পিরোজপুর-২ আসন নেছারাবাদ, কাউখালী ও ভান্ডারিয়া- ৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ আসনের নির্বাচনীয় এলাকা নেছারাবাদ উপজেলায় শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বেশকিছু ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।
সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাহী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপজেলার ৭৭টি ভোটকেন্দ্রগুলোতে যেকোনো অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার, সহিংসতা, ভোট কারচুপি কিংবা ভোটারদের ভোটাধিকার বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা, কিংবা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি প্রতিরোধে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা প্রশাসনের।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাচন অফিসার রুবায়েত হোসেন বলেন, ‘পিরোজপুর-২ আসনের অন্য দুইটি কাউখালী, ভান্ডারীয়ার উপজেলা চেয়ে নেছারাবাদ উপজেলায় সর্বোচ্চ ভোট ও ভোটকেন্দ্রে হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণও বেশি। ভোটার সংখ্যা বেশি থাকায় এ আসনটি জয় পরাজয় নির্ভর করে নেছারাবাদ উপজেলায় ওপর।
নেছারাবাদ উপজেলায় হালনাগাদ ১ লাখ ৯৮ হাজার ১ জন ভোটারের জন্য ৭৭ টি ভোটকেন্দ্রে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে ব্যালট বক্স, ব্যালট পেপার, সিসি ক্যামেরাসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যথাসময়ে সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তুতির কাজ শেষ পর্যায়।’
পিরোজপুর নির্বাচন কমিশনার আব্দুব মান্নান বলেন, ‘পিরোজপুর-২ আসন, ৩টি উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫ হাজার ৩০২ জন। ১ জন স্বতন্ত্রসহ প্রার্থী ৭ জন, ভোটকেন্দ্র ১৬৬টি, এর মধ্যে নেছারাবাদ উপজেলায় ভোট ও ভোটকেন্দ্র সর্বাধিক হওয়া নির্বাচনীয় এলাকাটির কোনো-কোনো ভোটকেন্দ্র অতিঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।’