হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা কৌশলে বড় পরিবর্তন

আমার দেশ অনলাইন

ছবি : আল-জাজিরা

উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ এই অঞ্চলের দেশগুলোর দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা কৌশলে এক আমূল পরিবর্তন এনেছে।

এশিয়া গ্রুপের জিসিসি (উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ) বিষয়ক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ হেলাল একে একটি ‘কৌশলগত অনিবার্যতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আহমেদ হেলাল আল জাজিরাকে জানান, কাতার এবার তার প্রথাগত মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নেই। কারণ দেশটি নিজেই হামলার শিকার হয়েছে এবং অন্য শক্তিগুলোর হস্তক্ষেপ চেয়েছে। বর্তমানে এই অঞ্চলের প্রধান লক্ষ্য হলো শত্রুতা নিরসন এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া।

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে উপসাগরীয় দেশগুলো এখন আর বসে নেই। সম্প্রতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন। এই সফরের মাধ্যমে ইউক্রেনের ড্রোন-প্রতিরোধী প্রযুক্তি ও যুদ্ধের অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়ে একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

হেলালের মতে, ওয়াশিংটন থেকে সিউল, সব দেশের জন্যই এই অঞ্চলের প্রতিরক্ষা বাজার এখন উন্মুক্ত। উপসাগরীয় দেশগুলো এখন আর কোনো একটি নির্দিষ্ট শক্তির ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না।

উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাত বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার ইন্টারসেপ্টর প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী ও প্রতিযোগিতামূলক। মূলত নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একক কোনো দেশের ওপর নির্ভর না করে সামরিক সরঞ্জামের উৎসে বৈচিত্র্য আনছে উপসাগরীয় দেশগুলো।

সূত্র: আল-জাজিরা

এএম

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আল-আকসায় অর্ধ লক্ষাধিক মুসল্লির নামাজ আদায়

ইরান যুদ্ধ: মুসলিমপ্রধান আজারবাইজানে গোপন সেনা ঘাঁটি ছিল ইসরাইলের

চাইলেই ইরানের ইউরেনিয়াম দখল করতে পারি: ট্রাম্প

ইসরাইলে মার্কিন অস্ত্র পাঠানো বন্ধের বিলে সমর্থন বাড়ছে

আল-আকসায় জর্ডানের অভিভাবকত্ব অবশ্যই সম্মান করতে হবে: যুক্তরাজ্য

হরমুজে ইরানের দাপট, সংকটে বিশ্ব অর্থনীতি

লেবাননে আরো ৬৩ জন ইসরাইলি সেনা আহত

পরাজয়ের পর ইরানে বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল: খামেনি

লেবাননে হামলা চললে উত্তর ইসরাইল নিরাপদ থাকবে না: হিজবুল্লাহ

শত্রুর চক্রান্ত ব্যর্থ করতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান ইরানের সর্বোচ্চ নেতার