হোম > সারা দেশ > রংপুর

তীব্র শীতে কোল্ড ইনজুরি, দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

মিজানুর রহমান রাঙ্গা, সাঘাটা (গাইবান্ধা)

ছবি: আমার দেশ।

টানা ১৭ দিনের শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ইরিবোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বীজতলায় দেখা দিয়েছে কোল্ড ইনজুরি। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বোরো বীজতলার চারা হলদে হয়ে যাওয়া, বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া এবং কোথাও কোথাও চারা পচে যাচ্ছে।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারী) সরজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, অনেক কৃষকের বীজতলায় ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও পুরো বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। এতে নির্ধারিত সময়ে চারা রোপণ করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

কৃষকরা জানান, দিনের পর দিন সূর্যের দেখা না পাওয়ায় এবং রাতের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় বীজতলার চারাগুলো স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠতে পারছে না। অনেক জায়গায় জমিতে পানি জমে থাকায় শীতের প্রভাব আরও বেড়েছে। বীজতলা নষ্ট হলে নতুন করে বীজতলা তৈরি করতে অতিরিক্ত খরচ ও সময় লাগবে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

বোনারপাড়া এলাকার কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, ধার দেনা করে বীজতলা তৈরি করেছি। কিন্তু এই শীত ও কুয়াশায় চারা টিকছে না। প্রতিদিন মাঠে এসে দেখি ক্ষতি বাড়ছে। নতুন করে বীজতলা বানানোর সামর্থ্য আমাদের নেই।

কচুয়া এলাকার আরেক কৃষক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পলিথিন ও খড় দিয়ে ঢেকে রাখছি, তবুও কাজে আসছে না। সময়মতো চারা না পেলে বোরো আবাদই অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

ঘুড়িদহ ইউনিয়নের কৃষক মফুজল মিয়া জানান, কয়েক দিনের তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় তার বোরো ধানের বীজ তলার চারা হলদে হয়ে গেছে। বীজ তলা যদি ঠিক না থাকে, তাহলে পরে জমিতে ধান রোপণ করাও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। এখন শুধু আল্লাহর ওপর ভরসা করে কৃষি অফিসের পরামর্শ মেনে চলছি।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে সাঘাটা উপজেলায় প্রায় ১৮৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষের লক্ষ্যে বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ৯২৭হেক্টর জমিতে বোরো ধানের বীজতলা রোপণ করা হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কিছুটা বেশি। ফলে চলতি মৌসুমে কৃষকদের বীজতলা নিয়ে তেমন কোনো হয়রানিতে পড়তে হবে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সাঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান আমার দেশকে জানান, তীব্র শীত ও কুয়াশার কারণে বোরো বীজতলায় কোল্ড ইনজুরি দেখা দিয়েছে। তবে ক্ষতির আশঙ্কা কম। বীজতলার সুরক্ষায় বিকালে হালকা সেচ, সকালে পানি বের করে দেওয়া, কুয়াশা ঝেড়ে ফেলা এবং প্রয়োজন হলে পলিথিন ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে বীজতলার ক্ষতি রোধে কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছে।

শতাধিক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর জামায়াতে যোগদান

টঙ্গীতে বিদেশি পিস্তল-ম্যাগাজিনসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

প্রতাপ রঞ্জন তালুকদারের গানের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন

লক্ষ্মীপুরে করিম-বানু ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ

বাণিজ্য মেলা সংলগ্ন এলাকা থেকে তিন শিশু উদ্ধার

সাইবার নিরাপত্তা আইনে ৬ জন গ্রেপ্তার

স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন রাসেলকে সমর্থন দিয়ে যা বললেন কাদের সিদ্দিকী

টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশুটি মারা যায়নি, ৫৩ বিদ্রোহী আটক

বাগেরহাটে এনসিপির ১২ নেতাকর্মীর পদত্যাগ

সীমান্তে অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় সিগারেট জব্দ