পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে ফিলিস্তিনিদের আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে বাধা দিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে ঈদের দিনে মসজিদুল আকসা বন্ধ করে রাখে ইসরাইল। ফলে শত শত মুসল্লিকে মসজিদের ফটক ও আশপাশের সড়কে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞার কারণে প্রায় ছয় দশকের মধ্যে এই প্রথম ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে মুসলিমদের প্রথম কিবলা আল-আকসা মসজিদে ঈদের নামাজ হয়নি।
গার্ডিয়ানের সংবাদে এসেছে, ১৯৬৭ সালের পর এই প্রথম ঈদুল ফিতরের দিন আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখা হয়। ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ মসজিদ চত্বরটি বন্ধ রাখায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের জন্য মুসল্লিরা বন্ধ করে দেওয়া ওই স্থাপনার যতটা সম্ভব কাছে জড়ো হন।
ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে আল-আকসার খতিব ও জেরুজালেমের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি শেখ ইকরিমা সাবরি একটি ধর্মীয় নির্দেশনা জারি করেন। তিনি মুসলিমদের মসজিদের নিকটতম স্থানে ঈদের নামাজ আদায়ের আহ্বান জানান।
আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মুসল্লিরা শুক্রবার নামাজ পড়তে আসলে তাদেরকে বাধা দিতে সেখানে টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয় এবং তাদের ছত্রভঙ্গ করতে অভিযান চালানো হয়।
ইরানের সঙ্গে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এর আগ থেকেই আল-আকসা মসজিদে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই শুক্রবার এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।