হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

নতুন ‘এআই ফোর্স’ গঠন করবেন ট্রাম্প

রয়টার্স

এআই দ্বারা নির্মিত ছবি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে নতুন একজন উপদেষ্টা নিয়োগের পাশাপাশি একটি ‘এআই ফোর্স’ গঠনের পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান। তবে নতুন এই উদ্যোগ কীভাবে কাজ করবে বা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এআই প্রযুক্তির কারণে মানুষ ও সম্পদের সম্ভাব্য ঝুঁকি নিয়ে ওয়াশিংটনে আইনপ্রণেতাদের উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি মাসের শুরুতে অ্যানথ্রপিকের সাবেক গবেষক জ্যাকব কক্সনও এ নিয়ে সতর্ক করেন।

তার ভাষ্য, এআই তৈরির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, এই দশকের শেষ নাগাদ এ প্রযুক্তি ‘আমাদের সবাইকে মেরে ফেলতে পারে’।

তবে ট্রাম্প এআই নিয়ে এমন উদ্বেগকে গুরুত্ব কম দিয়েছেন। অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন নেই বলেও তিনি বারবার যুক্তি দিয়েছেন। ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমরা কোনোভাবেই এই অবিশ্বাস্য শিল্পের বিকাশকে বাধাগ্রস্ত বা রুদ্ধ করব না।’ বরং এআইয়ের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এটিকে লালন, সহায়তা ও নজরদারি করবে বলে জানান তিনি।

ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড মোকাবিলায় বিদ্যমান ফৌজদারি ও দেওয়ানি বিচারব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে বলেও উল্লেখ করেন।

পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে এআই বিষয়ে ট্রাম্পের দ্বিতীয় ‘এআই জার’ বা প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ হবে এটি। এর আগে ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট ডেভিড স্যাকস এ দায়িত্বে ছিলেন। বসন্তে তিনি পদটি ছাড়েন।

এআইয়ে নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ে ট্রাম্পের সংশয়কে স্যাকসও সমর্থন করেছেন। বুধবার পলিটিকোর এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, এআই নির্মাতাদের নিজেদের পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিতে হবে। কোনো সমস্যা হলে তাদের দায়ী করা যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের নির্ধারিত বৈঠকের কয়েক দিন আগে এ পরিকল্পনার কথা সামনে এলো। আগামী বৃহস্পতিবার দুই নেতার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

এআই প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব নেওয়ার প্রতিযোগিতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। দুই দেশের সরকারই নিজেদের অর্থনৈতিক ও সামরিক শক্তির জন্য এ প্রযুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।

ট্রাম্প ও প্রযুক্তি খাতের নির্বাহীদের মতে, অতিরিক্ত বিধিনিষেধ যুক্তরাষ্ট্রে এআইয়ের উন্নয়ন ধীর করে দিতে পারে। এতে চীনা প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় মার্কিন কোম্পানিগুলোর সক্ষমতাও কমে যেতে পারে। তবে এআই নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা প্রায়ই এই দাবির বিরোধিতা করেন।

এএম

ইয়েমেন যুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান ইরানের

হেরে গিয়েও জুয়ার টেবিল ছাড়ছে না ট্রাম্প প্রশাসন: গালিবাফ

হরমুজে মাইনে আঘাত পেয়ে ট্যাংকারে আগুন, বন্ধ চলাচল

যুদ্ধ বন্ধের বিনিময়ে সৌদির কাছে ৫১ বিলিয়ন ডলার দাবি হুথিদের

তেহরানে পুড়িয়ে দেওয়া হলো ট্রাম্প-ভ্যান্স-নেতানিয়াহুর বিশাল ব্যানার

বন্ধুকে হত্যার দায়ে কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

নেতানিয়াহুর ‘হামাস-সমর্থক’ তকমা সত্ত্বেও সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চাইছেন বিরোধীরা

যুদ্ধ নিয়ে নতুন যে বার্তা দিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

সৌদি আরব ও সিরিয়ার প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি সই

সৌদি জোটের হামলায় ইয়েমেনে ২০ জন নিহত