যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগে কোনো আপত্তি জানায়নি ট্রাম্প প্রশাসন। বুধবার মার্কিন কর্মকর্তাদের ও পশ্চিমা কূটনীতিকদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের এই উদ্যোগে ওয়াশিংটনের বাধা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের নীতির প্রতি হোয়াইট হাউসের হতাশারই ইঙ্গিত করে।
অ্যাক্সিওস জানায়, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার আগে বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্পকে অবহিত করেছিলেন। তবে ট্রাম্প এতে আপত্তি জানাননি বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কোনো অনুরোধও করেননি।
প্রতিবেদনে সূত্রের বরাতে বলা হয়, পশ্চিম তীরে নেতানিয়াহু সরকারের নীতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের উদ্বেগের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তারাও একমত। তবে নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞাগুলোর ক্ষেত্রে তারা একমত না হলেও ব্রিটিশ পক্ষকে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন।
মঙ্গলবার যুক্তরাজ্য ঘোষণা করে, পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতি নির্মাণে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। একই সঙ্গে ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কথা জানায় লন্ডন।
এদিকে, ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি ব্রিটিশ নিষেধাজ্ঞার সমালোচনা করে বিবিসিকে দেওয়া মন্তব্য জানান হোয়াইট হাউস নিজেদের দূরত্ব বজায় রেখেছে।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেন, হাকাবির ওই মন্তব্য হোয়াইট হাউস বা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে দেওয়া হয়নি।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাকাবি ব্রিটিশ সরকারের সিদ্ধান্তকে ‘ইহুদি জনগণের বিরুদ্ধে বৈষম্য’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
সূত্র: আল আরবিয়্যা
এমএমআর