হোম > সারা দেশ > বরিশাল

চরফ্যাশনে উপজেলা প্রশাসন ও ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি ৩ প্রকল্পে হরিলুট

মানববন্ধনের সংবাদ করায় সাংবাদিককে হুমকি

ইউনুছ শরীফ, ভোলা

ছবি: হাজারীগঞ্জ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন এটি। প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য ৬ লাখ ৪১ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়েছে। কাজ হয়নি এক পয়সারও!

ভোলার চরফ্যাশনে সরকারি তিন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সামান্য কাজ করে তুলে নেওয়া হয়েছে টাকা। এই লুটপাট হয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও ঠিকাদারের যোগসাজশে।

সম্প্রতি এ তিন প্রকল্পের বরাদ্দ তালিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। হাজার হাজার মানুষ এ তালিকা ফেসবুকে শেয়ার করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা এসব প্রকল্পে হওয়া অনিয়মের তদন্তের দাবি জানান। এই দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। পাশাপাশি তদন্ত চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে একটি সামাজিক সংগঠন।

চরফ্যাশন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চারফ্যাশন উপজেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির আওতায় ৭৪টি প্রকল্পের বিপরীতে ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৯ হাজার ৫৭৪ টাকা বরাদ্দ করা হয়। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ টিআর কর্মসূচির ৮৫টি প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ দেওয়া হয় ২ কোটি ৭৩ হাজার ৫০৮ টাকা। অন্যদিকে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কাবিখা কর্মসূচির আওতায় ২৯টি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয় ২৫৫ দশমিক শূন্য ৬৮৪ টন গম (এর আর্থিক মূল্য আনুমানিক ৯২ লাখ টাকা)। এসব প্রকল্পের মোট বরাদ্দ প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা। কিন্তু প্রকল্পের আওতায় ৫০ লাখ টাকারও কাজ হয়নি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উপজেলার ২১টি ইউনিয়নের ১৮৮ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এ নগদ টাকা ও গম বরাদ্দ করা হয়। এসব প্রকল্পের কাজ ৩০ জুনের মধ্যে শেষ করে বরাদ্দ টাকা তোলার বিধান থাকলেও তা মানা হয়নি। অর্থাৎ কাজ ঠিকমতো শেষ না করেই তুলে নেওয়া হয়েছে অর্থ।

বিভিন্ন ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, কাগজে প্রকল্পের বিষয় থাকলেও বাস্তবে এর কোনো নমুনা তারা দেখেননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এ প্রকল্পের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। প্রকল্প শুরুর পর এ সংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাইনবোর্ডে প্রদর্শনের কথা থাকলেও সেটি করা হয়নি। এ অনিয়মের সঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার এবং প্রকল্প কমিটি জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই তিন প্রকল্পের মধ্যে সবচেয়ে বেশি লুটপাট হয়েছে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচিতে। কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে দেওয়া বরাদ্দের সামান্য টাকা প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে দিয়ে বাকি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।

প্রকাশ হওয়া প্রকল্প তালিকা সূত্রে ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ৬৮ নম্বর পূর্ব আবুবকরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ ছিল ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু এখানে কাজ হয়েছে মাত্র ৫০ হাজার টাকার। একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মমিনুর রহমান রোড পুনর্নির্মাণে ১০ টন গম বরাদ্দ ছিল। কিন্তু এখানে কোনো কাজ হয়নি। নীলকমল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মৌলভীবাজার থেকে দক্ষিণ দিকে নূর মোহাম্মদ মেম্বার চৌধুরীর বাড়ি পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণে বরাদ্দ করা হয় ১০ টন গম। কিন্তু এ রাস্তায়ও কোনো কাজ হয়নি। চর মানিকা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনের বাড়ি থেকে পূর্বে কাঁচা রাস্তা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে বরাদ্দ করা হয় ১০ টন গম। কিন্তু সেখানে কোনো রাস্তার কাজ হয়নি।

একইভাবে হাজারীগঞ্জ বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য ৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু সেখানেও কোনো উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি বলে জানা গেছে। একই প্রতিষ্ঠানে এডিপি থেকে গৃহনির্মাণের জন্য আরো ২ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু এ বরাদ্দের মাধ্যমেও বিদ্যালয়ের কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক সফিউল্লাহ আমার দেশকে বলেন, আমাকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে, তা আমাকে বলেননি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার।

উত্তর চরমানিকা লতিফিয়া দাখিল মাদরাসার মাঠ ভরাটের জন্য বরাদ্দ ছিল ৩ লাখ ৩৯ হাজার ৯০ টাকা। কিন্তু মাঠ ভরাটের কাজটি ঠিকভাবে হয়নি বলে দাবি মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা শহিদুল ইসলামের। তিনি আমার দেশকে বলেন, আমাদের মাদরাসায় মাঠ ভরাটের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে তা আমাদের জানানো হয়নি। ঠিকাদার মাঠে কয়েক ট্রাক বালু ফেলে। পরে তারা মাঠ পরিদর্শনে এলে আমরা জানতে চাই কত টাকা বরাদ্দ হয়েছে। তখন কোনো কথা না বলে পরে লোক দিয়ে মাদরাসায় ৫০ হাজার টাকা পাঠানো হয়। অথচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারলাম মাদরাসার মাঠ ভরাটের জন্য বরাদ্দ করা হয় ৩ লাখ টাকার বেশি। আমরা সঠিকভাবে কাজ দাবি করছি।

হাজারীগঞ্জ মুজাফফরিয়া আহম্মদিয়া ফরাজি দারুল নাজাত নুরানি মাদরাসার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ হয়েছে ৩ লাখ ৭৮ হাজার ১৮০ টাকা। এ ব্যাপারে ওই মাদরাসার পরিচালক হাফেজ মোতাহার হোসেন আমার দেশকে বলেন, আমাদের মাদরাসায় কত বরাদ্দ হয়েছে, তা আমাদের জানানো হয়নি। ঠিকাদার আমাকে ডেকে নিয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়েছে। এখন জানতে পারলাম, বরাদ্দ অনেক বেশি। আমরা নিয়ম মোতাবেক কাজ দাবি করছি।

ওমরপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নূর ইসলাম মৃধা সড়ক পুনর্নির্মাণে ১০ টন গম বরাদ্দ করা হলো সড়কটিতে কোনো কাজ হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জিন্নাগড় ইউনিয়নের দাসকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠ ভরাটের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ১৮০ টাকা ও পশ্চিম জিন্নাগড় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসার মাঠ ভরাটে বরাদ্দ করা হয়েছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ১৮০ টাকা। সরেজমিনে এ দুই প্রতিষ্ঠানের মাঠে কোনো ধরনের উন্নয়ন কাজ চোখে পড়েনি।

জাহানপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে মিয়ার বাড়ি থেকে মূল সড়ক পর্যন্ত রাস্তা পুনর্নির্মাণে সাড়ে ৯ টন গম বরাদ্দ ছিল। তবে সেখানকার বাসিন্দারা জানান, এখানে কোনো কাজ হয়নি।

অভিযোগ উঠেছে, এভাবেই কাজ না করে ২৯ প্রকল্পের বিপরীতে বরাদ্দ ২৫৫ টন গম তুলে নিয়েছে ঠিকাদাররা।

কাবিটা প্রকল্পের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওসমানগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী আলী মিয়ার বাড়ি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণ বাবদ ৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। কিন্তু ওই রাস্তায় কোনো কাজ হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসী।

আসলামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চান মিয়ার বাজার থেকে পূর্ব দিকে পাকা সড়ক পর্যন্ত রাস্তা পুনর্নির্মাণে বরাদ্দ ছিল ৫ লাখ ৫২ হাজার টাকা। একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মোহব্বত মাস্টার সড়ক পুনর্নির্মাণে ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা বরাদ্দ ছিল। কিন্তু এসব রাস্তায় কোনো কাজ হয়নি বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জিনাগড় ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দিলীপ ডাক্তার সড়ক পুনর্নির্মাণে ৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকা ও হানিফ মেম্বার বাড়ির দরজার ব্রিজ থেকে উত্তর দিকে পাকা রাস্তার মাথা পর্যন্ত পুনর্নির্মাণে ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হলেও এখানে কোনো কাজ হয়নি।

নুরাবাদ ইউনিয়নের কমান্ডার বাড়ির পোলের গোড়া থেকে চক বাজার পর্যন্ত রাস্তা পুনর্নির্মাণে বরাদ্দ ছিল ৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকা। একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শিকদার বাড়ি থেকে হদিছ মাঝির বাড়ি পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণে বরাদ্দ ছিল ৪ লাখ ৬১ হাজার টাকা। এলাকাবাসী জানিয়েছেন, এ দুটি রাস্তায়ও কোনো কাজ হয়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এভাবেই কাবিটা কর্মসূচির প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা লুট করে নেওয়া হয়েছে।

টিআর প্রকল্পের কাজের অনুসন্ধানে দেখা যায়, চর মাদ্রাজ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের জালু মিজি রোড থেকে রাঁড়ি বাড়ির মাটির রাস্তা পুনর্নির্মাণে বরাদ্দ হয় ৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। নীলকমল ইউনিয়নের একটি সড়ক মেরামতে বরাদ্দ হয় ৪ লাখ ৩১ হাজার টাকা। চর যমুনা মোন্তফা বাগাবাড়ি থেকে দক্ষিণ দিকে দুলারহাট বাজার পর্যন্ত রাস্তা পুনর্নির্মাণের জন্য বরাদ্দ হয় ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। মুজিবনগর ইউনিয়নে চর মোতাহার আলিম মাদরাসার উন্নয়নে ৬ লাখ ৩৯ টাকা বরাদ্দ ছিল। চর মোতাহার মালেক রাঁড়ি বাড়ি থেকে উত্তর দিকে লঞ্চঘাট পর্যন্ত রাস্তা মেরামতে বরাদ্দ ছিল ৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা।

স্থানীয়রা জানায়, এসব সড়কে বা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের কাজ হয়নি। কাজ না করেই টিআর প্রকল্পের টাকা ঠিকাদার হাতিয়ে নিয়েছেন। এদিকে কাবিখা, কাবিটা ও টিআর প্রকল্পে অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে— এ দাবিতে দুলার হাট থানার একাধিক জায়গায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন সেখানকার বাসিন্দারা। পাশাপাশি রাইটস ফর কোস্টাল পিপল (আরসিপি) নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অনিয়মের তদন্ত দাবি করে বিবৃতি দিয়েছে।

এ বিষয়ে সংবাদ করায় আমার দেশের চরফ্যাশন প্রতিনিধিকে বিভিন্ন মাধ্যমে মৌখিকভাবে সতর্ক করার পাশাপাশি হুমকিও দেওয়া হয়। শুধু তাই নয় বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, এই প্রতিবেদককে শায়েস্তা করতে প্রশাসনের সহায়তায় আইনজীবী সমিতির নেতাদের সঙ্গে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের বৈঠকও হয়।

অনিয়মের বিষয়ে চরফ্যাশন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জি এম ওয়ালিউল ইসলাম বলেন, আমি কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই। যদি কোথাও অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে সেগুলো পুনরায় করা হবে।

কোটি কোটি টাকার অনিয়ম প্রসঙ্গে চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসনা শারমিন মিথি বলেন, এসব অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত চলছে। আমার উদ্যোগেই আমি তদন্ত করেছি। তদন্ত শেষে কী হয়েছে তা বলতে পারব।

জেলা প্রশাসক আজাদ জাহান আমার দেশকে বলেন, চরফ্যাশনের সরকারি তিন প্রকল্পে কোনো অনিয়ম থাকবে না। কোথাও কোনো কাজে অনিয়ম হলে সেটি পুনরায় করে দিতে হবে। এ ব্যাপারে আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে কঠোর নির্দেশ দিয়েছি।

সহকারী শিক্ষিকাকে হেনস্তার অভিযোগের ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন

কে হচ্ছেন বিসিসির প্রশাসক, আলোচনায় আলাল ও রহমাতুল্লাহ

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বরিশালে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

আ.লীগ নেত্রীর ছেলেসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বরিশালে আইনজীবীদের আদালত বর্জন, বিচারকের অপসারণ দাবি

উজিরপুরে নবনির্বাচিত এমপির সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের শুভেচ্ছা বিনিময়

আমি এখন সকলের এমপি, আইন-শৃঙ্খলা সভায় মাসুদ সাঈদী

বিএনপির অফিস ভাঙচুর মামলায় বরিশালে আ.লীগ নেতার জামিন

উজিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তি নিহত

হাসপাতালে সেলিনা রহমানকে দেখতে গেলেন বিএনপি নেতা জয়নুল আবেদীন