বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান
ভোলা সরকারি মহিলা কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্রের ওএমআর শিট পাঠানো নিয়ে তৈরি হওয়া সাময়িক জটিলতায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। খামের ওপর ভুল ঠিকানা লেখার কারণে ওএমআর শিট বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরিবর্তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে গেলেও, পরবর্তীতে তা উদ্ধার করে যথাস্থানে জমা দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুুলাই) আমার দেশকে এ তথ্য জানিয়েছেন ভোলা সরকারি মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মহিউদ্দিন।
তিনি জানান, ভোলা সরকারি মহিলা কলেজে এইচএসসি-২০২৬ সালের পরীক্ষা কেন্দ্র। যার কোড নাম্বার ৬০২। গত ২ জুুলাই এইচএসসি পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষার সকল পেপার ও উত্তরপত্র যথারীতি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হয়। এ কেন্দ্রের ৭ শত ৯৭ শিক্ষার্থীর সকল কাগজপত্র বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পাঠানো হলেও খামের ওপরের ঠিকানা ভুলের কারণে ওএমআর শিট বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে না পাঠিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পাঠানো হয়। কিন্তু এর পর দিনই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি জানানো হলে দুই দিনের মধ্যে ওএমআর শিট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এনে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে জমা দেওয়া হয়।
প্রফেসর মহিউদ্দিন আরও জানান, ইতোমধ্যে এনিয়ে অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলাফল নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি ওএমআর শিট বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে পৌঁছানোর মাধ্যমিক পরীক্ষার সকল নিয়ম পালন করা হয়েছে। পরীক্ষা কমিটির অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের কারণে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড ইতোমধ্যে পূর্বের পরীক্ষা কমিটি বাতিল করে নতুন পরীক্ষা কমিটি গঠন করেছেন। যা নিয়ে আর কোনো ধরনের বিভ্রান্তি নেই।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহকারী অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহ, ইখতিয়ার উদ্দিন, প্রভাষক মাহবুবুর রহমান ও সাঈদ হোসেন।
পরীক্ষা কমিটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বলেন, বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো দুঃখজনক। আমাদের অনিচ্ছাকৃত ঠিকানা ভুলের কারণে ওএমআর শিট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় চলে গেছে। পরবর্তীতে আমরা তার সংশোধন করে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে দিয়েছি। এনিয়ে আর কোনো সমস্যা নেই। একই দিন মাস্টার্স প্রিলিমিনারি পরীক্ষা থাকায় এই খাতার সাথে ভুলক্রমে এইচএসসির ওএমআর শিট প্যাকেটের ওপর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিল দেওয়া হয়েছিল।