হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

২.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদ, বিরল মাটির দৌড়ে সৌদি আরব

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

গ্রিনল্যান্ডের বিষয়ে একটি সম্ভাব্য চুক্তিতে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেখানে বিরল মাটির খনিজ সম্পদের অধিকারকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিরল খনিজের অধিকার নিয়ে বৈশ্বিক টানাপোড়েনের মধ্যে সৌদি আরব দাবি করেছে—তাদের দেশে প্রায় ২.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদ রয়েছে। বলা যায় বিরল খনিজের বৈশ্বিক দৌড়ে এই খনিজ তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত করবে।

সৌদি আরবের রিয়াদে অনুষ্ঠিত ফিউচার মিনারেলস ফোরামে সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বেসরকারি সংস্থা SAFE-এর মিনারেলস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক অ্যাবিগেল হান্টার বলেন, কয়েক দশকের কৌশলগত বিনিয়োগ, রাষ্ট্রসমর্থিত প্রকল্প এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার কারণে চীন এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় অনেক এগিয়ে।

এমন বাস্তবতায় সৌদি আরব তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে খনিজ খাত সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে। দেশটি দাবি করছে, তাদের কাছে প্রায় ২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের খনিজ সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে সোনা, দস্তা, তামা ও লিথিয়ামের পাশাপাশি ডিসপ্রোসিয়াম, টারবিয়াম, নিওডিমিয়াম ও প্রাসিওডিমিয়ামের মতো বিরল মাটির খনিজও রয়েছে, যা বৈদ্যুতিক গাড়ি, বায়ু টারবাইন ও উচ্চগতির কম্পিউটিংয়ে ব্যবহৃত হয়।

এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে সৌদি আরবের খনিজ অনুসন্ধান বাজেট ৫৯৫ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক কোম্পানিকে নতুন খনির লাইসেন্স দেওয়ার গতি বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনুসন্ধানের তুলনায় খনিজ উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণ দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। অ্যাবিগেল হান্টার বলেন, একটি প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট নির্মাণে তিন থেকে পাঁচ বছর সময় লাগে, কিছু ক্ষেত্রে তা ২০ বছরেরও বেশি হতে পারে।

খনি খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে সৌদি আরব কর ছাড় দিচ্ছে, প্রশাসনিক জটিলতা কমাচ্ছে এবং বড় বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে অংশীদারত্বে আগ্রহ দেখাচ্ছে। ফিউচার মিনারেলস ফোরামে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খনি কোম্পানি মাডেন ঘোষণা দিয়েছে, তারা আগামী এক দশকে ধাতু ও খনি খাতে ১১০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।

মাডেনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বব উইল্ট বলেন, এককভাবে এই খাত গড়ে তোলা সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব ও দক্ষ জনবলই ভবিষ্যৎ সাফল্যের চাবিকাঠি।

যদিও সৌদি আরবের খনিজ সম্পদের অর্থনৈতিক মূল্য এখনো তেলের তুলনায় কম, তবে দেশটির ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনায় খনিজ খাতকে অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যের অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে ধরা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রমবর্ধমান অবকাঠামো সৌদি আরবকে আঞ্চলিক পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণের কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তুলতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

সিরিয়া থেকে সম্পূর্ণ সেনা প্রত্যাহার করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

অস্কার মনোনয়ন পেল গাজায় নিহত শিশুকে নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র

সিরিয়া থেকে সব সেনা প্রত্যাহোরের কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র

গাজা ‘শান্তি বোর্ড’কে ঐতিহাসিক সুযোগ বললেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আঙুল ট্রিগারে আছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলকে ইরানের হুঁশিয়ারি

উপসাগরীয় অঞ্চলের দিকে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল নৌবহর: ট্রাম্প

আরব আমিরাতে সন্তানের অনলাইন নজরদারি এখন আইনি দায়িত্ব

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা প্রায় ৩০০

২০ বিলিয়ন ডলারের বন্ড বিক্রি, চীনকেও ছাড়াল সৌদি আরব

গাজার শরণার্থী সংস্থা বন্ধে যেভাবে কাজ করেছে ইসরাইল