুত ও সিদ্ধান্তমূলক যুদ্ধের ধারণা রাশিয়া ও স্পেনের অভিযানে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। আবার আকাশশক্তিকে যুদ্ধের চূড়ান্ত নির্ধারক হিসেবে দেখার তত্ত্বও পরবর্তী সংঘাতগুলোর অভিজ্ঞতায় সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করেছে। সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ ও বড় নৌযুদ্ধের গুরুত্ব নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ধারণাগুলোও সাবমেরিন ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার মতো কৌশলের কারণে নতুনভাবে বিবেচিত হয়েছে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর সামরিক চিন্তাবিদেরা কেবল কৌশলগত পরিকল্পনা ও সরাসরি যুদ্ধের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিস্তৃত ভূখণ্ডে একাধিক সামরিক অভিযানকে সমন্বয় করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধ পরিচালনার পদ্ধতি, সেনা মোতায়েন, সরবরাহব্যবস্থা এবং প্রযুক্তির ব্যবহার বদলেছে।

এ কারণেই ইউক্রেনের যুদ্ধ থেকে পাওয়া শিক্ষা সরাসরি ইরান, ইয়েমেন, পাকিস্তান বা ভারতের সম্ভাব্য সংঘাতের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যায় না। প্রতিটি দেশের ভূগোল, জনসংখ্যার অবস্থান, সীমান্তের ধরন, সামরিক সক্ষমতা ও রাজনৈতিক লক্ষ্য আলাদা।

ইরানের বিশাল ভূখণ্ড ও দুর্গম ভূপ্রকৃতি স্থল আক্রমণ মোকাবিলায় এক ধরনের কৌশলগত সুবিধা দিতে পারে। অন্যদিকে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ জনবসতি, যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামোর ভৌগোলিক অবস্থান ভিন্ন ধরনের সামরিক পরিকল্পনার প্রয়োজন তৈরি করে। ফলে একই যুদ্ধতত্ত্ব দুই দেশের ক্ষেত্রে একই ফল দেবে, এমন নিশ্চয়তা নেই।

ভবিষ্যৎ যুদ্ধের পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন

যুদ্ধের প্রকৃতি বোঝার জন্য তত্ত্ব ও ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ হলেও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিখুঁত পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত, রাজনৈতিক লক্ষ্য, প্রযুক্তির পরিবর্তন এবং প্রতিপক্ষের প্রতিক্রিয়া—সব মিলিয়ে যুদ্ধ একটি জটিল ও পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া।

যুদ্ধের কিছু মৌলিক বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকলেও তা পরিচালনার পদ্ধতি প্রযুক্তি ও পরিস্থিতির সঙ্গে বদলে যায়। তাই চলমান যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার পাশাপাশি সেই শিক্ষা কোথায় এবং কীভাবে প্রয়োগ করা যায়, তা সতর্কতার সঙ্গে বিচার করতে হবে।

আধুনিক যুদ্ধের বাস্তবতা হলো, সামরিক শক্তি, অর্থনীতি, প্রযুক্তি ও কূটনীতি এখন পরস্পরের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। কোনো পক্ষের জন্যই দ্রুত ও নিশ্চিত বিজয়ের নিশ্চয়তা নেই। আর এই অনিশ্চয়তাই বর্তমান বিশ্বে যুদ্ধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশে চাইলেই কি শিশুর ডিএনএ টেস্ট করা যায়

খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি শাসনে রাজনৈতিক সংঘাত বাড়ার শঙ্কা পাকিস্তানে

তরুণদের নেতৃত্বেই মোদিবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল গতি

ইরান-সৌদির সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখতে সতর্ক অবস্থানে পাকিস্তান

মোদিবিরোধী আন্দোলনে তরুণদের অভিনব কৌশল, নজরদারি এড়াতে মুখোশ ও মেকআপ

মোদির ক্ষমতা ধরে রাখার দীর্ঘদিনের কৌশলে ফাটল

কঠিন জনপদে কোমলতা খুঁজে ফেরার গল্প

আরো চার দিন বন্ধ থাকবে সৌদি আরবের দুই বিমানবন্দর

ফ্রান্সে শত শত সুপারমার্কেটে সাইবার হামলা, ফ্রিজের তাপমাত্রা বেড়ে অসংখ্য দোকানে আগুন

ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়ে ইসরাইলের চাপে ব্রিটেন, জেরুজালেমে মিশনের কাজে অনিশ্চয়তা