ইরানের ২৭টি এয়ারলাইনসের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলে আখ্যা দিয়েছে তেহরান।
জাতিসংঘের (ইউএন) নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া এক চিঠিতে এ অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি।
দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে।
দারজি বলেছেন, এসব নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র সমষ্টিগত শাস্তি দিচ্ছে। একই সঙ্গে এ ধরনের পদক্ষেপ মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো চিঠিতে ইরানের এই রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এসব নিষেধাজ্ঞা জাতিসংঘ সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন। এর মধ্যে মানবাধিকার আইন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।
ইরানের বিমান খাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার পর জাতিসংঘে এই অভিযোগ তুলল তেহরান। দারজির ভাষ্য, নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে একটি দেশের বিমান খাতকে লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
এর আগে গত আগস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইরানের বিরুদ্ধে ‘এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ চালানোর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি নাকচ করে দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি লিখেছিলেন, ব্যর্থ নীতির ওপর জোর দিলে তা শুধু আরো পরাজয় এবং ইরানিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আরো শত্রুতা তৈরি করবে।
তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বিশ্ব অর্থনীতি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি তৈরি করছে।
এএম