হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

‘যুদ্ধের আগুনে পুড়ে ছাই হবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষার ঢাল’

আমার দেশ অনলাইন

ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদুল্লাহি। ছবি: সংগৃহীত।

যুক্তরাষ্ট্র একটি সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধের দিকে ত্বরান্বিত হচ্ছে বলে শনিবার সতর্ক করেছেন ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় হেডকোয়ার্টার্সের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আব্দুল্লাহি। তিনি মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক সরকারগুলোকে অনুরোধ জানান, তারা যেন ওয়াশিংটনকে সামরিক অভিযানের জন্য তাদের ভূখণ্ড, অবকাঠামো ও সম্পদ ব্যবহার করতে দেওয়া পুনর্মূল্যায়ন করে।

মেজর জেনারেল আলী আব্দুল্লাহি বলেন, ওয়াশিংটনের আচরণ একটি বিপজ্জনক সম্প্রসারণবাদী কৌশলের প্রতিফলন, যার উদ্দেশ্য এ অঞ্চলের ওপর অবৈধ নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে দেওয়া।

আব্দুল্লাহি বলেন, ‘অপরাধী যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় প্রমাণ করেছে যে, তাদের শয়তানি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য তারা মুসলিমদের স্বার্থ ও সম্পদের বিরুদ্ধে যেকোনো অপকর্ম বা ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে দ্বিধা করবে না।’

তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তার নিজস্ব সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করতে এবং ‘ইসরাইলের’ যুদ্ধযন্ত্রকে শক্তিশালী করতে আঞ্চলিক দেশগুলোর সম্পদ, মূলধন, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং কৌশলগত সম্পদকে কাজে লাগাচ্ছ।

তিনি বলেন, ‘ইসলামি অঞ্চলের দেশগুলোকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের মূলধন, সম্পদ, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও কৌশলগত সম্পদকে তার ক্লান্ত-শ্রান্ত সামরিক বাহিনীর জন্য প্রতিরক্ষামূলক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে, আর একই সাথে সন্ত্রাসী ও শিশুহত্যাকারী ইহুদিবাদী সত্তার যুদ্ধ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করছে।’

ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তিত হয়েছে

আব্দুল্লাহি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী এবং বৃহত্তর প্রতিরোধ ফ্রন্ট (রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট) প্রমাণ করেছে যে আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য আর আগের সমীকরণ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে না।

তিনি বলেন, ইরান, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সাহসী ও বীর সদস্যগণ এবং প্রতিরোধ ফ্রন্ট এটি দেখিয়ে দিয়েছে যে অঞ্চলের শক্তির ভারসাম্য এখন আর আগের সমীকরণ মেনে চলে না।

এই ইরানি কমান্ডার যুক্তি দেখান যে, ইরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন তাদের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার কারণেই যুক্তরাষ্ট্র ও ‘ইসরাইল আঞ্চলিক দেশগুলোর সীমান্ত এবং সামরিক ঘাঁটি থেকে হামলা চালাতে বাধ্য হচ্ছে।

তিনি আরো বলে ‘আমরা খোলাখুলিভাবে ঘোষণা করছি যে, ইসলামী দেশগুলোকে অবশ্যই দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে হবে, যুক্তরাষ্ট্রের অপরাধগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং এর সাথে তাদের সহযোগিতা ও জোটবদ্ধতা পুনর্বিবেচনা করতে হবে।’ অন্যথায়, যে কোনো দেশ অপরাধী ও আগ্রাসী যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রতিরক্ষামূলক ঢালে পরিণত হবে, তা যুদ্ধের আগুনে পুড়ে যাবে।

সূত্র: আল মায়াদিন

এমএমআর

হুমকি দিয়ে ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটলেন ট্রাম্প

দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করতে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তিন কোটি ইরানি, আছেন নারীরাও

সৌদিতে নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ, মার্কিন নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ

হুথিদের হামলার হুমকির মধ্যেই রিয়াদ বিমানবন্দর চালু করল সৌদি আরব

ইরানের বাধার মধ্যেও হরমুজে জাহাজ চলাচল নিরাপদ, দাবি মার্কিন সামরিক বাহিনীর

জমানো খাবারে বানানো কেকেও ছাড় নেই, বন্দিদের জীবন নরক বানানোর হুমকি বেন গভিরের

রাজনৈতিক বিভক্তি ও নিরাপত্তা সংকট, গৃহযুদ্ধের শঙ্কায় ইসরাইল

নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে ৮ হাজার প্রবাসীকে ফেরত পাঠাল সৌদি

নাগরিকদের ১০ শতাংশ গ্যাস সাশ্রয়ের আহ্বান ইরানের

হুথিদের হামলার মধ্যেই দুই অঞ্চলে সতর্কতা প্রত্যাহার করল সৌদি