ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম সশরীরে বৈঠকে বসছেন উপসাগরীয় অঞ্চলের নেতারা।
মঙ্গলবার সৌদি আরবের জেদ্দায় উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) এই ব্যতিক্রমী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জিসিসি-র এক কর্মকর্তা জানান, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষিতে একটি সমন্বিত প্রতিক্রিয়া তৈরি করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর জিসিসি-ভুক্ত ছয়টি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও সামরিক ঘাঁটিগুলো হামলার শিকার হয়েছে।
গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর হামলা কমলেও আলোচনা এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। ফলে উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলোর মধ্যে উদ্বেগ রয়েই গেছে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সম্মেলনে যোগ দিতে কাতারের আমির, কুয়েতের যুবরাজ, বাহরাইনের রাজা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেদ্দায় পৌঁছেছেন। ওমানের প্রতিনিধিত্ব কে করবেন তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে, জিসিসি-র ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আনোয়ার গারগাশ। সোমবার এক সম্মেলনে তিনি বলেন,‘লজিস্টিক সাপোর্টের ক্ষেত্রে জিসিসি দেশগুলো একে অপরকে সাহায্য করলেও রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে তাদের অবস্থান ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্বল পর্যায়ে রয়েছে। আমি আরব লীগের কাছ থেকে এমন অবস্থান প্রত্যাশা করলেও জিসিসি-র কাছ থেকে এটি আশা করিনি।’
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
এএম