হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি কেবল কাগজে-কলমে

আমার দেশ অনলাইন

দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যত কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ—এমন চিত্র উঠে এসেছে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে। বাস্তবে সেখানে সংঘাত আরও তীব্র হচ্ছে, যার বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের ওপর।

এই এলাকায় ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে নতুন করে অন্তত ছয়টি গ্রামের জন্য জোরপূর্বক সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আব্বাসিয়েহ। স্থানীয়দের মতে, এটি ধারাবাহিকভাবে জারি হওয়া নতুন উচ্ছেদ নির্দেশগুলোর একটি অংশ। খবর আল জাজিরার।

হাসপাতাল সংকট ও মানবিক চাপ

এই অঞ্চলে অবশিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলোর একটি এই এলাকাতেই অবস্থিত। পুরো টাইর জেলা জুড়ে মাত্র তিনটি হাসপাতাল টিকে আছে বলে জানা গেছে। আনুমানিক এক লাখেরও বেশি মানুষ এখনো এই এলাকায় বসবাস করছে।

এই হাসপাতালগুলো আহতদের জন্য একমাত্র ভরসা হয়ে উঠলেও অনেক সময় রোগীদের পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় চিকিৎসা পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে দক্ষিণের আরও দূরবর্তী গ্রামগুলো থেকে যাতায়াত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও দীর্ঘ হয়ে পড়েছে।

ক্রমাগত হামলা ও অনিশ্চয়তা

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবাতিয়েহ জেলা এবং টাইর জেলা—দুই অঞ্চলেই ধারাবাহিকভাবে হামলা চলছে। এতে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি দক্ষিণ লেবাননের মানবিক সংকটকে আরও গভীর করছে এবং যুদ্ধবিরতির বাস্তব কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে।

এসআর

হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন, যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

ইরাকের মরুভূমিতে কি গোপন ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটি সত্যিই ছিল

ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে দণ্ডিত ব্যক্তিকে ফাঁসি দিল ইরান

হরমুজ প্রণালি খুলতে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতা জোরদারের আহ্বান চীনের

সৌদি যুবরাজ ও আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোনালাপ

ইরান যুদ্ধ বন্ধে রিপাবলিকানদের ভোট চাইলেন মার্কিন সিনেটর

হরমুজ প্রণালি এই যুদ্ধে ‘অস্ত্র’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে: কাতার

আমিরাতে আয়রন ডোম ব্যাটারি ও কর্মী পাঠিয়েছিল ইসরাইল

যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত ইরান

ইরানে যুদ্ধের প্রভাব মানুষের পকেট পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে